নিউজ প্রতিদিন: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আব্দুর রহিম (৩৫) নামে এক ইলেকট্রিক মিস্ত্রিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা সাদ্দাম হোসেন আসিফসহ (২৭) তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে হত্যার আলামত নষ্টের অভিযোগে আসিফের মা ও খালাকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) গভীর রাতে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের হাসাইল এলাকা থেকে আসিফ এবং মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকা থেকে তার মা ও খালাকে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে আসিফকে প্রধান আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের মা রহিমা বেগম। গ্রেফতার আসিফ ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার আমির খসরুর ছেলে।

নিহত আব্দুর রহিম শরীয়তপুরের জাজিরা থানার মাঝিকান্দির ইমান আলীর ছেলে। তারা সপরিবার ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার ইলিয়াস সরদারের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকার ইমান আলীর ছেলে আব্দুর রহিম ইলেকট্রিকের কাজ করেন। কিছুদিন আগে আসিফের বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা পাওনা রয়েছেন রহিম।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় আসিফকে দেখে পাওনা টাকা চান রহিম। টাকা চাওয়ায় আসিফের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় রহিমের। একপর্যায়ে আসিফসহ আরও কয়েকজন রহিমকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে যান। স্থানীয়রা রহিমকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, পাওনা পাঁচ হাজার টাকা চাওয়ায় রহিমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে আসিফসহ কয়েকজন। এ ঘটনায় আসিফকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে হত্যার আলামত নষ্টের অপরাধে আসিফের মা রাজিয়া ও খালা সুলতানা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।