সাখাওয়াতের প্রচারণায় বিএনপির নেতারা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ওপর আগামী দিনে দেশের জাতীয় নির্বাচনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সুষ্ঠু ভোটের জন্য নারায়ণগঞ্জে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে আগামী ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খানের পক্ষেপ্রচারণার সময় গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে এ দাবি জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা আলমগীর বলেন, এ নির্বাচনে বিশ দলীয় জোটের প্রার্থী তথা খালেদা জিয়ার প্রার্থী হলেন সাখাওয়াত। এ সরকারের আমলে কেউ নিরাপদ না। এ সরকার গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, ভোটের অধিকার হরণ করেছে। মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আজ শনিবার বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। কিন্তু দেশে মানবাধিকার নেই। হত্যা, খুন, গুম সবই চলছে দেশে। শুধু বিএনপির নেতাকর্মী না সাধারণ মানুষও মামলায় জর্জরিত। সে কারণে এ (সিটি করপোরেশন) নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে আগামী দিনে জাতীয় নির্বাচনের ভবিষ্যৎ। এ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। মানুষ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চায়।  গুম-খুনের বিরুদ্ধে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে জনগন এটাই আমার প্রত্যাশা। ধানের শীষে ভোট দিলে গণতন্ত্রের অধিকার আদায় হবে।

শনিবার বেলা ১১টায় শহরের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বক্তব্য শেষে ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এসময় সঙ্গে ছিলেন কল্যাণ পার্টির মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা জেলা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সেলিমুজ্জামান সেলিম, সহ কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূইয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার, সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন ও আবুল কালাম, জেলা সেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা যুবদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন, জেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল প্রমুখ।