জিলহজ্বের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানির আগ পর্যন্ত নিজের নখ, চুল, মোচ, নাভীর নিচের পশম ইত্যাদি না কাটা মুস্তাহাব। হযবরত উম্মে সালমা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুল (সা) ইরশাদ করেন, “তোমরা যদি জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কুরবানি করতে ইচ্ছে করে তবে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।” (সহীহ মুসলীম ১৯৭৭, আবু দাওদ শরীফ ২৪৩৭), ।

যে ব্যক্তি কুরবানী দিতে সক্ষম নয় সে ব্যক্তিও এ আমল করলে তার ফজিলত পাবে। ফজিলত হল, ‘যে ব্যক্তি এই আমল করবে সে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে পূর্ন একটি কুরবানির সওয়াব পাবে। (মুসনাদে আহমাদ ৬৫৭৫, আবু দাউদ শরীফ ২৭৮৯, নাসায়ী শরীফ ৪৩৬৫) । অতএব মুসলিম হাদিস অনুযায়ী যারা কুরবানি করার ইচ্ছে পোষণ করছেন, তারা জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে হাত পায়ের নখ, মাথার চুল ও অবাঞ্ছিত চুল ইত্যাদি কাটবে না, যদি ৪০ দিন না হয়ে থাকে এগুলো না কাটার মেয়াদ। যদি ৪০ দিনের বেশি হয়ে থাকে, তাহলে এসব কেটে ফেলা আবশ্যক। নতুবা ১০ দিন পর কুরবানির পর পরিস্কার করবে। এ কাজটি সুন্নত।

তবে কেউ কেউ না কাটা ওয়াজিবও বলেছেন। তারা বলেন, কুরবানিদাতা নখ চুল কাটলে গুনাহগার সাব্যস্ত হবেন। কোনোটিই সম্ভাবনার বাইরে নয়। তাই না কাটাই উত্তম।

অতএব, আগামী ২৩ আগস্ট জ্বিলহজ মাসের চাঁদ উঠার কথা রয়েছে। সে হিসাবে ২৩ তারিখ বুধবার সন্ধ্যার আগেই চল নখ কাটার আমলটি করতে পারেন সওয়াবপ্রত্যাশী ও কুরবানিদাতারা। এরপর থেকে কুরবানির আগ পর্যন্ত এসব কাজ করা মাকরূপ এর অন্তর্ভুক্ত।