নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : পরিছন্ন রাজনীতিবিদ, কবি, সাহিত্যিক, আবৃত্তিকার ও সমাজ সেবক মুহাম্মদ আনোয়ার হুসাইন। যার নামের সাথে মিশে আছে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আদর্শ, এ কে এম শামীম ওসমান, এম সাইফুল্লাহ বাদল, আলহাজ্ব মো.শওকত আলী চেয়ারম্যান ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বের গুনাবলী। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের সৈনিক হিসেবে পরিচিত এক সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা মুহাম্মদ আনোয়ার হুসাইন।

১৯৯১ সালে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের ততকালীন সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল্লাহ’র সাথে থেকে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. শওকত আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে রাজনীতি করে যাচ্ছেন।

একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন নানান কথা। যা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

মো. আনোয়ার হুসাইন শুধু রাজনীতির সাথে জড়িত নন-সমাজসেবায়ও সমান পারদর্শী। তার কাছে অসহায় নারী- পুরুষ সহযোগিতার জন্য গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসেনি কেউ। সাধ্যমত চেষ্টা করেন সহযোগিতার। এ নীতি গ্রহন করেছেন তার রাজনৈতিক নেতা নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ, উন্নয়নের রূপকার, কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ এ কে এম শামীম ওসমানের কাছ থেকে।

১৯৯১ সালে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, পরপর দুই দুই বার সাধারণ ও ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক পরবর্তীতে বক্তাবলী ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বতর্মান ফতুল্লা আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী রাজনীতি করে যাচ্ছেন। আজও পর্যন্ত আছেন এই দলে।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে জাগ্রত কলমের সম্পাদক ও সামাজিক সংগঠন বহুব্রীহির সভাপতি ও অসংখ্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতা মো. চাঁন মিয়া মাদবর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমান পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ পরিবার হিসেবে পরিচিত।

মুহাম্মদ আনোয়ার হুসাইন বলেন, এখন পর্যন্ত আমার নামে অপ্রীতিকর কোন ঘটনার মামলা, জিডি ও অভিযোগ নাই। বক্তাবলীর সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মো. শওকত চেয়াম্যান ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের ভালবাসা পেয়েছি এটাই আমার জীবনের অন্যতম পাওয়া। ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ ও বক্তাবলী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা আমাকে যদি যোগ্য মনে করে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব দেন, আমি সেই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত আছি এবং এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে আপ্রান চেষ্টা করবো। ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের নির্দেশনা মোতাবেক রাজনীতির মাঠে ছিলাম, আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ।