এই মুহুর্তে দেশের প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত এবং সেলিম ওসমান এমপি। শিক্ষককে সেলিম ওসমান চরম অপমান করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শ্যামল কান্তি।

বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ চলছে। অনেকে হাস্যকর প্রতিবাদও দেখাচ্ছেন। শ্যামল কান্তি বনাম সেলিম ওসমানের ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক খেলাও শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন। এখন বিষয়টি তিনি সমাধান করবেন এমন বিশ্বাস অসংখ্য জনতার।

গ্রামে একটি প্রবাদ বাক্য আছে। সেটি হলো বিনা বাতাসে গাছের পাতা নড়ে না। এমপি সেলিম ওসমান যা করেছেন সেটি কেউ সমর্থন করতে পারে না। তবে শিক্ষক শ্যামল কান্তি কী কোনও অপরাধ করেননি? সে বিষয়টি নিয়ে কার কোনও কথা নেই। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন শ্যামল কান্তি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, একজন ছাত্রকে তিনি মারধর করেছেন। অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে মাথায় পানি ঢেলে সুস্থ করেছেন। চিকিৎসা দিয়েছেন। ছাত্রের মার কাছে দু:খ প্রকাশ করেছেন।

এখন প্রশ্ন হল একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে এভাবে একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করাটা কী অপরাধ নয়? শিক্ষার্থীর অপরাধ সে শিক্ষকের ডাকে সাড়া দিয়ে দাড়াঁয়নি। ছাত্র রিফাত বলেছে সে শুনতে পায়নি তাই দাড়ায়নি।

আমার বিশ্বাস সেলিম ওসমান এমপি না হলে বিষয়টি নিয়ে এভাবে হইচই হত না। সেলিম ওসমান সংবাদ সম্মেলন করে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি বিষয়টি নিয়ে ক্ষমা চাইবেন না। এখন সমাধান কী হতে পারে? যারা সেলিম ওসমানের বিচার চাইছেন তাদের কেউ আদালতে যেতে পারেন। অপরদিকে শিক্ষার্থীকে মারধর করার অপরাধে শিক্ষক শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধেও পাল্টা মামলা করতে পারেন কেউ। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবেন।