৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 27

নারায়ণগঞ্জের পাঠানটুলিতে রেলের জমি দখলের মহোৎসব চলছে

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জের পাঠানটুলিতে রেলের জমি দখলের মহোৎসব চলছে । যে যেভাবে পারছে রেলের জমি দখল করে চলছে। দখল করা জমিতে চলছে মার্কেট, দোকানপাট ও বসবাসের ঘর নির্মাণ। প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা এসব স্থাপনা গড়ে তুলেছেন। উচ্ছেদ হলে কিছু দিন থেমে থাকে আবার চলে দখল কাজ। আবার প্রভাবশালী দখলদাররা  মামলা ঠুকে দেন রেলের বিরুদ্ধে। ফলে মামলা চলাকালেও তাদের দখল কাজ চলে নির্বিঘেœ। এমনকি দখলদারদে উচ্ছেদ করতে এসে হামলা শিকারের ঘটনাও ইতোপূর্বে ঘটেছে।

জানা গেছে, ঢাকা নারায়ণগঞ্জ রেলপথের দু’পাশে প্রায় ৮০ একর জায়গা বেদখল হয়েছিল। এরমধ্যে গত ১ বছরে প্রায় ৩০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ৫০ একরের মধ্যে শুধু নারায়ণগঞ্জ শহরেই বেদখল ৪০ একর জমি। এছাড়া  নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে আদমজী পুরাতন রেল লাইনের দুই পাশের প্রায়ই জমি দখল হয়ে গেছে। এসব জমি দখল করে নির্মান হয়েছে মার্কেট, দোকনপাট  ও বানিজ্যিক কেন্দ্র।

অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে উদ্ধার কাজে বাধা দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জে ভূমিদস্যুরা উদ্ধারকারীদের বিরুদ্ধে ৭০টি মামলা করেছেন। কোথাও কোথাও উদ্ধার হওয়া জায়গা পুনরায় দখলে নেয়া হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ সেসব ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে মামলা করলেও তাদের আটক করা হচ্ছে না।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের পাটানটুলি এলাকায় রেলওয়ের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে মার্কেট করছে ইমরুল কায়েস। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি এব্যাক্তি  রেলওয়ের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। রেলওয়ের জায়গা দখল মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকার সচেতন মহল।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন , ইমরুল কায়েস ও এলাকার একাধিক ব্যক্তি পাঠানটুলি নতুন সড়কে আব্বাসী মঞ্জিলের বিপরীতে রেলওয়ের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে মার্কেট করছে। এভাবে একাধিক মহল রেলওয়ের জায়গা দখলে তৎপর হয়ে উঠেছে। দখলের শুরুতে দখলদারদের প্রতিহত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, একাধিক ব্যক্তি রেলওয়ের জায়গা দখলের চেষ্টা করছে।  ইতোমধ্যে ইমরুল কায়েস নামে এক ব্যক্তি রেলওয়ের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। রেলের জায়গায় পাকা দোকান নির্মান করে স্থায়ী ভাবে দখলে পাঁয়তারা করছে। এদিকে রেলওয়ের জায়গা দখল পাকা স্থাপনা নির্মাণ এবং দখলদার কাজী ইমরুল কায়েস, ইফতেখার কায়েস রুমেলসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে বিবাদী করে মঞ্জুরুল করিম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

তবে ইমরুল কায়েসের ঘনিষ্ঠ সাব্বির ভূইয়া রেলওয়ের জায়গা দখল করে সাইনবোর্ড স্থাপন করেছে এবং খরিদ সুত্রে জায়গাটি সে দখল করেছে বলে প্রচার করছে।

স্থানীয়রা জানায়, যেখানে রেলওয়ে থেকে সড়ক ও জনপদ বিভাগ প্রয়োজনীয় অংশ নিয়ে চাষাড়া টু আদমজী নিমার্ণ করে ফেলেছে, বাকী জায়গাও সরকারী হিসেবে আছে। ব্যক্তি মালিকানার নামে কোন বেচা-কেনার সুযোগ থাকতে পারে না বলেন তারা মনে করেন।  অভিযোগ রয়েছে , রেলওয়ের দূনীর্তিগ্রস্থ কানুনগো ইকবালের সহায়তায় দখলদাররা সরকারী জায়গা দখল করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে ইমরুল কায়েস বলেন ,যেহেতু আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করবোনা। আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্বেও কিভাবে মার্কেট নির্মাণ কাজ করছেন এ প্রশ্নের জবাবে বলেন,আপনি সরেজমিন এসে দেখে যান নির্মাণ কাজ চলছে কিনা। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধ ভাবে রেলওয়ের জায়গা দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পথচারীদের ব্যবহারে উপযোগী করা প্রয়োজন।

রেলের যাত্রীরা বলছেন, কতিপয় কিছু রেলের অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে অবৈধ দখলদাররা রেলের ভুমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলছেন। তারা অবৈধ স্থাপনা ভাড়া দিয়ে রাতের আধাঁরে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছেন।  অপরদিকে এ অবৈধ স্থাপনার কারণে রেলের জায়গা সংকট হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা ঠিকমত চলাফেরা করতে পারছেনা। ফলে প্রতিনিয়তই তারা দূর্ঘটনার কবলে পড়ছেন।

যাত্রীরা  বলেন, একটি দূর্ঘটনা হলে কিছুদিন প্রশাসন নড়েচরে বসে, তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। কিন্তু তদন্তের রির্পোট সহজে জমা পড়েনা।  ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশনে সামনে বাস- ট্রেনের সংঘর্ষে ঘটে এক ভয়াবহ দূর্ঘটনা। ওই দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় কমপক্ষে ৭ জন। এদের মধ্যে বেশ কয়েজন পথচারীও ছিলো।

জানাগেছে, রেলের জায়গা অবৈধ দখল হওয়ায় সেদিন বাসটিকে রেলক্রসিং থেকে সরাতে পারেনি চালক। রেললাইনের দুপাশ এমনভাবে দখল করা হয়েছিলো যে, বাসটিকে একচুল পর্যন্ত সরানো সম্ভব হয়নি। যদি সম্ভব হতো, তাহলে হয়তো বেঁচে যেতো অনেক প্রাণ।

এ ঘটনার পর পরই অনেকটাই নড়েচরে বসে প্রশাসন ও রেলকর্তৃপক্ষ। তারা দ্রæত রেলের জাগয়া অবৈধ দখলমুক্ত করেন। তবে তার কিছুদিন পরই পাল্টে যায় এর চিত্র। আবারও পুরনো রূপে ফিরে যায় নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন।

নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের জনবল কম থাকায় তাকে দিয়ে অনেক সময় আমরা অফিসিয়াল অনেক কাজ করিয়ে থাকি। তবে তার মূলত কাজ হলো রেলস্টেশন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।

‘একজন স্টেশন মাস্টার থাকা সত্বেও কিভাবে রেলের জায়গা অবৈধভাবে দখল হয় এবং সেখানে কিভাবে রাতে আধাঁরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠে, তাদের বিরুদ্ধে কেন স্টেশন মাস্টার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না’ এমন সব প্রশ্নের কোন প্রতিউত্তর দিতে পারেননি নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার কামরুল ইসলাম।

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের  ভূ-সম্পদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, রেলের জায়গা উদ্ধার করতে গেলেই সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যুরা রিট মামলা করে দেয়। আদালত স্থগিতাদেশ দেন। এতে করে বেদখলে থাকা রেলের জমি উদ্ধারে বেশ হিমশিম খেতে হয়। কিন্তু আমরা শত বাধা উপেক্ষা করেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছি।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথ পরিদর্শন এবং ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্প দেখতে এসে রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন সাংবাদিকদের বলেছিলেন , খোঁজ নিয়ে জেনেছি, রেলের জমি দখলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও জড়িত। অবৈধ জমি যে কোনো মূল্যে উদ্ধার করা হবে। দলীয় নেতা কিংবা যে কোনো রাজনৈতিক নেতা, প্রভাবশালী ব্যক্তি, সস্ত্রাসী- কেউই ছাড় পাবে না। জমি উদ্ধারসহ দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।

৬ বছর পর হচ্ছে জাকের পার্টির জাতীয় কাউন্সিল

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:  ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী ২৫ আগস্ট (শুক্রবার) জাকের পার্টি ৪র্থ তম জাতীয় কাউন্সিল হতে যাচ্ছ। সকল ১০টায় প্রধাণ অতিথি দলের চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল কাউন্সিলের কার্যক্রম উদ্বোধন ও বক্তব্য দিবেন। দুপুর ১২টায় কাউন্সিলের প্রথম পর্ব শেষ হবে। বাদ জুম্মা ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে কাউন্সিলের মুল পর্ব শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় কাউন্সিলের কার্যক্রম শেষ হবে।

সম্মেলনকে ঘিরে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে সভামঞ্চ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে চলছে সাজসাজ রব। নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বা- উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সম্মেলনস্থলের সাজসজ্জার কাজ শেষ পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে সভাস্থালসহ আশে পাশের সড়ক। নেতাকর্মীরা দফায় দফায় ঘুরে ঘুরে দেখছেন সকল প্রকার প্রস্তুতি। যাতে কাউন্সিল সুন্দর ও সফল ভাবে শেষ হয়।

বুধবার (২৩ আগস্ট ) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট’র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজউদ্দিন সিকদার।

 

 

 

ঢাকায় শান্তি সমাবেশে শরীফুল হকের নজরকাড়া শোডাউন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : আওয়ামীলীগের শান্তি সমাবেশে চমক দেখালেন ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের ১নং সদস্য এবং ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোঃ শরীফুল হক।

শুক্রবার দুপুরে সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বাইতুল মাকারামের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ছাত্রলীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে যোগদান করেন।

শরীফুল হকের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ঢাকার রাজপথ স্লোগানে মুখরিত করেন। এসময় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তাবলীর প্রসন্ননগর গ্রামের নাম পরিবর্তনের গুজব ছড়িয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে স্বার্থান্বেষী মহল

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট :  বক্তাবলী এলাকার প্রসন্ননগর গ্রামের নাম পরিবর্তনের গুজব ছড়িয়ে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের পায়তারা করছে একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল। সাধারণ মানুষকে ভুল নয়ছয় বুঝিয়ে ব্যক্তি বিশেষের প্রতি বিদ্বেষ ছড়িয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে স্বার্থান্বেষী মহলটি।

জানা গেছে, স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহলটি প্রসন্ননগরের নাম পরিবর্তনের দায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এড. আল আমীন সিদ্দিকীর উপর চাপিয়ে সাধারণ মানুষকে খেপিয়ে তার উপর পূর্বশত্রুতার শোধ নিতে চায়। অথচ এড. আল আমীন সিদ্দিকী সরকারি কোন কর্তৃপক্ষ নয় যে তিনি প্রসন্ননগরের নাম পরিবর্তন করবেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এড. আল আমীন সিদ্দিকী একজন আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও সমাজকর্মী হিসেবে বিভিন্ন সময় সামাজিক অন্যায়, অবিচার ও বেআইনী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করেন এবং নিপীড়িত, অসহায়, অধিকার বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলেন। এতেই স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহলটি দীর্ঘদিন যাবত তার উপর ক্ষুব্ধ।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, গত বছর প্রসন্ননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনকালে একটি কুচক্রী মহল চেয়েছিল সরকারী আইনের তোয়াক্কা না করে তাদের ইচ্ছে মতো কমিটি করতে। কিন্তু এড. আল আমীন সিদ্দিকীর জন্য নাকি সেটা সম্ভব হয়নি। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার ওয়ার্ড মেম্বার সেকান্দরের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার কারণে মেম্বার ও তার বংশের মানুষের ক্ষোভ রয়েছে তার উপর। তাছাড়া, গ্রামের ভূমিদস্যু ও কুচক্রীরা বিভিন্ন সময় নিরীহ মানুষের জমি অন্যায় ও বেআইনীভাবে আত্মসাৎ ও দখলের পায়তারা করলে তিনি নিরীহ অসহায় মানুষের পক্ষে দাঁড়ান। এসব কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল ঐক্যব্ধ হয়ে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে এড. আল আমীন সিদ্দিকীকে দেখে নেওয়ার জন্য। সম্প্রতি এড. আল আমীন সিদ্দিকীর বাড়ির সাইনবোর্ডে তার বাড়ির নাম “গাজীনগর হাউজ” লেখার কারণে স্বার্থান্বেষী মহলটি ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করে। তারা মানুষকে ভুল বুঝায় যে এড. আল আমীন সিদ্দিকী প্রসন্ননগরের নাম পরিবর্তন করে ফেলেছে। অথচ গ্রামের নাম পরিবর্তন সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়।

প্রসন্ননগর গ্রামের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এড. আল আমীন সিদ্দিকীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি সরকারি কাগজে লিপিবদ্ধ একটা গ্রামের নাম পাল্টায় কীভাবে আমার জানা নেই। তাছাড়া, প্রসন্ননগর গ্রামের নাম পরিবর্তনের ব্যাপারে সরকার কোন উদ্যোগ নিয়েছে কিনা বা কোন ব্যক্তি নাম পরিবর্তনের কোন আবেদন করেছে কিনা আমার জানা নেই। গ্রামের একটি কুচক্রী মহল উদ্দ্যেশমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

গুগুল ম্যাপে প্রসন্ননগর ও কানাইনগর গ্রামের মধ্যবর্তী নতুন জনবসতিপূর্ণ এরিয়াটি “গাজীনগর” হিসেবে প্রদর্শন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলা ও বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এসে এখানে বসতি গড়ে তুলেছে। এখানে “গাজী মসজিদ” নামে একটি মসজিদ ও “গাজী মার্কেট” নামে একটি মার্কেট রয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন কয়েকটি গাজী বংশও রয়েছে এখানে। তাই কেউ কেউ নতুন বসতিপূর্ণ এরিয়াটিকে আনঅফিসিয়ালি গাজীনগর হিসেবে অভিহিত করে থাকে। তবে গুগল ম্যাপে কীভাবে এরিয়ার নাম ওঠে আমার জানা নেই। আমি যতদূর জানি, গুগল ম্যাপ কোন সরকারি দলিল বা ডকুমেন্ট নয়। এটা একটা বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির লোকেশন সেবা। গুগল ম্যাপের সবকিছু নির্ভরযোগ্য নয়।

সবশেষে তিনি বলেন, প্রসন্ননগরবাসীর প্রতি আমার আহবান-স্বার্থান্বেষী কুচক্রীদের ছড়ানো গুজবে কান দিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না। সরকার প্রসন্ননগরের নাম পরিবর্তন করেনি বা করার উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি পরিবর্তন করার জন্য কোন আবেদনও করেনি কেউ।

 

বক্তাবলী হতে পরকিয়ার প্রেমিকের সাথে ৩ সন্তানের জননীর পলায়ন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট :  নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলীর রাজাপুর গ্রাম হতে পরকিয়া প্রেমের টানে ৩ সন্তানের জননী সালমা আক্তার তার প্রেমিক কায়সার হাসান আওলাদের সাথে পালিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে সালমা আক্তারের সাবেক স্বামী রাজাপুর গ্রামের সোনা মিয়ার পুত্র জামাল হোসেন বাদী হয়ে হয়ে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ২নং আমলী আদালত নারায়ণগঞ্জে সিআর মামলা নং-৬০৪/২৩ দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরনে জানা যায়,রাজাপুর গ্রামের আনোয়ারুজ্জামানের কন্যা জাহিদুজ্জামান স্বপন ও ওহিদুজ্জামান রতনের বোনের সাথে একই এলাকার সোনা মিয়ার পুত্র মো. জামাল হোসেনের সাথে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ২৭ বছর আগে বিয়ে হয়। বিবাহিত জীবনে ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের মা হন পরকিয়ায় আসক্ত সালমা আক্তার ওরফে রওশন আরা।

সালমা আক্তারের সাথে পরকিয়ায় লিপ্ত হয়ে পড়েন বর্তমান ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা ও রাজাপুর এলাকার মৃত আহসান উল্লাহর পুত্র কায়সার হাসান আওলাদ। পরকিয়ায় আসক্ত সালমা ও আওলাদ সম্পর্কে মামাতো- ফুফাতো ভাইবোন হওয়ায় প্রায় সময় আওলাদ রাজাপুরে জামালের বাড়িতে আসা যাওয়া করতো।আসা যাওয়ায় মাঝে সালমা আক্তার ওরফে রওশন আরা ও কায়সার হাসান আওলাদের মধ্যে মন দেয়া নেয়া ও অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক গড়ে উঠে।

একপর্যায়ে পরকিয়া প্রেমিক কায়সার হাসান আওলাদ তার পরকিয়া প্রেমিকা সালমা আক্তারকে ফুসলিয়ে রাজাপুরের বাড়ি হতে নিয়ে যায়।যাওয়ার সময় নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে যায় সালমা আক্তার। পরকিয়া প্রেমিক – প্রেমিকা কক্সবাজারের কলাতিয়া এলাকায় অবস্থান করে অবৈধ ভাবে শারিরীক সম্পর্ক করতে থাকে।

পরে জামাল হোসেন তার শ্বশুর বাড়িতে পরকিয়া প্রেমিক ও প্রেমিকাকে দেখতে পেয়ে ঘর থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া নগদ ২ লাখ টাকা ফেরত চাইলে মামলার আসামী সালমা আক্তার ও তার পরকিয়া প্রেমিক কায়সার হাসান আওলাদ বাদী জামাল হোসেন কে নানাবিধ হুমকি- ধামকি প্রদান করে।

সালমা আক্তার ওরফে রওশন আরা তার ২ মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন এবং একমাত্র পুত্র বিয়ের উপযুক্ত হওয়া সত্বে পরকিয়া প্রেমিক মামাতো ভাইয়ের সাথে পলায়নের সংবাদে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে পরকিয়া প্রেমিক ও মামলার ২নং আসামী কায়সার হাসান আওলাদের বক্তব্য জানার জন্য ০১৯১০৭৭৪৫★★ নাম্বার মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

ফতুল্লার বক্তাবলী হতে ২৮ লাখ টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক সুজন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলীর গোপালনগর গ্রামের ব্যবসায়ী মো. লিটনের কাছ থেকে ২৮ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে প্রতারক শাফিন আহমেদ সুজন। এ ব্যাপারে লিটন বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগে লিটন উল্লেখ করে, ফতুল্লা থানাধীন সস্তাপুর এলাকার খোকন মিয়ার ছেলে শাফিন দীর্ঘদিন যাবত বিকাশ ও নগদ লেনদেনের ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছে। বিগত ২৮/০৬/২০২৩ খ্রি. তারিখে লিটন বিবাদী সাফিন আহমেদ সুজনকে নগদ পনেরো লাখ, আই.এফ.আই.সি. ইসলামী ব্যাংকে তার একাউন্টে আট লাখ, বিভিন্ন বিকাশ, রকেট ও নগদের মাধ্যমে আরও পাচ লাখ টাকাসহ মোট ২৮ লাখ টাকা সাফিনের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে প্রদান করেন।

সাফিন টাকা নেওয়ার পর হতে লিটনের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেয়। অনেক খোঁজাখুজির পর এক পর্যায়ে সাফিনকে পেয়ে লিটন টাকা ফেরত চাইলে বিবাদী সাফিন দিচ্ছি দিব বলে তালবাহানা করতে থাকে। বিগত ০৯/০৭/২০২৩ খ্রিস্টাব্দ তারিখে সকাল আনুমানিক ৮:৫৪ ঘটিকায় লিটন বিবাদীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করলে লিটনের সাথে অসামাজিক আচরণ করে ফোনের সংযোগ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে লিটন বিবাদীর ঠিকানায় গিয়েও তার কোন প্রকার সন্ধান পায়নি।

প্রতারণার শিকার হয়ে লিটন তার দেওয়া টাকা ফেরত পেতে বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে। অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে অর্থ আত্নসাতকারী সুজনের বিরুদ্ধে লিটন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগটি দায়ের করে।

প্রতারক শাফিন আহমেদ সুজনের সন্ধান পেলে মোবাইল ফোন নাম্বার  01943231384 অথবা যেকোন থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছে লিটন। সন্ধানদাতাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদানের ঘোষণাও করেছে এই ভুক্তভোগী ।

 

বক্তাবলী এলাকার প্রসন্ননগর জনগণের মাঝে পাসপোর্ট ইস্যুতে মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : পাসপোর্ট ইস্যুতে মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে বক্তাবলী এলাকার প্রসন্ননগর গ্রামের মানুষের মধ্যে। কতিপয় গ্রাম্য কুচক্রী এহেন কাজটি করে চলছে উদ্দেশ্যমূলকভাবে। এ কাজে সহায়তা করছে স্থানীয় পত্রিকার কোন কোন সাংবাবাদিকও। স্থানীয় পত্রিকায় নিউজ ছাপানো হচ্ছে তথ্যের সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই।

নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় একটি পত্রিকায় রিপোর্ট ছাপানো হয়েছে- “পাসপোর্ট পাচ্ছে না প্রসন্ননগর গ্রামের মানুষ”। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, পাসপোর্টের সার্ভারে প্রসন্ননগর গ্রামের নাম পাওয়া যাচ্ছে না। নিঃসন্দেহে এটি একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য।

এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিস সংশ্লিষ্ট, ইতোপূর্বে যারা পাসপোর্ট করেছে ও যারা অনলাইনে পাসপোর্টের ফরম পূরণে সহায়তা করে তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে- অনলাইনে পাসপোর্টের ফরম পূরণের ক্ষেত্রে গ্রাম ও রাস্তার নামের কোন অটোমেটিক অপশন থাকে না। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য মোতাবেক গ্রাম ও রাস্তার নাম লিখে দিতে হয়। পাসপোর্টে ঠিকানার ক্ষেত্রে অনলাইন সার্ভারে শুধু পোস্ট অফিস, থানা ও জেলার নামের অটোমেটিক অপশন থাকে। পাসপোর্ট অফিস দেশের নাগরিকদেরকে পাসপোর্ট সরবরাহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মোতাবেক। কাজেই, ভুল তথ্যসম্বলিত নিউজ ও গ্রাম্য কুচক্রীদের প্রচারিত উদ্দেশ্যমূলক গুজবে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয় কারো।

স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত নিউজে এড. আল আমীন সিদ্দিকীকে জড়ানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রিপোর্টে আমাকে জড়ানোটা উদ্দেশ্যমূলক। কারণ, পাসপোর্ট প্রদান বা সরকারি কোন বিষয়ে আমি কোনপ্রকার অথরিটি নই। সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের সম্ভবত আমার প্রতি ব্যক্তিগত ক্ষোভ রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের দিগুবাবুর বাজারে অভিযানের পর ২৫০ টাকার কাঁচামরিচ ১০০ টাকা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ শহরের দ্বিগুবাবুর বাজারে কাঁচামরিচ অতিরিক্ত দামে বিক্রির খবরে বাজার মনিটরিংয়ে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এসময় ব্যবসয়ীদের ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা কাঁচামরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায় । কম দামে কাঁচামরিচ কিনতে ক্রেতারাও দোকানগুলোতে ব্যাপক ভীড় জমান।

সোমবার (৩ জুন) সকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ক্যাব প্রতিনিধি ও জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্রেতারা জানান, কিছুক্ষণ আগেও ২৫০ টাকা দরে এরাই কাঁচামরিচ বিক্রি করছিলো। তবে পুলিশের অভিযানের খবরে শাস্তি থেকে বাঁচতে কম দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করছেন তারা। গতকালকেও এক হাজার টাকা কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছিল। আজকে বাজারে এসে দেখলাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান জানান, বাজারের বিভিন্ন দোকানে কাচা মরিচ কেজি ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছিলো । এ সময় তাজুল ইসলাম নামে এক দোকানী ২৬০ কেজি কাচা মরিচ বিক্রি করছিল।

তার কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনি কত টাকা কেজি দরে মরিচ কিনে কত টাকায় বিক্রি করছেনা? তিনি বলেন, পাইকারি ১৮০ টাকা কেজি দরে কিনে ২৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি। এ সময় তার কাছে মরিচ কেনার রশিদ দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি।

ফলে অতিরিক্ত দামে মরিচ বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনে তাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে তিনি ৬০ টাকা কমিয়ে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি করা শুরু করেন। এক পর্যায়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের টিম দেখে পাশে দুই দোকানী ১০০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করে। ভোক্তা অধিদপ্তরের টিমের উপস্থিতিতে প্রায় শতাধিক ক্রেতা ১০০ টাকা দরে কাচা মরিচ কিনে নেন।

অপরদিকে একই বাজারে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় একটি মুদি দোকানীকে ১ হাজার টাকা, একটা খাবার হোটেলকে ৩ হাজার টাকা ও বিএসটিআই এর অনুমোদন, পণ্যের গায়ে উৎপাদনের তারিখ ও দাম লেখা না থাকায় বেশ কিছু ঘী জব্দ করা হয়।

বক্তাবলীর ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি থেকে ১০ জনের পদত্যাগ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : বক্তাবলী ইউনিয়নের লক্ষীনগর ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি থেকে ১০ জনের পদত্যাগ। গত সোমবার রাতে বক্তাবলী ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহ ১০ জন পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আকবর আলী সুমন ও সদস্য সচিব মো. হাসান আলীর স্বাক্ষরিত ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির কমিটির প্রতি অনাস্থা জানিয়ে তারা পদত্যাগ করেন। পদত্যাগ পত্রটি বক্তাবলী ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন তার ফেসবুক ফেইজে প্রকাশ করেন।

পদত্যাগকারীরা হলেন, বক্তাবলী ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, সহ-সভাপতি মো. মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম খান, মো. নুরু মাদবর, মো. ফয়জল খান, যুগ্ম সম্পাদক মো. কবির মীর, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. বোরহানউদ্দিন, সদস্য, মো. আবুল কাসেম খান, মো. সাইফুল খান ও এম এ মতিন প্রমূখ।

পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে মো. আলমগীর হোসেন জানান, আমাদের অবগত না করে বক্তাবলী  ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপিতে আমাকে সাধারণ সম্পাদক সহ আরো ৯ জনের নাম রাখা হয়। এই ওয়ার্ডের আরো ত্যাগী নেতাকর্মীদের নাম বাদ দিয়ে শুধু মাত্র ১০ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় আমাকে বিভিন্ন প্রকার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যা কোন ভাবে কাম্য নয়।

আমাদের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির রাজনীতিতে এই ধরণের অনিয়ম ও বৈষম্যহীনতা কখনই ছিল না। এই বৈষম্যহীনতা, অনিয়ম ও অবমূল্যায়ন কারণে আকবর আলী সুমন ও মো. হাসান আলীর স্বাক্ষরিত বক্তাবলী ইউনিয়ন লক্ষীনগর ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি থেকে আমরা পদত্যাগ করেছি।

ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বারী ভূইয়ার উপর সন্ত্রাসী হামলা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নারায়নগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এডঃ আব্দুল বারী ভূইয়া সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে।

শুক্রবার ভোরে ফজর নামাজের পর ফতুল্লা মডেল থানার তল্লার দক্ষিণ কায়েমপুরস্থ নিজ বাসার সামনে তিনি এ হামলার শিকার হন।

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এডঃ বারী ভুইয়া বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লখ্য সহ অজ্ঞাতনামা আরো ২-৩ জন কে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন নজরুল ইসলাম সরদার (৫৯) সজিব ওরফে জুয়েল( ৩৫) সাকিব (১৭) রবিন (২২) নাঈম (২২) সানজিদ (১৮) আবু তাহের (৪২) সহ অজ্ঞাত নামা আরো ২/৩ জন।

হামলার শিকার ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এডঃ আব্দুল বারী ভূইয়া জানায়,ফজর নামাজ পরে ভোর সকাল সাড়ে পাচটার দিকে নিজ বাসার সামনে পায়াচরী করার সময় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কার যোগে এসে অভিযুক্ত নজরুল সরকারের মেয়ে ডালিয়া(২৬) গাড়ীর ভিতরে বসে হামলাকারীদেরকে তাকে দেখিয়ে দেয়। এসময় গাড়ীর ভিতর থেকে নেমে সজিব ওরফে জুয়েল তার পথরোধ করে। সাথে সাথে অপর অভিযুক্ত আসামীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপর হামলা চালায় এবং তার সাথে থাকা ৫৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তিনি আত্নরক্ষার্থে ডাক-চিৎকার করলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

হামলার কারন সম্পর্কে তিনি জানান, অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে জাল সার্টিফিকেট ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের কারনে ১/১১ সময়ে আসামী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং চাকুরীচ্যুত হয়। এতে তাকে দোষারোপ করা হয়। অপরদিকে ১৮ জুন অভিযুক্ত আসামী নজরুলের ভায়রা নাসিম ওরফে নাসিরের (৫৩) বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি ধর্ষন মামলা হয়। এতে ও তাকে দোষারোপ করা হয়। এর জের ধরেই তার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানান।

ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আজম মিয়া জানায়, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।