১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে কে কত ভোট পেলো!

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে গণনা পর্বে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের চূড়ান্ত চিত্র। কোথাও বড় ব্যবধানে জয়, কোথাও ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। ভোটের অঙ্ক মিলিয়ে নির্ধারিত হয়েছে প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।
নিচে আসনভিত্তিক ফলাফল তুলে ধরা হলো—

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ)
মোট ভোটার: ৪,০৮,৮২৯
ভোট দিয়েছেন: ২,৬১,৪৮১ জন (৬৩.৯৬%)
বৈধ ভোট: ২,৫৬,৩৮৪। বাতিল: ৫,০৯৭
এ আসনে মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (বিএনপি) ১,৫৬,৩৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

অন্যান্য প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট: মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা (জামায়াত): ৯১,৬৯০মো. ইমদাদুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন): ৭,১৮৬ওয়াসিম উদ্দিন (গণঅধিকার পরিষদ): ২১৯মোহাম্মদ দুলাল (স্বতন্ত্র): ৪৬৩ মো. মনিরুজ্জামান চন্দন (সিপিবি): ২৬১ মো. রেহান আফজাল (ইনসানিয়াত বিপ্লব): ২০৭

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার)
মোট ভোটার: ৩,৬৪,০৯৮ ভোট দিয়েছেন: ২,২৩,৯০৬ জন (৬৪.২৪%) বৈধ ভোট: ২,৩০,০৭৩। বাতিল: ৩,৮৩৩ এ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ (বিএনপি) ১,২৪,২৯১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

অন্যান্যদের মধ্যে—মো. ইলিয়াছ মোল্লা (জামায়াত): ৮১,০৫৪মো. আতাউর রহমান খান (স্বতন্ত্র): ১৮,৭৪৪ মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন): ৫,২৬৫ মো. হাফিজুল ইসলাম (সিপিবি): ৩৫০ মো. আবু হানিফ হৃদয় (রিপাবলিকান পার্টি): ২২৭ কামরুল মিয়া (গণঅধিকার): ১৪২

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ)
মোট ভোটার: ৫,৯৩,৩৪৬ ভোট দিয়েছেন: ৩,৪০,৬১৬ জন (৫৭.৪১%) বৈধ ভোট: ৩,৩২,৮৫২। বাতিল: ৭,৭৬৪ এ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান (বিএনপি) ১,৫৫,৪০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া (জামায়াত) পেয়েছেন ১,৩৪,৯১৮ ভোট।
এছাড়া—

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (স্বতন্ত্র): ২০,৩৭৯
গোলাম মসীহ (ইসলামী আন্দোলন): ১৪,২২৩
অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (স্বতন্ত্র): ৪,৫৯৬
অন্যান্য প্রার্থীরা কয়েকশ থেকে এক হাজারের মধ্যে ভোট পেয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা)
মোট ভোটার: ৫,৪০,৮১৩ ভোট দিয়েছেন: ২,৬৯,০৮৮ জন (৪৯.৭৬%) বৈধ ভোট: ২,৬২,৭২৯। বাতিল: ৬,৩৫৯ এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আব্দুল্লাহ আল আলামিন ১,০৬,১৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে—
মনির হোসাইন কাসেমী (জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম): ৮০,৬১৯ মো. শাহ আলম (স্বতন্ত্র): ৩৯,৫৮৯ মো. ইসমাঈল হোসেন কাউছার (ইসলামী আন্দোলন): ১৬,৭৪৬ অন্যান্য প্রার্থীরা কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ভোট পেয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর)মোট ভোটার: ৪,৮৫,২৮৪ ভোট দিয়েছেন: ২,৭৪,২৫০ জন (৫৬.৫১%) বৈধ ভোট: ২,৬৬,৩৫৭ | বাতিল: ৭,৮৯৩ এ আসনে আবুল কালাম (বিএনপি) ১,১৪,৭৯৯ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এ বি এম সিরাজুল মামুন (খেলাফত মজলিস) পেয়েছেন ১,০১,১৯৬ ভোট।
এছাড়া—মো. মাকসুদ হোসেন (স্বতন্ত্র): ৩৪,১৫১
মুফতি মো. মাছুম বিল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন): ৭,৭০৮ অন্যান্য প্রার্থীরা সীমিত ভোট পেয়েছেন।
সারসংক্ষেপ:

নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাকি দুই আসনে জয় এসেছে অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির ঘরে। ভোটার উপস্থিতি ৫০ থেকে ৬৪ শতাংশের মধ্যে থাকায় প্রতিটি আসনেই ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

হরিণ মার্কার প্রার্থী মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা আমলে নেয়নি কোর্ট

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা–সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে আদালতে নালিশি মামলার আবেদন করা হয়েছে। তবে আদালত নালিশটি আমলে না নিয়ে নালিশটি গ্রহণ করে নিউজ সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

৫ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফতুল্লা আমলী আদালতে নালিশি মামলার আবেদন করেন।

মামলায় মোহাম্মদ শাহ আলম ছাড়াও তার স্ত্রী, দুই পুত্র এবং কর্মী সোহাগ ও শরীফকে আসামি করা হয়েছে। আদালত নালিশটি আমলে নেননি। তবে নালিশটি আদালত গ্রহণ করে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও মো. শাহ আলম নিজেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করে হরিণ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। তিনি প্রচারণায় “তারেক রহমানের মার্কা হরিণ মার্কা, দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ মার্কা” স্লোগান ব্যবহার করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছেন বলে অভিযোগ আনা হয়। আবেদনে আরও বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা।

 

ফতুল্লা থানা বিএনপির ১০ নেতাকে বহিষ্কার

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ফতুল্লা থানা বিএনপির ১০ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। রবিবার দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বহিস্কৃতরা বলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মোল্লা, সহ-সভাপতি মোঃ আলম, বিল্লাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিল্পব,মোঃ মুসলিম আহমেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সদস্য জাহিদ হাসান রোজেল, পান্না মোল্লা, কুতুবপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আঃ রাজ্জাক।

বহিস্কৃতরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধাচারণ করে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে।

বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষক দলের খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বক্তাবলীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে ১নং ওয়ার্ড আকবর নগরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাকফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

উক্ত মিলাদ ও দোয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষকদলের নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব জাকারিয়া সিকদার এর নেতৃত্বে বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডর কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ বিশাল মিছিল উপস্থিত হন ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নুর মোহাম্মদ, যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর, আল আমিন, হৃদয়, কলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মান্নানের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আপিল করলেন গিয়াসউদ্দিন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকায় নির্বাচন কমিশনে তিনি এ আপীল করেন। আগামী ১৯ জানুয়ারি আপিল শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের আপিল আবেদনে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন পত্রের সাথে দাখিল করা হলফনামার তথ্য সঠিকভাবে দেখে সিদ্ধান্ত নেননি। সঠিকভাবে যাচাই না করেই মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। হলফনামা সঠিকভাবে যাচাই করলে তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার কোন সুযোগ নেই এবং বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

আপীলে গিয়াসউদ্দিন উল্লেখ করেন, বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অসৎ উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে ফর্ম ২১ এ ভুল এবং মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করেছেন এবং বার্ষিক আয় গোপন করেছেন। তাছাড়া তিনি ০২ (দুই) অ্যাকাউন্ট নম্বর উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি ৫২,৬৮০/- টাকার অবশিষ্ট ব্যালেন্স প্রকাশ করেছেন কিন্তু প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, বসুন্ধরা শাখা, ঢাকায় রক্ষিত অ্যাকাউন্ট নম্বর ২১৬৫১১ ২০০২০৪০ প্রকাশ করেননি। এছাড়াও প্রিমিয়ার ব্যাংকে রক্ষিত আরেকটি অ্যাকাউন্টও প্রকাশ করেছেন। এটা বলাই বাহুল্য যে রিটার্নিং অফিসার যদি তদন্ত করেন তবে তিনি বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত প্রায় দশটি অ্যাকাউন্ট খুঁজে পাবেন কিন্তু আপত্তি উত্থাপন করা সত্ত্বেও রিটার্নিং অফিসার তদন্ত না করেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবৈধভাবে বিবাদী নং ৪ এর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।

আজহারুল ইসলাম মান্নান ৫ সন্তানের জনক কিন্তু তিনি মনোনয়নপত্রে ০২ (দুই) পুত্রের নাম উল্লেখ করেছেন এবং ০৩ জন ছেলের নাম গোপন করেছেন। তার ছেলে খায়রুল ইসলাম সজিব এবং সাইদুল ইসলাম শাকিল হলেন মিলিনিয়ার যাদের ঊঞওঘ নম্বর রয়েছে। তার স্ত্রীরও ঊঞওঘ নম্বর রয়েছে এবং তাদের প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। আশংকা করা হচ্ছে আজহারুল ইসলাম মান্নান নির্বাচনে অবৈধ জয়লাভের জন্য কালো টাকা ব্যবহার করবেন।

আবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আজহারুল ইসলাম মান্নান তার পেশা এবং ব্যবসার বিবরণ গোপন করেছেন। তিনি ‘মেসার্স একতা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশনস’ নামে একটি ফার্ম পরিচালনা করেন যার তথ্য হলফনামায় গোপন করেছেন, তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে মনোনয়নপত্রে উক্ত ফার্মের অ্যাকাউন্ট নম্বর উল্লেখ করেননি।

এ বিষয়ে মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, ১৪ অনুচ্ছেদের (১) ধারার অধীনে যাচাই বাছাইয়ের প্রক্কালে আপত্তি উত্থাপন করার পরেও উত্থাপিত আপত্তি নিষ্পত্তি না করেই রিটার্নিং অফিসার অবৈধভাবে আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র গ্রহন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, রিটার্নিং অফিসারের উচিত ছিল  উক্ত আপত্তির উপর সংক্ষিপ্ত তদন্ত পরিচালনা করা কিন্তু আইনের বিধান মেনে না চলে অবৈধভাবে আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র গ্রহন করা হয়েছে, যা বাতিলযোগ্য।

আপীল নিস্পত্তির মাধ্যমে আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হবে বলে আশা করেন মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

 

আওয়ামী ঘনিষ্ঠ হাবু এখন বিএনপির রিকশা-ভ্যান অটোচালক দল এর সভাপতি! তীব্র ক্ষোভ জনমনে

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: আওয়ামী ঘনিষ্ঠ হাবু এখন বিএনপির রিকশা–ভ্যান–অটোচালক দল এর সভাপতি!তীব্র ক্ষোভ জনমনেহাবিবুর রহমান হাবু—বর্তমানে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন রিকশা–ভ্যান–অটোচালক দল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি। কিন্তু এই পদ ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ। অভিযোগ উঠেছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ‘গডফাদার’ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ বলয়েই ছিলেন এই হাবু।

বিশ্বস্ত সূত্র ও প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আওয়ামী শাসনামলে শামীম ওসমানের শ্যালক তানভীর আহমেদ টিটু ও নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র আইভির সঙ্গে হাবুর একান্ত সাক্ষাতের ছবি রয়েছে।

এসব ছবি তার দীর্ঘদিনের আওয়ামী ঘনিষ্ঠতার প্রমাণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। শুধু তাই নয়, শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান, আজমেরী ওসমানসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গেও তার গভীর সখ্যতার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ আরও গুরুতর। ওই আওয়ামী ঘনিষ্ঠতাকে পুঁজি করে নিজের এলাকা এনায়েতনগরে ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ, ভূমিদস্যুতা এবং বিভিন্ন অপকর্মের ‘সেল্টারদাতা’ হিসেবে তিনি কাজ করেছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর এসব অপকর্ম বন্ধ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের জেলা সভাপতির পদ বাগিয়ে নিয়ে সেই পদ ব্যবহার করেই আগের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব ধরে রেখেছেন হাবু।

এতে করে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও ত্যাগী বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের ভাষায়,

“আমরা বছরের পর বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, নির্যাতন সহ্য করেছি, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে কখনো আপস করিনি। অথচ যারা আওয়ামী দোসর ছিল, সুবিধা নিয়েছে, তারাই এখন বিএনপির নাম ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।”

তারা আরও বলেন, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আঁতাতকারীদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নিলে মাঠপর্যায়ে বিএনপির ভাবমূর্তি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান হাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,

“আমি ইউনাইটেড ক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম। আমার ক্লাবে অনেক মানুষ এসেছে, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ছবি থাকতে পারে। ছবি থাকলেই কেউ আওয়ামী লোক হয়ে যায় না।

ফতুল্লায় যখন সবাই প্রোগ্রাম করতে ভয় পেত, তখন এনায়েতনগরে একমাত্র আমিই বড় বড় প্রোগ্রাম করেছি। আমার নিজের ইটভাটা আওয়ামী দোসররা দখল করে নিয়েছিল, আমি এলাকাতেই থাকতে পারিনি। শামীম ওসমানের লোক তানভীর আহমেদ টিটুকে আমি চিনি না।”

তবে মাঠপর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশ্ন—যদি হাবু সত্যিই আওয়ামী বিরোধী হন, তবে আওয়ামী শীর্ষ মহলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার এত ছবি ও অভিযোগ আসছে কোথা থেকে?
এই বিতর্ক এখন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্বস্তি তৈরি করেছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৫ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা ১৫ জন প্রার্থীর হলনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে এই আসনে একটি স্পষ্ট বৈচিত্র্য ও অসমতা বিদ্যমান। প্রার্থীদের মধ্যে যেমন উচ্চশিক্ষিত আইনবিদ ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী রয়েছেন, তেমনি আছেন কেবল মাধ্যমিক বা তার নিচে পড়াশোনা করা এবং স্ব-শিক্ষিত প্রার্থীও।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৫ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হলো, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন, যিনি আইন বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রি এলএলএম অর্জন করেছেন। তার সাথেই আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, যিনি এমএসএস (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রিধারী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ইছমাঈল হোসেন কাউছার মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষায় তাকমীল বা মাস্টার্স সমমান ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যা ধর্মীয় শিক্ষায় উচ্চস্তরের প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন স্নাতক পাস।  জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী  মনির হোসাইন মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষায় ফাজিল পাস ও  স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম বি-কম পাস ।

মাঝারি পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার তালিকায় রয়েছেন একাধিক প্রার্থী। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফ ভূইয়া, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আলী এবং খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহম্মেদ—এরা সবাই উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে মনোনীত সেলিম মাহমুদ এসএসসি পাস এবং একই দলের মো. সুলাইমান দেওয়ান পড়াশোনা করেছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। এই স্তরের প্রার্থীরা সংখ্যাগতভাবে সবচেয়ে বেশি।

অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে কম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীও রয়েছেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. সেলিম আহমেদ এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) মো. ছালাউদ্দিন খোকা নিজেদের স্ব-শিক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা মনিরের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য হলনামায় উল্লেখ না থাকায় বিষয়টি অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার চিত্র থেকে বোঝা যায়, এ আসনের নির্বাচন কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষাগত বৈচিত্র্যও ভোটারদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে। আইন, সামাজিক বিজ্ঞান, সাধারণ শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত প্রার্থীদের পাশাপাশি স্ব-শিক্ষিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি এ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও বহুমাত্রিক করে তুলেছে।

 

গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়াতে নারায়ণগঞ্জের দুইজনকে বহিস্কার করেছে বিএনপি। তাঁরা হলেন বিএনপির সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য গিয়াসউদ্দিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ শাহআলম।

৩০ ডিসেম্বর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ সাক্ষরিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মোহাম্মদ আলম নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনড়। যে কোন মূল্যে তিনি নির্বাচনে থাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

অপরদিকে গিয়াসউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ-৩ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ এ দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি দুটিতেই নির্বাচন করবেন জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আসনে বিএনপি কোন প্রার্থী দেয়নি। এ আসনটি জমিয়তকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। জমিয়তের প্রার্থী হয়েছেন মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। তিনি লড়বেন জমিয়তের প্রতীক খেজুর গাছ নিয়ে।

মোহাম্মদ শাহ আলম ও গিয়াসউদ্দিন ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে রিপাবলিকান পার্টির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিবেন জানিয়েছেন মোহাম্মদ আলী।

গিয়াসউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ-৪ ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে লড়বেন। সেখানে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আজহারুল ইসলাম মান্নান।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি নেতা এড. নুরুল আমীন মাসুমের শোক প্রকাশ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা এড. নুরুল আমীন মাসুম।

এক শোক বার্তায় বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নুরুল আমীন মাসুম বলেন, গণতন্ত্রের মানস কন্যা, দেশনেত্রী, মাটি ও মানুষের মা, আপোষহীন নেত্রী, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন।

আমি এই মহান নেত্রীর বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করি। এই শোককে শক্তিতে যেন পরিনত করতে পারে আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান ও তার পরিবার সেজন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি।

মহান আল্লাহ বাংলার অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যেন জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি নেতা মো. বাদশা মিয়ার শোক প্রকাশ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা মো. বাদশা মিয়া ।

এক শোক বার্তায় বক্তাবলী ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বাদশা মিয়া বলেন, গণতন্ত্রের মানস কন্যা, দেশনেত্রী, মাটি ও মানুষের মা, আপোষহীন নেত্রী, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে চলে গেছেন।

আমি এই মহান নেত্রীর বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করি। এই শোককে শক্তিতে যেন পরিনত করতে পারে আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমান ও তার পরিবার সেজন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি।

মহান আল্লাহ বাংলার অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যেন জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।