ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধরের মামলায় সাক্ষী দিতে এসে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় হোসেন নামের এক যুবলীগ কর্মী আসামিদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে ওই সাক্ষীসহ হামলাকারী আরও দুই যুবলীগ কর্মীকে আটক করেছে।

সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।আটককৃতরা হলেন- রূপগঞ্জ উপজেলার মুশুরী গ্রামের সামছুদ্দিনের ছেলে সাক্ষী মোহাম্মদ হোসেন, একই এলাকার ওমর আলীর ছেলে আসামি জয়নাল আবেদিন ও তাদের পাশের এলাকার বলাইখার আবু সিদ্দিকের ছেলে বাবু মিয়া।

মামলার বাদী রুমেল নিজেকে রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কর্মী দাবি করে বলেন, ২০১৫ সালের ৫ জুলাই পূর্বশত্রুতার জের ধরে একই এলাকার যুবলীগ কর্মী জয়নাল আবেদিনসহ ৮ থেকে ১০ জন মিলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কোপায়।

এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়। এই মামলায় সোমবার যুবলীগ কর্মী হোসেনসহ চারজন সাক্ষী দিতে আদালতে আসেন। সাক্ষীদের আদালতের বারান্দায় দেখে আসামি জয়নাল ও তার লোকজন ফুসে ওঠে। এক পর্যায়ে তাদের এলাকায় চলে যেতে বলে। কথা না শোনায় সাক্ষীদের ওপর হামলা চালায় জয়নাল ও তার লোকজন।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী যুগান্তরকে জানান, মারামারি করার সময় তিনজনকে পুলিশ ধরতে পেরেছে। অন্যরা পালিয়ে যায়। কে সাক্ষী আর কে আসামি তা যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।