২১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 3

জল্লারপাড়ের ত্রাস পিচ্চি হাবিবসহ আটক নয় জন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ শহরের জিমখানা রেলওয়ে কলোনীতে সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী অভিযানে অন্তত ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা ও হেরোইনসহ আটক করা হয়েছে ৯ জনের মধ্যে অন্যতম নারায়ণগঞ্জের আলোচিত গডফাদার আজমেরি ওসমানের সহযোগী ১৭ নং ওয়ার্ডের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সজীবের সেকেন্ড ইন কমান্ড হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান।

বুধবার (৬ মে) বিকেল পৌনে ছয়টায় ৪০ থেকে ৫০ জন পুলিশের একটি দল জিমখানা রেলওয়ে কলোনী ও জল্লারপাড় লেকে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে বলে জানান তিনি।

অভিযানে যাওয়া নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান জানান, জল্লাপাড়ের মাদক ব্যবসায়ী হাবিব, হাসু, সাব্বিরসহ ৯ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, “চুরি, ছিনতাই ও মাদকের বেচাকেনা প্রতিরোধে আমরা আজ এই অভিযান পরিচালনা করেছি। সদর থানা পুলিশের পাশাপাশি, ডিবি পুলিশ ও পুলিশ লাইন্স থেকে অতিরিক্ত ফোর্সও দেওয়া হয়েছিলো। অপরাধীরা আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত আমাদের এই ধরনের অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলবে।”

প্রসঙ্গত, হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব ইন্টারনেট ব্যবসার আড়ালে জল্লারপাড় লেক এলাকায় মাদকের বিশার রাজ্য গড়ে তুলেছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হয়। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পিচ্চি হাবিবের নামে অন্তত ৫ থেকে ৬টি মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। পিচ্চি হাবিব নারায়ণগঞ্জের আলোচিত গডফাদার আজমেরি ওসমানের সহযোগী ১৭ নং ওয়ার্ডের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সজীবের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় আজমেরি ওসমানের ঘনিষ্ঠ এই মাদক ব্যবসায়ী জল্লারপাড় লেক এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। জল্লারপাড় লেক এলাকায় মাদকের সাম্রাজ্যের সাথে ছিনতাই, এলাকায় নতুন বাড়ি-ঘড় নির্মাণ করলে মানুষের নিকট থেকে জোড় করে অর্থ হাতিয়ে নেয়াই ছিল পিচ্চি হাবিবের কাজ।

এবিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশিত হলে, হাবিব প্রতিবাদলীপি দিয়ে জানায়, সে ৩ বছর ধরে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে সেই সাথে সে আরও জানায়, মাদক ব্যবসা ছেড়ে সে ইন্টারনেট ব্যবসা করে। এলাকাবাসী জানায়, ইন্টার ব্যবসার আড়ালে ভয়ঙ্কর এই কিশোর গ্যাং লিডার, হিরোইন, ইয়াবা ব্যবসার রাম রাজত্ব কায়েম করে।

এলাকাবাসী জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডের জল্লারপাড় এলাকায় হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব (মাদকসহ ৫/৭টি মামলার আসামি), একটা খুনি পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা ভয়ংকর সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গাং লিডার।

বাবা মৃত কমল মিয়া এক সময় পুলিশের সোর্স ছিলেন যে কিনা খুন হয় নিজ সৎ ছেলের হাতে। হাবিবের বড় ভাই মানিক এলাকার জনি নামের এক ছেলেকে খুন করে যাবজ্জীবন সাজায় জেল খাটছে।

নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের নেশায় আসক্ত করে বিভিন্ন অপকর্ম করানো তার মূল কাজ। এছাড়াও হাবিবের রয়েছে বিশাল একটি কিশোরগ্যাং গ্রুপ যা দিয়ে প্রতিদিন লেক পারে ছিনতাই করানো ওর অন্যতম কাজ।

হাবিব ৫ই আগস্ট এর আগে আজমীর ওসমানেরক্যাডার বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিলো। গণঅভ্যুত্থানের আগে এলাকায় বড় করে ১৫ আগস্ট পালন ও নাসিম ওসমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন এবং ওসমান পরিবারের পালিত ক্যাডারদের দাওয়াত করে মহড়া দেয়ার ছবি ও বিভিন্ন মিছিল মিটিং এর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর সে যোগ দেয় বিএনপিতে। এলাকার বিএনপি’র বিভিন্ন নেতা ও দেওভোগের অনেক নেতার দেখা মিলে হাবিবের অফিসে ও আড্ডায়। অনেকেই আসে হোন্ডার বহর নিয়ে যার ফলে এলাকার মানুষ ভয়ে মুখ খুলেনা। মানুষকে আতঙ্কে রাখতে হাবিবকে দেখা যায় নিজে বড় বড় ছুড়ি নিয়ে মহড়া দিতে।

হাবিবকে শেন্টার দিচ্ছে বিএনপি’র ক্যাডার গাল কাটা জাকিরের ছোট ভাই ডাকাত সজিব। ডিস বাবুর নির্দেশে ডাকাতি করতে যাওয়া সজিব ডাকাতি মামলায় ৯বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি, হাইকোর্ট থেকে আপিল করে জামিনে আছে। সদর থানায় ৪/৫ টির বেশি মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। হাবিব ও সজীব নারায়ণগঞ্জে আজমির ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত।

৫ আগস্টের পর সন্ত্রাসী ও তাদের গডফাদাররা এলাকা ছাড়লেও হাবিব এলাকায় আছে বহাল তবিয়তে। এর কারণ হাবিবের মাদক ব্যবসার অডেল টাকা ও তাদের দুজনের ক্ষমতা। মাদকের টাকায় হাবিব করেছে এলাকায় আলিশান দুইতালা বাড়ি। হাবিব ও সজীবের আয়ের উৎস হল তারা পাইকারি হিরোইন ইয়াবা ও গাজা ব্যবসায়ী।

ফতুল্লার বক্তাবলীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানঘর গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ৮টি দোকানঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় একদল দুর্ধর্ষ চাঁদাবাজ ও তাদের সহযোগীরা। গতকাল ০৪ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে চর বক্তাবলী গোপালনগর এলাকায় এই বর্বরোচিত হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটে। শুধু ভাঙচুরই নয়, হামলাকারীরা নির্মাণাধীন সাইট থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী মীর মোঃ সওকত আলী (৭১) চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ২১ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, চর বক্তাবলী মৌজায় তাদের পৈত্রিক ও খরিদ সূত্রে মালিকানাধীন ২৪.৮০ শতাংশ জমিতে দোকানঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলে স্থানীয় ১নং বিবাদী মোঃ আবুল হোসেন মীর, তার ছেলে জিসাদ ও মোঃ কাশেমসহ একটি চক্র ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ইতিপূর্বে ২১ এপ্রিল রাতেও বিবাদীরা লোহার হাতুড়ি নিয়ে স্থাপনা ভাঙচুরের চেষ্টা এবং জীবননাশের হুমকি দেয়।

তার ছোট ভাই মীর নেওয়াজ আলী জানান, পুলিশের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর বিবাদীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গতকাল রাত ২টার দিকে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল আমারে বাড়ির সংলগ্ন ওই সম্পত্তিতে অনাধিকার প্রবেশ করে। তারা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ১০টি নির্মাণাধীন দোকানের দেয়াল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সাইটে থাকা নির্মাণ সামগ্রীসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

৭১ বছর বয়সী মীর শওকত আলী ও তার ভাই মীর নেওয়াজ আলীসহ তাদের পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিবাদীরা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে যে, এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা না দিলে তাদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ১ ও ২নং বিবাদী এলাকায় দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক হিসেবে পরিচিত এবং তাদের কোনো বৈধ পেশা না থাকলেও চাঁদাবাজি ও মামলাবাজির মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং চিহ্নিত চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। মীর নেওয়াজ আলী বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে গত ২১ এপ্রিল থানায় অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু সন্ত্রাসীরা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আমাদের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

বক্তাবলী ইউপিতে “আলমগীর আউট-পিংকী ইন”

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : একটি জেলার সর্বোচ্চ আইন প্রশাসক হলেন জেলা প্রশাসক। সেই জেলা প্রশাসকই আইনকে তোয়াক্কা না করে ০৩ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান কে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ায় সর্বোচ্চ চলছে সমালোচনা।

বক্তাবলী ইউনিয়নবাসী সুত্রে জানা যায়, প্যানেল চেয়ারম্যানের এক হিসেবে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ১নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুর রশিদ।

তিনি দীর্ঘ ৯ মাস দায়িত্ব পালন করেন। আইনী জটিলতার কারণে রশিদ চেয়ারম্যান তার দায়িত্ব পালনে বাঁধা থাকায় নিয়ম মোতাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান -০২ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কিন্তু সেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির।

তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান-০২ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন কে নিয়োগ না দিয়ে রহস্যজনক কারনে প্যানেল চেয়ারম্যান -০৩ পিংকি আক্তার কে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

তথ্যাসন্ধানে জানা যায়, সোমবার( ২৭ এপ্রিল) বিকালে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির স্বাক্ষরিত বর্তমান ০৩ (তিন নম্বর) প্যানেল চেয়ারম্যান পিংকি আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

অথচ দুই নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে কোনরকম মামলা, মোকদ্দমা বা অযোগ্যতার তথ্য না পাওয়া গেলেও তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগ দেন নি জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির।

প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম নিয়ম ভংঙ্গ করেছেন বলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকে।

২নং প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন,আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা,অভিযোগ, জিডি নাই।আমার নামে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজউদ্দিন এর মুঠোফোন ০১৩০৭৭১৬৫@@ নাম্বারে একাধিক বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির মুঠোফোনে জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমকে বলেন, ১ এবং ২ নং প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় ৩ নং প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রনালয়ের একটি চিঠিও রয়েছে আমাদের কাছে। সেই চিঠির বদৌলতেই ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

কে পাচ্ছেন বক্তাবলী খেয়াঘাট?

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলীর রাজাপুর খেয়াঘাট নিয়ে চলছে ভানুমতির খেলা। সরকারের টেন্ডার কমিটির পরিপত্রে উল্লেখ আছে দরপত্রের কাগজে কোন ধরনের ঘষামাজা বা অসঙ্গতি থাকলে বাতিল হয়ে যাবে। দ্বিতীয় দরপত্র দাতা সেক্ষেত্রে প্রাপ্ত হবেন এটা নিশ্চিত।

টেন্ডার কমিটির সভাপতি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজউদ্দিন কি কারনে মূল্যায়ন কমিটিতে পাঠিয়েছেন এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।  প্রথম দরপত্র প্রাপ্ত ব্যক্তি নজরুল ইসলাম প্রধান অংকে ৬ কোটি ১০ হাজার টাকা লিখেন। কথায় লিখেন ষাট লক্ষ ১০০০০/ হাজার  টাকা।

প্রথম দরপত্র টি এমনেই বাতিল হয়ে গেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা মাসুম পাবেন ইজাদার হিসেবে খেয়াঘাটটি যার কোন সন্দেহ নেই। তিন কার্যকাল শেষ হবে রবিবার। এখন কি সিদ্ধান্ত দেন টেন্ডার কমিটি তা দেখার অপেক্ষায় জনতা। এর ব্যত্যয় ঘটলে আদালতের শরনাপন্ন হবেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা।

 

বাংলা সনের জন্ম কথা-এড. মাহবুবুর রহমান ইসমাইল

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বাংলা ভাষা যেমন আমাদের সম্পদ তেমনি বাংলা সন এবং শুভ নববর্ষ আমাদের জাতীয় সম্পদ। পৃথিবীর যে কোন জাতীর পূর্ণাঙ্গতার স্বীকৃতির অন্যতম উপাদান হচ্ছে তার নিজস্ব দিন পঞ্জিকা বা ক্যালেন্ডার। আমাদের অহংকার এই বাংলা সন যা নববর্ষের সুতায় বাঙালী জাতিকে বেঁধে দিয়ে সম্রাট আকবর বাঙ্গালী জাতির কাছে অম্লান হয়ে আছে। বাংলা সন হলো আমাদের জাতীর একটি অলংকার, যা আমাদের হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত। পহেলা বৈশাখ-নববর্ষে আমাদের প্রাণে এক নতুন আলো সঞ্চালিত হয়, হৃদয়ে প্রস্ফুটিত হয় বন্ধুত্বের অবগাহন। আমাদের চারপাশে একদল লোক আছে তারা না জেনে না বুঝে আমাদের প্রজন্মকে ভুল বুঝাতে অযথা নববর্ষের নানা আয়োজন-অনুষ্ঠান সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা প্রচার করে থাকেন। ১৫৫৬ খ্রীষ্টাব্দ এবং আরবি সন হিজরী ৯৬৩ সন থেকে বাংলা সনের পদযাত্রা শুরু। চলতি ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দে বাংলার সনের বয়স ৪৭০ বছর। অনেকের কাছে প্রশ্ন জাগতে পারে সনের আবার বয়স কেমন করে হয়? ২য় মোঘল সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পরে পুরনো মোঘল গোত্রগুলো দিল্লির সিংহাসন দখল করা নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে উঠে। উত্তরাধিকার ভাবে যুবরাজ আকবর সম্রাট হিসেবে সিংহাসনে আরোহনের পূর্বে তাকে হত্যা করার গোপন ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরে মা হামিদা বেগম ও ফুফু গোলবদন এক রাতের অন্ধকারে আকবরকে নিয়ে ছদ্মবেশে প্রাসাদের গুপ্ত পথ দিয়ে বাহির হয়ে যায়। অত:পর প্রধান সেনাপতি বৈরাম খাঁর অনুগত সৈনিক বেষ্টিতে হয়ে দিল্লির দূরবর্তী এক জঙ্গলের ভিতরে শিবিরে অবস্থান নেয়। সেখানেই ইটের তৈরি সিংহাসন বানিয়ে আকবরকে সম্রাট হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়। অত:পর বিশ্বস্ত সেনাপতি বৈরাম খাঁর বিচক্ষনতায় আকবর পুনরায় ১৩ বছর বয়সে রাজকীয় আড়ম্বরে দিল্লির মসনদে আসিন হন।

সাহসী যোদ্ধা, সম্রাজ্য বিস্তার, সুদক্ষ শাসন কার্য্য, সাংস্কৃতির প্রসার, সাধারণ মানুষের জীবন মান উন্নয়নে বৈচিত্রময় রাজ্য শাসনে ৩০ বছর অতিবাহিত হলে সাম্রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে খাজনা

আদায় ও দরবারের কার্য পরিচালনায় সন তারিখের হিসাব নিয়ে বিদ্‌ঘুটে জটিলতা সৃষ্টি হয়। কারণ তখন ভারত বর্ষে বহু প্রকার সন তারিখের প্রচলন ছিল, যেমন: ভারত সন, বিক্রম সন, শালীবাহন সন, জালালী সন, গুপ্তাব্দ, লক্ষন সন ইত্যাদি এদের অধিকাংশই ছিল চন্দ্র সন। এক পূর্ণীমা থেকে পরবর্তী আমাবস্যা অথবা এক অমাবস্যা থেকে পরবর্তী পূর্ণিমা পর্যন্ত সময়ের নাম চন্দ্র মাস। চন্দ্রের বর্ষ পরিক্রমার হিসাব অনুযায়ী চন্দ্র সন গণনা করা হয়। সাধাণত ৩৫৪ দিন ৯ ঘন্টায় এক চন্দ্র বৎসর হয়।

আরবী হিজরী সনও এইরূপ একটি চন্দ্র সন। হযরত মোহাম্মদ (স.) কুরাইশদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নিজ জন্মভূমি মক্কা নগরী ছেড়ে ৪৫০ মাইল দূরবর্তী মদিনায় গিয়ে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য অবস্থান নেন। মক্কা থেকে মদীনা অভিমুখে এই অভিযাত্রাকে আরবী ভাষায় হিযরত বলা হয়ে থাকে। নবীর হিজরতের স্মৃতি রক্ষার্থে এই সন প্রচলন হওয়াতে তাকে হিজরী সন বা আরবী সন বলা হয়ে থাকে। অন্য দিকে সূর্যের রাশী চক্র এক বছরে অতিক্রমের সময় লাগে ৩৬৫.৬ ঘন্টা অর্থাৎ চন্দ্র সন থেকে সূর্য সন ১১ দিন বেশী।

মোঘল আমলে রাজ দরবারে হিজরী সনের প্রচলন ছিল। এই হিজরী সন অনুযায়ী কোন নির্দিষ্ট দিনে প্রজাদের খাজনা পরিশোধের দিন ধার্য্য করে দিলে প্রতি বারই এই সন সরে যেতে থাকে, অথচ ফসল তোলার সময় বা প্রাকৃতিক ঋতু সরে যায় না। যার কারণে প্রজাদের খাজনা আদায়ে ও দরবারে কার্য পরিচালনার দিন তারিখ নিয়ে বিভ্রাট সৃষ্টি হয়। এই জটিলতা দূরিকরণে সম্রাট আকবরের রত্ন সভা সদস্য ফতেউল্লাহ কে হিজরী সন, ফসলী মৌসুম এবং ভারতে প্রচলিত নানা প্রকার চন্দ্র সনের সমন্বয়ে একটি সৌর সন তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়।

আইন-ই-আকবরী থেকে জানা যায়, সম্রাট এমন একটি ত্রুটিমুক্ত ও বিজ্ঞান সম্মত সৌর সনের প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, যা জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্যই একটি সাবলিল সুন্দর সন হতে পারে।

সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহনের হিজরী সন ছিল ৯৬৩ সন। এই হিজরী সনকেই সৌর সনে রূপান্তরিত করে বাংলা সনের ভিত্তি স্থাপন করা হয়। যার কারণে বাংলা সন পর্যায়ক্রমে গণনা শুরু হয় ৯৬৪, ৯৬৫… এভাবে আজ ২০২৬ সন। বাংলা সনের বৈশিষ্ট এই যে, এখানে সৌর সন ও চন্দ্র সন সম্মিলিত হয়ে এক অভিনব সনের জন্ম দিয়েছে। সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহনের কাল ১৫৫৬ ইংরেজী সন চলতি ২০২৬ থেকে বাদ দিলে ২০২৬-১৫৫৭-৪৭০ বছর আর এর সঙ্গে হিজরী ৯৬৩ যোগ দিলে ৯৬৩+৪৭০=১৪৩৩ বাংলা সন। আরেকটি ব্যাপার হলো ইংরেজীতে সৌর সন ১৪ এপ্রিল এর সঙ্গে বাংলা সনের শুরু ১লা বৈশাখ এমন ভাবে সমন্বয় করা হয় যে, বাংলা সন ঘুরে প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল ই বাংলা ১লা বৈশাখের মিল ঘটবে। নববর্ষ অনুষ্ঠানে আমাদের সকলের জন্য নতুন দিন বয়ে নিয়ে আসুক, দূর হউক হিংসা-বিদ্বেষ, শুভনববর্ষ-১৪৩৩

লেখক-এড. মাহবুবুর রহমান ইসমাইল
বিশিষ্ট রাজনীতিক ও আইনজীবী

কাশীপুরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা শাহজাহান আলী

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বাঙালির ঐতিহ্যের উৎসব পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলাবাসীসহ প্রিয় কাশীপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. শাহজাহান আলী।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় শাহজাহান আলী বলেন, “নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা আর নতুনের জয়গান। পহেলা বৈশাখ আমাদের বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুরোনো বছরের সব দুঃখ, জীর্ণতা আর গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন বছর আমাদের মাঝে নিয়ে আসুক অপার সম্ভাবনা ও সুখের বার্তা। আমি নারায়ণগঞ্জ ও আমার প্রিয় কাশীপুর ইউনিয়নবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

কাশীপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “কাশীপুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। নতুন বছরের এই শুভ লগ্নে আমি সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। রাজনীতি ও সমাজসেবার মাধ্যমে আমি মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই।”

শুভেচ্ছা বার্তায় শাহজাহান আলী সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছরে প্রতিটি মানুষের জীবন থেকে অন্ধকার কেটে গিয়ে অনাবিল আনন্দ ও প্রশান্তি নেমে আসবে।

পরিশেষে তিনি দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা—নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। শুভ নববর্ষ!”

 

বক্তাবলীবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা মিলন মেহেদী

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বাঙালির ঐতিহ্যের উৎসব পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলাবাসীসহ প্রিয় বক্তাবলী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মিলন মেহেদী।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় মিলন মেহেদী বলেন, “নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা আর নতুনের জয়গান। পহেলা বৈশাখ আমাদের বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুরোনো বছরের সব দুঃখ, জীর্ণতা আর গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন বছর আমাদের মাঝে নিয়ে আসুক অপার সম্ভাবনা ও সুখের বার্তা। আমি নারায়ণগঞ্জ ও আমার প্রিয় বক্তাবলী ইউনিয়নবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

বক্তাবলী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “বক্তাবলী ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। নতুন বছরের এই শুভ লগ্নে আমি সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। রাজনীতি ও সমাজসেবার মাধ্যমে আমি মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই।”

শুভেচ্ছা বার্তায় মিলন মেহেদী সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছরে প্রতিটি মানুষের জীবন থেকে অন্ধকার কেটে গিয়ে অনাবিল আনন্দ ও প্রশান্তি নেমে আসবে।

পরিশেষে তিনি দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা—নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। শুভ নববর্ষ!”

 

বক্তাবলীবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন বারী

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বাঙালির ঐতিহ্যের উৎসব পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলাবাসীসহ প্রিয় বক্তাবলী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলাউদ্দিন বারী।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় আলাউদ্দিন বারী বলেন, “নতুন বছর মানেই নতুন উদ্দীপনা, নতুন প্রেরণা আর নতুনের জয়গান। পহেলা বৈশাখ আমাদের বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুরোনো বছরের সব দুঃখ, জীর্ণতা আর গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন বছর আমাদের মাঝে নিয়ে আসুক অপার সম্ভাবনা ও সুখের বার্তা। আমি নারায়ণগঞ্জ ও আমার প্রিয় বক্তাবলী ইউনিয়নবাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

বক্তাবলী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “বক্তাবলী ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। নতুন বছরের এই শুভ লগ্নে আমি সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। রাজনীতি ও সমাজসেবার মাধ্যমে আমি মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই।”

শুভেচ্ছা বার্তায় আলাউদ্দিন বারী সমাজের সকল স্তরের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছরে প্রতিটি মানুষের জীবন থেকে অন্ধকার কেটে গিয়ে অনাবিল আনন্দ ও প্রশান্তি নেমে আসবে।

পরিশেষে তিনি দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, “মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা—নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। শুভ নববর্ষ!”

 

বক্তাবলীবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বক্তাবলী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আ: রশীদ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বাঙালির প্রাণের উৎসব ও ঐতিহ্যের প্রতীক পহেলা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বক্তাবলীবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন বছর মানেই নতুন সম্ভাবনা, নতুন পথচলা আর সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখা। গত বছরের যাবতীয় দুঃখ-বেদনা আর জরাজীর্ণতাকে ধুয়ে-মুছে নতুন বছর আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল প্রশান্তি ও নতুন প্রাণের স্পন্দন।”

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তাঁর বার্তায় আরও উল্লেখ করেন, “ আমি সবসময় বক্তাবলীর মানুষের সেবায় ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। নতুন বছরে আমাদের অঙ্গীকার হোক—হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা। আমরা যেন সব ভেদাভেদ ভুলে সুন্দর ও নিরাপদ এক বক্তাবলী বিনির্মাণে একযোগে কাজ করতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি বক্তাবলীর প্রতিটি পাড়া-মহল্লার মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। প্রতিটি ঘরে ঘরে আনন্দের নতুন সূর্য উদিত হোক। মানুষের অধিকার রক্ষা ও সেবার ব্রত নিয়ে আমরা আগামীতেও জনগণের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।”

সবশেষে তিনি বক্তাবলী বাসীকে ‘শুভ নববর্ষ’ জানিয়ে সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বক্তাবলীতে ২ টি অবৈধ ইটভাটাকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নে অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

রবিবার ( ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.) নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রন) আইন-২০১৩ এর ৪নং ধারা লঙ্ঘনে ১ ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ১,২০,০০০ টকা জরিমানা করা হয় এবং ইটভাটায় কর্মরত কর্মচারীদেরকে এই অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক করা হয়।

এ ব্যাপারে প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি আছে মর্মে উপস্থিত সকলকে সচেতন করা হয়।
এই অভিযান পরিচালনা করেন সাদিয়া আক্তার, সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, নারায়ণগঞ্জ সদর ,নারায়নগঞ্জ।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ও র‍্যাব মোবাইল কোর্টে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।

অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিচালিত এই অভিযান সার্বিক সমন্বয় করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।