সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ট্রলার ঘাটে বেপরোয়া চাদাঁবাজী ও ঘাট দিয়ে চলাচলরত যাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এ ঘাট দিয়ে চলাচলরত যাত্রীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ট্রলারঘাটটি বিআইডব্লিউটিএ থেকে ইজারা নিয়েছেন বৈদ্যেরবাজার এলাকার রামগঞ্জ গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া। এ ঘাটটি দিয়ে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার প্রায় শতাধিক ট্রলার প্রতিদিন আসা যাওয়া করে।

বিআইডব্লিউটিএ থেকে ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপারের সময় জনপ্রতি দুই টাকা করে নির্ধারন করা হলেও সেলিম মিয়া ও যুবলীগ নেতা হামিদুল মিয়ার নিয়োজিত বাহীনির লোকজন মাদক ব্যবসায়ী ইলিয়াস মিয়া, সোলমান মিয়া, হানিফা মিয়া, জুনায়েদ মিয়া জনপ্রতি পাঁচ টাকা করে আদায় করছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে অশালীন আচরন করা হয় এবং নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানি করা হয়। এ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক যাতায়াত করে। তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন এ বাহিনীর সদস্যরা।

ভুক্তভোগী আড়াইহাজার এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, নিরাপত্তা, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের কারণে এ ঘাটে যাত্রী আশংকাজনক হারে কমে গেছে। যাত্রী পারাপারে জনপ্রতি দুই টাকা নেওয়া কথা থাকলেও ভাংতির অযুহাত দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে পাচঁ টাকা আদায় করে নেয়। কেউ প্রতিবাদ করলে তার সঙ্গে অশালীন আচরন ও নারীদের শ্লীলতাহানি করা হয়। এধরনের কর্মকান্ড চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ ঘাটে যাত্রী আরো কমে যাওয়ায় আশংকা রয়েছে।

এ বিষয়ে জাতে চাইলে সেলিম মিয়া বলেন, বিআইডব্লিউটিএ এর নির্ধারিত ফি যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। কারো কাছে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছেনা।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। চাদাঁবাজদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।