একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার চতুর্থবারের মত নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন। বাংলাদেশে দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখায় রেকর্ড গড়ে জয়ী হতে পারেন তিনি।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,আজ রবিবার বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে রেকর্ড গড়ে নির্বাচিত হতে পারেন শেখ হাসিনা। তবে তার সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মী ও বিরোধী দলের নেতাদের হেনস্তা করেছে ক্ষমতাসীন সরকার।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রয়েছেন ৭১ বছর বয়সী শেখ হাসিনা। ২০০৯ সাল থেকে দেশ চালাচ্ছে তার দল। মাঝে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে প্রধান বিরোধী দলসহ অনেকে। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। টানা দুই মেয়াদে দেশের ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে বর্তমান সরকার,দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যা উল্লেখযোগ্য।

এ কারণে ফের নির্বাচিত হতে পারেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। মার্কিন গণমাধ্যমটিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া। তিনি কারাবন্দী থাকায় এবারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। কিন্তু তার দল নির্বাচনী মাঠে রয়েছে। জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে দলটি। তবুও তাদের হারিয়ে রেকর্ড টানা তিনবার ক্ষমতায় আসতে পারেন শেখ হাসিনা। তবে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে সারা দেশে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দাবি-সুষ্ঠু,সুন্দর, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে। নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। গত অক্টোবরে সংসদে পাস হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। সিএনএনের দাবি, বিতর্কিত আইনটির কারণে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলাখুলিভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করার সাহস পাবে না জনগণ। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে,নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছে গণমাধ্যমটি।