বন্দর(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভী বলেছেন, আপনারা জানেন এলাকার উন্নয়নের জন্য আমি কোন দল মত দেখিনা। যেখানে যা প্রয়োজন আমি সেখানে তাই করি। বন্দরে ঐতিহ্যবাহী সিরাজদৌল্লা ক্লাব নিয়ে একটি পরিকল্পনা আছে। এখানে একটি বদ্ধভূমি রয়েছে। তার সাথে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ক্লাব ও বন্দরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার রয়েছে। আমি অবহেলিত বন্দরবাসীর জন্য কাজ করছি। আপনারা ঠিকাদারদের সর্বাধিক সহযোগিতা করবেন। চলমান কাজের নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ইঞ্জিনিয়ার সব সময় তদারকি করবেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বন্দর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ক্লাবসহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও সিরাজদৌল্লা ক্লাব নির্মান কাজের শুভ উদ্ধোধন অনুষ্ঠান পূর্বে মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী ক্লাবের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জাব্বার সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক লাইক আহমেদ ছিদ্দিকি বাবু,সিরাজদৌল্লা ক্লাবের সভাপতি নাজমুল ইসলাম পল্টু, সাধারন সম্পাদক নিয়ামত উল্ল্যাহ, ডেপুটি কমান্ডার কাজী নাসির, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোশারফ খান, বীরমুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন জালু, বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ খোরশেদ আলম খসরু, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির এলিন,আওয়ামীলীগ নেতা কাজী সহিদ, সমাজ সেবক মিয়া সোহেল, জাতীয় ফুটবলার আজমল হোসেন বিদ্যুৎ, ব্যাংকার নূর মোহাম্মদ, সমাজ সেবক আতিকুর রহমান সিদ্দিক, যুবলীগনেতা হিমেল খান,পৌর টোল গ্রহনকারী তথা যুবলীগনেতা ডিউক,সমাজ সেবক হিরুসহ স্থানীয় এলাকার শতশত গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন আমি কিভাবে দেওভোগ এলাকার ন্যাশনাল ক্লাবটিকে ভেঙ্গে দিয়েছি। এ ছাড়াও ২নং বাবুরাইল জনকল্যান ক্লাবটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। আমি এতটুকু ছাড়া দেয়নি। আমি তাদের কোন প্রকার সহযোগীতা করিনি। তারপরও তারা নিজ উদ্যোগে ক্লাব নির্মান করেছে। বাবুরাইল জন কল্যান ও দেওভোগ ন্যাশনাল ক্লাবের কর্মকর্তারা প্রতি বছরে এই ২টি ক্লাবের মাধ্যমে বাবুরাইল ও দেওভোগ এলাকাসহ এর আশে পাশের শত শত অসহায় মানুষের পাশে সব সময় দাঁড়িয়েছে।

পরে তিনি বন্দরে ঐতিহ্যবাহী সিরাজদৌল্লা ক্লাবের শুভ উদ্ধোধন করে বন্দর থানা ফুটবল কোচিং সেন্টারের খেলোয়ার ও কর্মকর্তাদের সাথে ফটোসেশনে মিলিত হয়।