১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 61

ভিক্ষুক রেজাউল ত্রাণ দিলেন নিজ টাকায়

নিউজ প্রতিদিন : শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. রেজাউল হক (৪০) পেশায় একজন ভিক্ষুক। দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারানোর পর চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলে তার সংসার। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে থাকেন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হিলভিউ রংপুর কলোনীতে।

চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের কারণে অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে বাসা থেকে আর বের হতে পারেননি রেজাউল। থেমে যায় রোজগার। যে কলোনীতে তিনি থাকেন সেখানকার সবাই পেশায় হয়ত রিকশাচালক, নয়ত দিনমজুর। সব বন্ধ থাকায় তাদেরও উপার্জন বন্ধ।

এদিকে, তারা পাননি কোন ত্রাণ কিংবা সাহায্য। ফলে অনাহারে, অর্ধাহারে জীবন কাটছে তাদের। প্রতিবেশীর এ কষ্ট সহ্য হয়নি রেজাউলের। গত কয়েক মাসে ভিক্ষা করে জমিয়েছিলেন ১২ হাজার টাকা। সিদ্ধান্ত নিলেন সে টাকা দিয়েই প্রতিবেশিদের করবেন সাহায্য। অন্য কারো ত্রাণের আশায় বসে না থেকে নিজের এ জমানো টাকা দিয়েই ৬০ জন প্রতিবেশিকে দিলেন চাল, আলু আর সাবান।

গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) রংপুর কলোনীর সামনে ৬০ জনের কাছে রেজাউল নিজ হাতে তুলে দেন এসব ত্রাণ। ত্রাণের মধ্যে ছিল ৪ কেজি চাল, ১ কেজি আলু ও একটি সাবান। ত্রান পেয়ে খুশি পুরো কলোনীর মানুষ। একজন ভিক্ষুক হয়ে প্রতিবেশীদের ত্রাণ বিতরণে এলাকায়ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, রেজাউলের গ্রামের বাড়ি রংপুরের লালমনিরহাট জেলায়। ৯ বছর আগে চট্টগ্রামে এসেছিলেন ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে। তবে কোন কাজ না জোটায় ভিক্ষা করেই চালাচ্ছেন নিজের পরিবার। তবে অর্থের দিক দিয়ে দরিদ্র হলেও রেজাউলের মনটা যে অনেক বড় তা প্রমাণ করলেন দুঃসময়ে প্রতিবেশীদের পাশে থেকে।
জানতে চাইলে রেজাউল বলেন, আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। আমার প্রতিবেশীরাও দিন এনে দিন খায়। ভাইরাসের কারণে সবার উপার্জন বন্ধ। আমাদের এখানে কেউ কোন ত্রাণও দেয়নি। আমার হাতে কিছু জমানো টাকা ছিল। তাই ভাবলাম, প্রতিবেশীদের সাহায্য করি। আমি একা খাবো, আর প্রতিবেশীরা উপোস থাকবে বিষয়টা ভাবতে পারছিলাম না। আজকে তাদের আমি সাহায্য করলাম, হয়ত একদিন তারাও আমার বিপদে এগিয়ে আসবে। সবাই মিলে এ যুদ্ধে জয়ী হতে হবে।

ত্রাণ পাওয়া রিকশাচালক মো. নাজির হোসাইন বলেন, রেজাউল আমাদের যে সাহায্য করল সেটা সারাজীবন মনে থাকবে। এ খাবারগুলো দিয়ে অন্তত এক সপ্তাহ আমাদের চলে যাবে। রেজাউলের মত বিত্তবানরা যদি আমাদের কথা একটু ভাবত তাহলে আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হত না।

হয়ত রেজাউলের সামর্থ্য কম, ত্রাণের পরিমাণও বেশি নয়। কিন্তু একজন ভিক্ষুক হয়ে যে মহানুভবতা তিনি দেখালেন তা অবশ্যই বিরল। এ কঠিন সময়ে সরকারের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবানরা যদি তাদের দরিদ্র প্রতিবেশীদের একটু খোঁজ নিতেন তাহলে ক্ষুধার জ্বালা নিয়ে কাউকে হয়ত রাত কাটাতে হত না।

নারায়ণগঞ্জের ডিসি,এসপি,সিভিল সার্জন ও ইউএনও সুস্থ আছেন

নিউজ প্রতিদিন : নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) জসিম উদ্দিন সুস্থ রয়েছেন। কিছুটা শারিরিক অসুস্থতা দেখা দিলে তার করোনা (কোভিড-১৯) টেস্ট করা হলেও সেটির ফলাফল নেগেটিভ এসেছে, ফলে তিনি করোনা আক্রান্ত নন এবং সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।

তবে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন জাহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে জাহিদুল ইসলামের সাথে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহ বিভিন্ন স্থানে বৈঠকে অংশ নেয়ায় সতর্কতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম, জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) মোহাম্মদ ইমতিয়াজসহ জেলার বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী। তবে তারা বাড়িতে থেকেও নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা, জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ও জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন জাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা জানান, আমাদের জেলা প্রশাসকের যে সতর্কতামূলক টেস্ট হয়েছিল সেটির রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি সুস্থ আছেন এবং আপাতত বাড়িতে থেকেই কাজ সম্পন্ন করছেন। জেলা প্রশাসনের সকল ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, নিয়মিত অভিযান, টহল এবং অফিসিয়াল কাজও চলছে। জেলাবাসী যদি একটু সতর্ক হয় এবং ঘরে থাকে তাহলে এই সংকট থেকে আমরা দ্রুতই উত্তরণ করতে পারবো বলে আশা করছি।

এদিকে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম, জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক সুস্থ রয়েছেন এবং তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে এবং জনগনের সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানান।

নারায়ণগঞ্জের ডিসি, সিভিল সার্জন, ইউএনও, আরএমও অসুস্থ !

নিউজ প্রতিদিন : সারা দেশের চাইতে অধিক মাত্রায়  গুরুত্ব দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলায় করোনা ভাইরাসের মোকাবেলা করছে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাগণ ।

দফায় দফায় বৈঠক নানা কার্যক্রমের মধ্যে এবার অসুস্থ হয়ে পরেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন,  নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) নাহিদা বারিক, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার  (আরএমও) ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামানসহ আরো কয়েকজন ।

এরই মধ্যে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ এবং আরএমও ডাঃ আসাদুজ্জামানকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রণালয় ।  একই সাথে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক কে  হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ।

করোনা ভাইরাসের কারনে সিভিল সার্জন, আরএমও, ইউএনও সহ সদর হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক,  কয়েকজন নার্স,  কয়েকজন ওয়ার্ড বয়, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার একতার কয়েকজন টেকনিশিয়ানকে আইসোলেশনে রাখা হলেও খোদ নারায়ণগঞ্জ জেলার  ডেপুটি কমিশনার   (ডিসি) ভিন্ন কারনে অসুস্থ হয়ে বিশ্রামে রয়েছেন ।

এমন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মনিটরিং সেল ও কন্ট্রোল রুম থেকে মমিনুল হক ।

মমিনুল হক আরো বলেন, জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন প্রেসার জনিত কারনে অসুস্থ আছেন ।

অপরদিকে জেলা সিভিল সার্জন দপ্তরের কন্ট্রোল কক্ষ থেকে লুৎফর রহমান বলেন,  জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ  এবং আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার  (আরএনও) ডাঃ আসাদুজ্জামান করোনা ভাইরাসের কারনে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভীর সাক্ষাৎকারে ডিসি, সিভিল সার্জন, ইউএনও এর অসুস্থতার খবর প্রকাশের পর জেলাজুড়ে ব্যাপকভাবে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন  তাহলে কি করে চলছে নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ এই জেলা ?

ফতুল্লায় ত্রাণের দাবীতে চেয়ারম্যানের বাড়ী ঘেরাও

নিউজ প্রতিদিন: ফতুল্লায় খাদ্যের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ফতুল্লা ইউনিয়নের ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডবাসী। খাদ্য সামগ্রী না পেয়ে ত্রাণের দাবীতে বিক্ষোভ করে রাস্তায় নেমে এসেছে নিন্ম আয়ের শত-শত নারী পুরুষ।

বুধবার দুপুর ৪ টায় নিন্ম আয়ের দরিদ্র শ্রেনীর শত-শত নারী পুরুষ ত্রানের দবীতে রাস্তায় নেমে এসে ঢাকা-নারায়নগঞ্জ পুরাতন সড়কে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ফতুল্লা থানা গেইট হয়ে ফতুল্লা চৌধুরীবাড়ীস্থ স্বপন চেয়ারম্যানের বাড়ীর সামনে অবস্থান গ্রহন করে। সামাজিক দুরুত্ব বজায় না মেনে শত-শত নারী পুরুষ এক হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।বিক্ষোভরত সকল নারী পুরুষ খাবার চাই,খাবার চাই বলে শ্লোগান দিচ্ছিলো।

দীর্ঘক্ষন অবস্থান করার পর ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষধের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থন্দকার লুৎফর রহমানর স্বপন তাদেরকে ত্রাণ দেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভরত জনগণ নিজ নিজ বাড়ীতে চলে যায়।

গতকাল দুপুরে লক ডাউন ভেঙ্গে ফতুল্লা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের নিন্ম আয়ের শত শত দরিদ্র নারী পুরুষ খাদ্র দ্রব্য ত্রাণের দাবীতে খাবার চাই চাই শোল্গান দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে রাস্তায়। এক পর্যায়ে তারা মিছিল নিয়ে ফতুল্লা থানা গেইটে এসে বিক্ষোভ করে থানা গেইটের বিপরীতে ফতুল্লা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খন্দকার লুৎফর রহমান স্বপনের বাড়ীর গেইটে গিয়ে অবস্থান সহ বাড়ী ঘিরে রাখে।

এ সময় কথা হয় ৩ নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা দিনমজুর রহমতুল্লা,জোবেদা,আকলিমা এবং ২ নং ওয়ার্ডের বাসীন্দা জহুরা,রোজিনা সহ বেশ কয়েকজনের সাথে তারা সকলেই অভিযোগের সুরে বলেন গত কয়েক দিন পূর্বে সরকার দলীয় স্থানীয় নেতা এবং ইউপি সদস্যের লোকজন এসে ত্রাণ দেয়ার জন্য ভোটার আইডি কার্ডর ফটোকপি নিয়ে যায়। কিন্তু আজকের দিন পর্যন্ত তারা কোনো ত্রাণ পায়নি।

বক্তাবলীর রাধানগরে জলিল গাজীর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

নিউজ প্রতিদিন: বক্তাবলী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো.জলিল গাজীর উদ্যোগে প্রাণঘাতী নোবেল করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এর কারনে সৃষ্ট অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মানুষের পাশে আছি, মানুষের পাশে থাকবো ‘এই স্লোগানকে সামনে জলিল গাজীর সার্বিক  ব্যবস্থাপনায় ও ড. আবুল কালাম আজাদ, মো. সোহরাব মাষ্টার, মো.রহিম ভেন্ডারের  তত্ত্বাবধায়নে বুধবার (৮ মার্চ) সকাল ১০ টায় বক্তাবলী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড রাধানগর জলিল গাজীর কার্যালয়ে বেকার, দিনমজুর, হতদরিদ্র ও অসহায় ১৪০ পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং একে অন‍্যের সহযোগিতায় পাশে থাকতে হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজা রাখা, ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,যেখানে সেখানে থু থু বা কফ না ফেলা, হাত দিয়ে নাক- মুখ–চোখ স্পর্শ না করা ও বেশি বেশি পানি পান করার আহ্বান জানান জলিল গাজী।

গোপনে কিস্তির টাকা আদায়ে ম্যানেজারসহ ১৫ কর্মী আটক

নিউজ প্রতিদিন: গোপনে কিস্তির টাকা আদায়ে ঠাকুরগাঁও শহরে বেসরকারি এনজিও ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের ম্যানেজারসহ ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে শহরের শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানা যায়। আটকদের মধ্যে রয়েছে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ ঠাকুরগাঁও জোন অফিসের ম্যানেজার ওয়াকিল আহম্মেদ (৪০) ও ১৪ জন মাঠকর্মী।

পুলিশ জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়াও দেশের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল না হওয়া পর্যন্ত সকল এনজিও সমূহকে জোরপূর্বক কিস্তি আদায় থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়। সেই নির্দেশনা অমান্য করে ঠাকুরগাঁওয়ে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ ঢালাওভাবে কিস্তি আদায় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

গোপনে সংবাদে পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে শহরের শান্তিনগর এলাকায় অবস্থিত ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ জোন অফিসে অভিযান চালিয়ে ম্যানেজার ওয়াকিল আহম্মেদসহ ১৪ জন মাঠকর্মীকে আটক করা হয় এবং তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আটকরা ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের দোষ স্বীকার করলে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন আটক ১৫ জনের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং ঠেঙ্গামারার ঠাকুরগাঁও জোন অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়।

ফতুল্লায় করোনাভাইরাসে একজনের মৃত্যু,এগিয়ে আসেনি কেউ!

নিউজ প্রতিদিন: করোনাভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে মৃত নিজ বাড়ির কক্ষে লাশ হয়ে পড়ে রয়েছেন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম (৬০)। তিনি মৃত জনাব আলীর ছেলে।

ফতুল্লার কোতায়েলেরবাগ এস.কে মডেল স্কুলের পাশে তার নিজ বাড়িতে পড়ে থাকলেও করোনার ভয়ে কেউ এগিয়ে আসছেনা। বাড়ীর বাইরে লোকজন জমায়েত হতে শুরু করেছে।

পারিবারিক সুত্র জানায়, ১০/১২ দিন আগে তিনি জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও কাশি নিয়ে অসুস্থ হন। পরে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টোরিয়া) নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

সে সময়ে তার নমুনা পরীক্ষার জন্য রক্ত ও থুথু রেখে দেন চিকিৎসক। এর পর তিনি ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার মারা যান। তিনি ডায়াবেটিক রোগী ছিলেন বলে জানান তার স্ত্রী। পরিবারের সদস্যরা আহাজারি করলেও এলাকার কেউ এগিয়ে আসছেন না।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং দুই ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত

নিউজ প্রতিদিন: মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কনকসার ও নাগেরহাটে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মরে যাওয়া দুই ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে লৌহজং উপজেলার কনসার ও নাগের হাট গ্রামের মোট ১১ টি পরিবারকে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টানে পাঠায় উপজেলা প্রশাসন। সংক্রামন এড়াতে কনসার ও নাগেরহাট গ্রামের ১১টি পরিবার, মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিমসহ লাশ গোসল করানো ব্যক্তিকেও হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি লক ডাউন করা হয় ৭টি বাড়ী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লৌহজং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: কাবিরুল ইসলাম।স্থানীয়রা জানায়, নাগেরহাট গ্রামের হারুন বেপারী (৫৭) পিতা আব্দুল জলিল তিনি গত- ০৫-০৪-২০ইং তারিখে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে নিয়ে রাজধানীর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরিবারের লোকজনের আশংকা ছিলো হারুন বেপারীর শরীরে করোনার ভাইরাসের উপস্থিতি আছে। তারা দ্রুত আইইডিসিআরের সাথে যোগাযোগ করে । আইইডিসিআর মৃত হারুন বেপারীরর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য প্রেরন করে। পরবর্তীতে মৃত হারুন বেপারীকে লৌহজং উপজেলার নাগেরহাটের সাত ঘরিয়া গোরস্তানে দাফন করা হয়। মঙ্গলবার ওই মৃত ব্যক্তির রিপোর্টে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতির বিষয়টি উঠে আসে।

অন্যদিকে একই উপজেলার কনকসার গ্রামের ওহাব দেওয়ান (৬২) পিতা মঙ্গল দেওয়ান গত- ০৬-০৪-২০২০ইং তারিখে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মারা যায়।সে ঢাকাতেই থাকতেন। বেশ কয়েকদিন আগে তিনি নিজ গ্রামের কনকসারে এসে ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন। সে ওই দিন তার নিজ গ্রামের বাড়ীতে রাত্রি যাপন করেন। এ জন্য তার সংস্পর্শে আসা ৭টি পরিবারকে লক ডউন করা হয়েছে।
এদিকে মৃত হারুন বেপারীকে গোসল করানোর স্থানীয় সাত ঘরিয়া গোরস্তানের আব্দুর রবকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এবং তার পরিবারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের খাবার সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে।

বক্তাবলীতে আলোর দিশারী যুব উন্নয়ন সংসদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

নিউজ প্রতিদিন: বক্তাবলীতে আলোর দিশারি যুব উন্নয়ন সংসদের উদ্যোগে প্রাণঘাতী নোবেল করোনাভাইরাস কভিড-১৯ এর কারনে সৃষ্ট অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিত‍্য প্রয়োজনীয় খাদ‍্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

মানুষ মানুষের জন্য ‘এই স্লোগানকে সামনে রেখে আলোর দিশারি যুব উন্নয়ন সংসদ
রবিবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় বক্তাবলী ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের আনন্দ বাজারস্থ আলোর দিশারী যুব উন্নয়ন সংসদ কার্যালয়ে বেকার, দিনমজুর, হতদরিদ্র ও অসহায় ২০০ পরিবারের মাঝে নিত‍্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর চাল, আলু, পিঁয়াজ , ডাল, তৈল, লবণ ও ১ টি সেভলন সাবান বিতরণ করা হয়।

করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং একে অন‍্যের সহযোগিতায় পাশে থাকতে হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজা রাখা, ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,যেখানে সেখানে থু থু বা কফ না ফেলা, হাত দিয়ে নাক- মুখ–চোখ স্পর্শ না করা ও বেশি বেশি পানি পান করার আহ্বান জানান আলোর দিশারী নেতৃবৃন্দরা।এছাড়াও বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও করোনা আক্রান্ত ব‍্যক্তির সংস্পর্শে থাকা ব‍্যাক্তিবর্গকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টাইন অথবা নিজ ঘরে আলাদা থাকারও অনুরোধ জানান তারা।

নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, আপনি সচেতন হউন, WHO ও সরকারি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মোতাবেক জীবনযাপনে অভ‍‍্যস্ত হোন। অযথা কেউ বাইরে যাবেন না এবং আশে পাশের সবাইকে সচেতন হতে সহায়তা করুন। আমরা এই দূর্যোগে আপনাদের পাশে রয়েছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রবীণ শিক্ষানুরাগী জর্জ মিয়া মাস্টার আলোর দিশারি যুব উন্নয়ন সংসদ এর  ,প্রধান উপদেষ্টা মোঃ নাজির হোসেন,সংগঠনের সভাপতি মো. সোরহাব ভুইয়া,সাধারণ সম্পাদক মোঃ হালিম মাদবর, সংগঠানিক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর মাদবর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান সেন্টু, জসিম ফকির, অহিদুল ইসলাম টিটু, মিলন শেখ,জালাল মোল্লা, মোকশেদ আলী,আকসর আলী লিটন, মোনতাজ মোল্লা, সাহা আলম মাদবর, লিটন মাদবর,আলমগীর মাদবর,দেলোয়ার হোসেন ও দুদু মিয়াসহ এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

ফতুল্লা পাইলট স্কুল ‘৯১ ব্যাচের’ উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

নিউজ প্রতিদিন: ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর ১৯৯১ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নিত‍্য প্রয়োজনীয় খাদ‍্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছ।

প্রাণঘাতী নোবেল করোনা ভাইরাস-কভিড ১৯ এর কারনে সৃষ্ট অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর ১৯৯১ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গৃহবন্দি, বেকার, দিনমজুর, হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের ৫০ টি পরিবারের মাঝে অদ‍্য শনিবার ০৪-০৪-২০২০ নিত‍্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ৫ কেজিআলু, ২ কেজি পিঁয়াজ , ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তৈল, ১ কেজি লবণ ও ১ টি সেভলন সাবান।

এ ব‍্যাপারে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর ১৯৯১ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সেলিম চৌধুরী জানান , প্রাণঘাতী এ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের এ কার্যক্রম বিভিন্ন পর্যায়ে অব্যাহত থাকবে। এ খাদ্য সামগ্রী বিতরন ছাড়াও আমাদের আরো কিছু সচেতনতামুলক ও সেবামুলক কার্যক্রম পরিচালনা করার আন্তরিক ইচ্ছা রয়েছে।

করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং একে অন‍্যের সহযোগিতায় পাশে থাকতে হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায়, ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,যেখানে সেখানে থু থু বা কফ না ফেলা, হাত দিয়ে নাক- মুখ – চোখ স্পর্শ না করা ও বেশি বেশি পানি পান করার আহ্বান জানান তিনি, এছাড়াও বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও করোনা আক্রান্ত ব‍্যক্তির সংস্পর্শে থাকা ব‍্যাক্তিবর্গকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টাইন অথবা নিজ ঘরে আলাদা থাকারও অনুরোধ জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, আপনি সচেতন হউন, WHO ও সরকারি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মোতাবেক জীবনযাপনে অভ‍‍্যস্ত হোন। অযথা কেউ বাইরে যাবেন না এবং আশেপাশের সবাইকে সচেতন হতে সহায়তা করুন। আমরা এই দূর্যোগে আপনাদের পাশে রয়েছি।

বিঃ দ্রঃ ফতুল্লা পাইলট উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় কোন অসহায় বয়স্ক ব‍্যক্তি ও মধ্যবিত্ত পরিবার যারা করোনা পরিস্হিতির কারণে খাদ্য সংকটে রয়েছেন, তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারেঃ 01712099184
আপনাদের পরিচয় গোপন রেখে আমরা আমাদের সামর্থ অনুযায়ী আপনাদের সেবা করে যাবো, ইনশাআল্লাহ।