ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌর শহরের ব্যবসায়ী মো: রফিক হাজীর তৃতীয় স্ত্রী পাখি বেগম কতৃক গৃহপরিচালিকা সাথির গোপনাঙ্গে মরিচ ছিটিয়ে নির্যাতন ও পিটিয়ে মারাক্তক জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাথি উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের দুই নাম্বার ওয়ার্ডের লাল মিয়ার মেয়ে।

বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কান্না জড়িত কন্ঠে আহত গৃহপরিচারিকা সাফিয়া সাথী (১৫) জানান, শুক্রবার রফিকের তৃতীয় স্ত্রী পাখি বেগম ভাতে পোড়া লেগেছে অভিযোগ তুলে খুন্তি দিয়ে আমাকে সারা শরীর পিটায়। মাথায় খুন্তির আঘাতে ফেটে যায়। এক পর্যায়ে গোপনাঙ্গে মরিচের গুড়া লাগিয়ে দেয়। আমি মৃত্যু যন্ত্রনায় চিৎকার করতে থাকি কিন্তু রফিকের ভয়ে কেউ আমাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসাতে সাহস করেনি। আমাকে ঘরে আটকিয়ে রাখলে আমি বাঁচার তাগিদে গাছ বেয়ে পালিয়ে এসে ডাইভারশন রোডে সেনা সদস্য হেলালের বাসায় আশ্রয় নেই।

আমার বাবাকে খবর দিলে উদ্ধার করে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সাফিয়া আরও জানান, গত এগারো মাস ধরে অকারনে পাখি বেগম তাকে মারধর করতো। পাখি বেগম তাকে বিবস্ত্র করে ছবি তুলেছে। সে হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি আমি মারধরের কথা কাউকে বলি তাহলে উলঙ্গ ছবি ইন্টানেটে ছড়িয়ে দিবে। আমি ভয়ে কাউকে বলতে সাহস করিনি।

এ ব্যাপারে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তায়েবুর রহমান জানান, তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের দাগ এবং গোপনাঙ্গে অনেক গুলি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছি পরবর্তীতে যদি উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হয় তাহলে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করব।

এ ব্যাপারে পাখি বেগম ও তার স্বামী রফিকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)অসীম কুমার সিকদার জানান,আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।