১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog

বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষক দলের খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বক্তাবলীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে ১নং ওয়ার্ড আকবর নগরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাকফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

উক্ত মিলাদ ও দোয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষকদলের নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব জাকারিয়া সিকদার এর নেতৃত্বে বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডর কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ বিশাল মিছিল উপস্থিত হন ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নুর মোহাম্মদ, যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর, আল আমিন, হৃদয়, কলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মান্নানের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আপিল করলেন গিয়াসউদ্দিন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকায় নির্বাচন কমিশনে তিনি এ আপীল করেন। আগামী ১৯ জানুয়ারি আপিল শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের আপিল আবেদনে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন পত্রের সাথে দাখিল করা হলফনামার তথ্য সঠিকভাবে দেখে সিদ্ধান্ত নেননি। সঠিকভাবে যাচাই না করেই মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। হলফনামা সঠিকভাবে যাচাই করলে তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার কোন সুযোগ নেই এবং বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

আপীলে গিয়াসউদ্দিন উল্লেখ করেন, বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অসৎ উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে ফর্ম ২১ এ ভুল এবং মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেছেন এবং বার্ষিক আয় গোপন করেছেন। তাছাড়া তিনি ০২ (দুই) অ্যাকাউন্ট নম্বর উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি ৫২,৬৮০/- টাকার অবশিষ্ট ব্যালেন্স প্রকাশ করেছেন কিন্তু প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, বসুন্ধরা শাখা, ঢাকায় রক্ষিত অ্যাকাউন্ট নম্বর ২১৬৫১১ ২০০২০৪০ প্রকাশ করেননি। এছাড়াও প্রিমিয়ার ব্যাংকে রক্ষিত আরেকটি অ্যাকাউন্টও প্রকাশ করেছেন। এটা বলাই বাহুল্য যে রিটার্নিং অফিসার যদি তদন্ত করেন তবে তিনি বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত প্রায় দশটি অ্যাকাউন্ট খুঁজে পাবেন কিন্তু আপত্তি উত্থাপন করা সত্ত্বেও রিটার্নিং অফিসার তদন্ত না করেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবৈধভাবে বিবাদী নং ৪ এর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।

আজহারুল ইসলাম মান্নান ৫ সন্তানের জনক কিন্তু তিনি মনোনয়নপত্রে ০২ (দুই) পুত্রের নাম উল্লেখ করেছেন এবং ০৩ জন ছেলের নাম গোপন করেছেন। তার ছেলে খায়রুল ইসলাম সজিব এবং সাইদুল ইসলাম শাকিল হলেন মিলিনিয়ার যাদের ঊঞওঘ নম্বর রয়েছে। তার স্ত্রীরও ঊঞওঘ নম্বর রয়েছে এবং তাদের প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। আশংকা করা হচ্ছে আজহারুল ইসলাম মান্নান নির্বাচনে অবৈধ জয়লাভের জন্য কালো টাকা ব্যবহার করবেন।

আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আজহারুল ইসলাম মান্নান তার পেশা এবং ব্যবসার বিবরণ গোপন করেছেন। তিনি ‘মেসার্স একতা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশনস’ নামে একটি ফার্ম পরিচালনা করেন যার তথ্য হলফনামায় গোপন করেছেন, তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে মনোনয়নপত্রে উক্ত ফার্মের অ্যাকাউন্ট নম্বর উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, ১৪ অনুচ্ছেদের (১) ধারার অধীনে যাচাই বাছাইয়ের প্রক্কালে আপত্তি উত্থাপন করার পরেও উত্থাপিত আপত্তি নিষ্পত্তি না করেই রিটার্নিং অফিসার অবৈধভাবে আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র গ্রহন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, রিটার্নিং অফিসারের উচিত ছিল  উক্ত আপত্তির উপর সংক্ষিপ্ত তদন্ত পরিচালনা করা কিন্তু আইনের বিধান মেনে না চলে অবৈধভাবে আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র গ্রহন করা হয়েছে, যা বাতিলযোগ্য।

আপীল নিস্পত্তির মাধ্যমে আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হবে বলে আশা করেন মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

 

আওয়ামী ঘনিষ্ঠ হাবু এখন বিএনপির রিকশা-ভ্যান অটোচালক দল এর সভাপতি! তীব্র ক্ষোভ জনমনে

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: আওয়ামী ঘনিষ্ঠ হাবু এখন বিএনপির রিকশা–ভ্যান–অটোচালক দল এর সভাপতি!তীব্র ক্ষোভ জনমনেহাবিবুর রহমান হাবু—বর্তমানে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন রিকশা–ভ্যান–অটোচালক দল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি। কিন্তু এই পদ ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ। অভিযোগ উঠেছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ‘গডফাদার’ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ বলয়েই ছিলেন এই হাবু।

বিশ্বস্ত সূত্র ও প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আওয়ামী শাসনামলে শামীম ওসমানের শ্যালক তানভীর আহমেদ টিটু ও নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র আইভির সঙ্গে হাবুর একান্ত সাক্ষাতের ছবি রয়েছে।

এসব ছবি তার দীর্ঘদিনের আওয়ামী ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। শুধু তাই নয়, শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান, আজমেরী ওসমানসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গেও তার গভীর সখ্যতার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ আরও গুরুতর। ওই আওয়ামী ঘনিষ্ঠতাকে পুঁজি করে নিজের এলাকা এনায়েতনগরে ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ, ভূমিদস্যুতা এবং বিভিন্ন অপকর্মের ‘সেল্টারদাতা’ হিসেবে তিনি কাজ করেছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর এসব অপকর্ম বন্ধ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের জেলা সভাপতির পদ বাগিয়ে নিয়ে সেই পদ ব্যবহার করেই আগের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব ধরে রেখেছেন হাবু।

এতে করে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের ভাষায়,

“আমরা বছরের পর বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, নির্যাতন সহ্য করেছি, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে কখনো আপস করিনি। অথচ যারা আওয়ামী দোসর ছিল, সুবিধা নিয়েছে, তারাই এখন বিএনপির নাম ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।”

তারা আরও বলেন, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আঁতাতকারীদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নিলে মাঠপর্যায়ে বিএনপির ভাবমূর্তি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান হাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,

“আমি ইউনাইটেড ক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম। আমার ক্লাবে অনেক মানুষ এসেছে, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ছবি থাকতে পারে। ছবি থাকলেই কেউ আওয়ামী লোক হয়ে যায় না।

ফতুল্লায় যখন সবাই প্রোগ্রাম করতে ভয় পেত, তখন এনায়েতনগরে একমাত্র আমিই বড় বড় প্রোগ্রাম করেছি। আমার নিজের ইটভাটা আওয়ামী দোসররা দখল করে নিয়েছিল, আমি এলাকাতেই থাকতে পারিনি। শামীম ওসমানের লোক তানভীর আহমেদ টিটুকে আমি চিনি না।”

তবে মাঠপর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশ্ন—যদি হাবু সত্যিই আওয়ামী বিরোধী হন, তবে আওয়ামী শীর্ষ মহলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার এত ছবি ও অভিযোগ আসছে কোথা থেকে?
এই বিতর্ক এখন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৫ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা ১৫ জন প্রার্থীর হলনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে এই আসনে একটি স্পষ্ট বৈচিত্র্য ও অসমতা বিদ্যমান। প্রার্থীদের মধ্যে যেমন উচ্চশিক্ষিত আইনবিদ ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী রয়েছেন, তেমনি আছেন কেবল মাধ্যমিক বা তার নিচে পড়াশোনা করা এবং স্ব-শিক্ষিত প্রার্থীও।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৫ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হলো, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন, যিনি আইন বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি এলএলএম অর্জন করেছেন। তার সাথেই আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, যিনি এমএসএস (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রিধারী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ইছমাঈল হোসেন কাউছার মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষায় তাকমীল বা মাস্টার্স সমমান ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যা ধর্মীয় শিক্ষায় উচ্চস্তরের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন স্নাতক পাস।  জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী  মনির হোসাইন মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষায় ফাজিল পাস ও  স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম বি-কম পাস ।

মাঝারি পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার তালিকায় রয়েছেন একাধিক প্রার্থী। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফ ভূইয়া, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী এবং খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহম্মেদ—এরা সবাই উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে মনোনীত সেলিম মাহমুদ এসএসসি পাস এবং একই দলের মো. সুলাইমান দেওয়ান পড়াশোনা করেছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। এই স্তরের প্রার্থীরা সংখ্যাগতভাবে সবচেয়ে বেশি।

অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে কম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীও রয়েছেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. সেলিম আহমেদ এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) মো. ছালাউদ্দিন খোকা নিজেদের স্ব-শিক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা মনিরের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য হলনামায় উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার চিত্র থেকে বোঝা যায়, এ আসনের নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষাগত বৈচিত্র্যও ভোটারদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে। আইন, সামাজিক বিজ্ঞান, সাধারণ শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত প্রার্থীদের পাশাপাশি স্ব-শিক্ষিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি এ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও বহুমাত্রিক করে তুলেছে।

 

গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়াতে নারায়ণগঞ্জের দুইজনকে বহিস্কার করেছে বিএনপি। তাঁরা হলেন বিএনপির সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য গিয়াসউদ্দিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ শাহআলম।

৩০ ডিসেম্বর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ সাক্ষরিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মোহাম্মদ আলম নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনড়। যে কোন মূল্যে তিনি নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

অপরদিকে গিয়াসউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ-৩ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ এ দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি দুটিতেই নির্বাচন করবেন জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আসনে বিএনপি কোন প্রার্থী দেয়নি। এ আসনটি জমিয়তকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। জমিয়তের প্রার্থী হয়েছেন মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। তিনি লড়বেন জমিয়তের প্রতীক খেজুর গাছ নিয়ে।

মোহাম্মদ শাহ আলম ও গিয়াসউদ্দিন ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে রিপাবলিকান পার্টির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিবেন জানিয়েছেন মোহাম্মদ আলী।

গিয়াসউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ-৪ ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে লড়বেন। সেখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আজহারুল ইসলাম মান্নান।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি নেতা এড. নুরুল আমীন মাসুমের শোক প্রকাশ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা এড. নুরুল আমীন মাসুম।

এক শোক বার্তায় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নুরুল আমীন মাসুম বলেন, গণতন্ত্রের মানস কন্যা, দেশনেত্রী, মাটি ও মানুষের মা, আপোষহীন নেত্রী, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন।

আমি এই মহান নেত্রীর বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করি। এই শোককে শক্তিতে যেন পরিনত করতে পারে আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান ও তার পরিবার সেজন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি।

মহান আল্লাহ বাংলার অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যেন জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি নেতা মো. বাদশা মিয়ার শোক প্রকাশ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা মো. বাদশা মিয়া ।

এক শোক বার্তায় বক্তাবলী ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বাদশা মিয়া বলেন, গণতন্ত্রের মানস কন্যা, দেশনেত্রী, মাটি ও মানুষের মা, আপোষহীন নেত্রী, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন।

আমি এই মহান নেত্রীর বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করি। এই শোককে শক্তিতে যেন পরিনত করতে পারে আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান ও তার পরিবার সেজন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি।

মহান আল্লাহ বাংলার অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যেন জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মোহাম্মদ শাহ আলমের গভীর শোক

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম।

এক শোকবার্তায় মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ এক গভীর শূন্যতা নেমে এসেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

২০০৮ সালে তিনিই আমাকে রাজনীতির অঙ্গনে নিয়ে এসেছিলেন। সেই সময় থেকে তাঁর স্নেহ, যত্ন ও সম্মান আমার জীবনে ছিল এক নির্ভরতার স্তম্ভ— যা আমাকে সাহস দিয়েছে, আশ্বস্ত করেছে এবং সামনে এগিয়ে চলার শক্তি জুগিয়েছে।

তাঁর আপসহীনতা, দৃঢ়তা, নৈতিকতা ও অসীম শক্তি আমার রাজনৈতিক পথচলার মূল দিকনির্দেশক হয়ে থাকবে। সংগ্রামের মাঝেও আদর্শে অটল থাকার শিক্ষা আমি তাঁর কাছ থেকেই পেয়েছি।

তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন—
তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক, ত্যাগ, সাহস ও দীর্ঘ সংগ্রামের এক জীবন্ত ইতিহাস।

মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহযোদ্ধা ও দেশবাসীকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন। আল্লাহই সর্বশক্তিমান-আমিন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে ভরাডুবি ঘটতে পারে কাসেমীর

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের পর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর নাম চূড়ান্ত হলেও, এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই আসনটিতে তৈরি হয়েছে জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ। প্রার্থী ঘোষণার পর মাঠে যে চিত্র ফুটে উঠছে, তাতে জোটের জন্য স্বস্তির চেয়ে শঙ্কাই যেন বেশি।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো ধানের শীষ প্রতীক নিশ্চিত না হলে কাসেমীকে খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নামতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে তার জন্য ভরাডুবির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ স্থানীয় ভোটারদের বড় একটি অংশের কাছে কাসেমী এখনো অপরিচিত মুখ, তার ওপর অচেনা প্রতীক যুক্ত হলে ভোটারদের বিভ্রান্তি ও ভোট বিভাজনের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যাবে।

জোটের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর ফলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিতে শুরু করেছে। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেও বঞ্চিত হওয়ায় ভেতরে ভেতরে যে ক্ষোভ জমছিল, তা এখন নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম এবং জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের অবস্থান জোটের প্রার্থীর জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। দু’জনই প্রকাশ্যে জানিয়েছেন জনগণের সমর্থন পেলে তারা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত। যদিও এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, তবে তাদের মাঠপর্যায়ের তৎপরতা ভোটের সমীকরণ বদলে দেওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে বিএনপির কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কাসেমী নিজেই। কারণ তার নিজস্ব ভোটব্যাংক তুলনামূলকভাবে দুর্বল এবং দীর্ঘদিন ধরে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা স্থানীয় নেতাদের মতো তৃণমূলভিত্তিক গ্রহণযোগ্যতা এখনও তিনি তৈরি করতে পারেননি। বিপরীতে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বছরের পর বছর ধরে এলাকায় সাংগঠনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ভোটারদের সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগ ও আস্থার সম্পর্ক রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি দেশের বিভিন্ন আসনে একাধিক দফায় প্রার্থী ঘোষণা করলেও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি দীর্ঘদিন ঝুলে ছিল। তখন থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল এই আসনে জোটগত কোনো কৌশল প্রয়োগ করা হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। এর আগেও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি, যদিও ফলাফল দলটির পক্ষে আসেনি।

মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জে ফিরেই কাসেমীকে ঘিরে জোটের নেতাকর্মীরা শোভাযাত্রা আয়োজন করেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে শুরু হওয়া মোটর শোভাযাত্রায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কাসেমী বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চাইবেন। সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়েও তিনি বিচলিত নন বলে দাবি করেন।

তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। বিএনপির একটি অংশ প্রকাশ্যে আপত্তি না তুললেও নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ স্পষ্ট। বিশেষ করে ফতুল্লা অঞ্চলের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার অভিযোগ তুলে আসছেন, যা নির্বাচনের সময় দলীয় সংহতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে মোহাম্মদ শাহ আলম এখনও স্থানীয় রাজনীতিতে একটি পরিচিত ও শক্ত নাম। সীমানা পুনর্র্নিধারণে সিদ্ধিরগঞ্জ বাদ পড়লেও ফতুল্লাকেন্দ্রিক এলাকায় তার অনুসারী ও সাংগঠনিক ভিত্তি অটুট রয়েছে। সভা-সমাবেশ, দোয়া মাহফিল ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি নিয়মিত মাঠে সক্রিয় থাকছেন।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন বক্তাবলী, ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁ এলাকায় ঘরোয়া বৈঠক, কর্মীসভা ও সাংগঠনিক তৎপরতার মাধ্যমে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শক্তিশালী তৃণমূল নেটওয়ার্ক এবং বিরোধী জনভিত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণের কারণে তিনি স্বতন্ত্র হলেও এই আসনে সবচেয়ে দৃশ্যমান ও প্রভাবশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতে পরিণত হতে পারেন।

সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন এখন বিএনপির জন্য শুধু একটি নির্বাচনী আসন নয়, বরং একটি কঠিন রাজনৈতিক পরীক্ষার ক্ষেত্র। জোটের কৌশল, দলীয় অসন্তোষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থিতার সম্ভাবনা এই ত্রিমুখী চাপের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে কী লেখা আছে, তার ফয়সালা হবে ভোটের মাঠেই।

 

নায়ক রিয়াজ মারা গেছেন!

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর গুজব। তবে এ খবরের কোনো প্রমাণ নেই, এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি।

রিয়াজের একজন ঘনিষ্ঠজন গণমাধ্যমকে বলেছেন, “এ ধরনের কিছু হওয়ার কথা নয়। আমি আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। সত্যিই কিছু ঘটলে এতক্ষণে খবর ছড়িয়ে যেত।”

৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রিয়াজ আত্মগোপনে আছেন। তার অবস্থান এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। কিছু গুজবে বলা হচ্ছে, তিনি ভারতে চলে গেছেন, আবার কেউ মনে করছেন তিনি দেশের কোথাও আছেন। তার মোবাইল নাম্বারও বন্ধ রয়েছে।

রাজনীতির ক্ষেত্রেও রিয়াজ আগে সক্রিয় ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার বিভিন্ন সফরে অংশগ্রহণ করেছেন এবং কয়েকবার তার সফরসঙ্গী হিসেবে দেখা গেছে।

চলচ্চিত্রে রিয়াজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি দুই দশক ধরে ঢালিউডের জনপ্রিয় মুখ হিসেবে সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।