খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (কেসিসি) বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু নির্বাচনী প্রচারণা স্থগিত ঘোষণা করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের আটকের প্রতিবাদে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টায় নগরীর মিয়াপাড়া রোডের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করার ঘোষণা দেন মঞ্জু।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বেলা ১১টায় বিএনপি জরুরি সভা ও ১২টায় দলীয় কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিং করে সাংবাদিকদের বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

মঞ্জু অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ ও ডিবির সদস্যরা বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে। এছাড়া আরও অনেক নেতাকর্মীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ফলে গোটা শহর জুড়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকলে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলেও ডিবি পুলিশ হুমকি দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণামূলক সব কার্যক্রম বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আটককৃতদের মুক্তি এবং আতঙ্কমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি না করা পর্যন্ত বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

চলতি মাসের ১৫ তারিখে খুলনা সিটি নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুর পক্ষ থেকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে ৯ দফা সুপারিশসহ একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়েছিল। সেখানে খুলনার পাঁচ থানার ওসিসহ ‘দলবাজ’ পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলি এবং নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি করেছিলেন এই মেয়র প্রার্থী।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন একটি সুপারিশও বাস্তবায়ন করেনি বলে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছিলেন প্রার্থী মঞ্জু।