নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ। যে কোন মুহূর্তে ধ্বসে যেতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী  বলেন, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইব্রাহীম খলিলের চরম অযোগ্যতার কারনে নতুন ভবন নির্মানের টেন্ডার পাশ হলেও টেন্ডার বহিভূর্ত ভবন নির্মান কাজ করায় উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর তা বাতিল করে দেয়।

একটি সুত্র হতে জানা যায়, ১৯৩৯ সালে রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়।বর্তমানে উক্ত স্কুলে ২৪৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। কক্ষ স্বল্পতার কারনে ১৯৩৯ সালে নির্মানাধীন টিনের ঘরে চলে বিদ্যালয়ের কাজ। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির কারনে দিনদিন শিক্ষার মান নিন্মস্তরে পৌঁছে যাচ্ছে।

২০২০ সালে নতুন ভবন নির্মান কাজের টেন্ডার পাশ হয়। শর্ত ছিল স্কুলের ভবন দক্ষিণ মূখী হবে। কিন্তু স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইব্রাহীম খলিল ও সমাজের কয়েকজন মাদবর মিলে উত্তর মূখী করে ভবন নির্মান কাজ শুরু করে। টেন্ডার বহিভূত ভবন নির্মান কাজ শুরু করায় উপজেলা এলজিইডি অফিসের প্রকৌশলী নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন। সেই থেকে  নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। কোমল মতি শিশুরা স্কুলের মাঠে খেলাধুলা করতো। বর্তমানে মাঠটি গর্ত করে রাখায় শিশুরা খেলাধুলা হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সভাপতির অযোগ্যতায় টেন্ডার পাশ হওয়ার পরেও বাতিল হয়ে যায়। শিশুদের খেলার মাঠ বন্ধ করে স্কুল ভবন নির্মান করার পায়তারা করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

ম্যানেজিং কমিটির সদস্য লোকমান হোসেন জানান, যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। ভবন নির্মানের জন্য আগের ইউএনও ২০ লাখ টাকা দিয়েছিল বর্তমান ইউএনও তা বন্ধ করে দেয়। এটা নিয়ে আমরা চেষ্টা করছি। উপজেলা প্রকৌশলী বলেছেন এখন আর সম্ভব নয়। স্কুল বন্ধ রয়েছে।

সভাপতি মো. ইব্রাহীম খলিল বলেন এজন্য দায়ী ইঞ্জিনিয়ার। করোনার কারনে রেজাল্ট খারাপ। স্কুল খোলার পর সব ঠিক হয়ে যাবে।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সুত্রে জানা যায়, একটু সমস্যার কারনে বন্ধ হয়ে যায় তবে দ্রুত ভবন নির্মান কাজ শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।