১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2

আলীরটেকবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেম্বার পদপ্রার্থী শাহাদাত সরকার

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলাবাসীসহ বিশেষ করে আলীরটেক ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়েছেন

আলীরটেক সরকার বাড়ী একতা যুব উন্নয়ন সংসদের সভাপতি ও আলীরটেক ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. শাহাদাত সরকার।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের এক মহান বার্তা নিয়ে হাজির হয়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর অসীম আত্মত্যাগ ও মহান আল্লাহর প্রতি তাঁর যে অবিচল ভক্তি, তা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য শিক্ষা। কোরবানি মানেই কেবল পশু জবেহ করা নয়, বরং নিজের ভেতরের সবটুকু অহংকার, স্বার্থপরতা ও কুপ্রবৃত্তিকে বিসর্জন দিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এর প্রকৃত উদ্দেশ্য।”

বিশিষ্ট এই সমাজসেবক তাঁর বার্তায় বলেন, “আলীরটেক’র মাটি ও মানুষের সুখে-দুঃখে আমি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ত্যাগের এই আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমরা একটি ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চাই। ঈদের এই আনন্দ তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশী এবং সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। আসুন, আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির আনন্দ ও খুশি সবার মাঝে ভাগ করে নেই।”

শাহাদাত সরকার আরও বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের শেখায় কীভাবে ত্যাগের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। এই শিক্ষা যেন আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হয়। আমরা যেন সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে পারি। দেশ ও জাতি যেন সকল সংকট কাটিয়ে শান্তির পথে এগিয়ে যায়—এই প্রার্থনা করি।”

পরিশেষে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “উৎসবের আমেজে আমরা যেন আমাদের পরিবেশের কথা ভুলে না যাই। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নিজ নিজ আঙিনা ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করে আমরা যেন সুস্থ ও সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারি, সে লক্ষ্যে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

শুভেচ্ছা বার্তার শেষে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং প্রত্যাশা করেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষা আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করবে। সবাইকে আবারো ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা-ঈদ মোবারক!

 

বক্তাবলীবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সমাজ সেবক আলাউদ্দিন বারী

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফতুল্লা ও বক্তাবলী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়েছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক আলাউদ্দিন বারী।

আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগের এক মহান বার্তা নিয়ে হাজির হয়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর অসীম আত্মত্যাগ ও মহান আল্লাহর প্রতি তাঁর যে অবিচল ভক্তি, তা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য শিক্ষা। কোরবানি মানেই কেবল পশু জবেহ করা নয়, বরং নিজের ভেতরের সবটুকু অহংকার, স্বার্থপরতা ও কুপ্রবৃত্তিকে বিসর্জন দিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এর প্রকৃত উদ্দেশ্য।”

বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলাউদ্দিন বারী তাঁর বার্তায় বলেন, “বক্তাবলীর মাটি ও মানুষের সুখে-দুঃখে আমি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ত্যাগের এই আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমরা একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে চাই। ঈদের এই আনন্দ তখনই সার্থক হবে, যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশী এবং সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারব। আসুন, আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী কোরবানির আনন্দ ও খাদ্য সবার মাঝে ভাগ করে নেই।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় জনগণের অধিকার ও কল্যাণের রাজনীতি করে। ত্যাগের এই মহান দিনে আমাদের প্রার্থনা হোক—দেশ ও জাতি যেন সামনের যে কোন সংকট কাটিয়ে শান্তির পথে এগিয়ে যায়। আমরা যেন সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে পারি।”

পরিশেষে আলাউদ্দিন বারী এলাকাবাসীর প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “উৎসবের আমেজে আমরা যেন আমাদের পরিবেশের কথা ভুলে না যাই। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নিজ নিজ আঙিনা ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করে আমরা যেন সুস্থ ও সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারি।”

শুভেচ্ছা বার্তার শেষে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং প্রত্যাশা করেন যে, পবিত্র ঈদুল আজহার শিক্ষা আমাদের সবার জীবনকে আলোকিত করবে। সবাইকে আবারো ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা-ঈদ মোবারক!

 

বক্তাবলী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নায়ণগঞ্জ সদরের বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বণ্টনকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও মেম্বারদের বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলেছেন পরিষদের একাধিক সদস্য।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত চাল বণ্টনে নিয়ম না মেনে ইচ্ছেমতো কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে।

জানা গেছে, গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের জন্য ২ হাজার ৯৯০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ১০ কেজি করে মোট ২৯৯টি ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে ইউনিয়নের হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এই চাল বিতরণের কথা ছিল।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের দাবি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ মোট ১২ জন সদস্যের মধ্যে সমন্বয় করে কার্ড বণ্টন করার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক মেম্বারকে মাত্র ৮টি করে কার্ড দেওয়া হয়েছে। অথচ প্রত্যেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি কার্ড পাওয়ার আশা করেছিলেন।

এ বিষয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মহিউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন,
“আমাকে মাত্র ৮টি কার্ড দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের ৩০টি করে কার্ড পাওয়ার কথা। আমার ওয়ার্ডে প্রায় ৪২০০ ভোটার। এত অল্প কার্ড দিয়ে কিভাবে বণ্টন করবো? তাই আমি কার্ড গ্রহণই করিনি।”

তিনি আরও বলেন,
“বক্তাবলী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবু বকর কিছু দরিদ্র মানুষ আমার কাছে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু পর্যাপ্ত কার্ড না থাকায় তাদেরও চাল দিতে পারিনি।”

মহিউদ্দিন ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, ভিজিএফের চাল বণ্টনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পিংকি আক্তার কোনো ধরনের আলোচনা বা সমন্বয় করেননি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো বৈঠকও করেননি বলে দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য,
“আমরা বারবার সচিব ও চেয়ারম্যানকে একসাথে বসার জন্য বলেছি। কিন্তু তিনি কখনো আমাদের নিয়ে বসেননি।”

এদিকে গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে একাধিকবার প্রশাসক ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হলেও পরিষদের অচলাবস্থা কাটেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সর্বশেষ গত ২৭ এপ্রিল উপজেলা প্রশাসন প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পিংকি আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়।

তবে দায়িত্ব গ্রহণের পরও ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে দৃশ্যমান কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিজিএফের চাল বণ্টন ছাড়াও বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে পিংকি আক্তারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিষদের একাধিক সদস্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মেম্বার জানান, ইউনিয়ন পরিষদে সমন্বয়হীনতা ও একক সিদ্ধান্তের কারণে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করে একটি পক্ষ নিজেদের মতো করে সুবিধা বণ্টনের চেষ্টা করছে।

ভিজিএফের চাল বণ্টন নিয়ে ওঠা এসব অভিযোগ এখন বক্তাবলীজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

আলীরটেক ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলীরটেক ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে রবিবার (২৪ মে) ডিক্রীরচরে অবস্থিত রাইসা মনি কমিউনিটি সেন্টারে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির জনাব মাওলানা আব্দুল জব্বার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার সেক্রেটারি আবু সাঈদ মুন্না এবং জামায়াতে ইসলামী ফতুল্লা পশ্চিম থানার আমির মাওলানা মোঃ নুরুল হক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর আবু বকর।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল আজিজ, আলীরটেক ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী শাহাদাত সরকার, ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী ডা আবদুল আউয়াল, ৬মং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মো. সফিউদ্দিন আহমেদ, ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী আবদুল রহিম মৃধা, স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী আলীরটেক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মুরাদ হোসেন। অনুষ্ঠান শেষে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বক্তাবলীর প্রতাপনগরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা এলাকার বক্তাবলী ইউনিয়নের প্রতাপনগরে ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে নাজির নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

শিশুটির বক্তব্য অনুযায়ী সহায়তার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে গেলে তাকে জোরপূর্বক একটি পরিত্যক্ত ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। পরে শিশুটিকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত নাজিরকে আটক করে রাখে।

এদিকে, মাত্র দুই দিন আগেই বক্তাবলী ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় আরেকটি শিশু ধ’র্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এই ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

 

শিবু মার্কেটের ভূমিদস্যু ফারুক, কাশেম, রোজিনা গংদের বিচার চাইলেন বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার শিবু মার্কেট পশ্চিম লামাপাড়া এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী মোঃ ফারুক,কাশেম আলী কাশেম,সুমন,রোজিনা গং কর্তৃক জোরপূর্বক জমি দখল করা হতে জমি উদ্ধার এবং বিচার চেয়েছেন বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জেলা প্রশাসক রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃদ্ধা ফিরোজা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, জোত সুত্রে কুতুবপুর মৌজার দাগ নং-এসএ ৩৬৪, আর এস ৭৫৪ দাগের ১১ শতাংশ জমির মালিক হয়ে ভোগ দখল করে আসছি।

আমি গত ১০ বছর যাবত আমার দেবরের ছেলে ফারুক-কাশেম আলী গং আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি জোর পূর্বক দখল করে রেখেছে।

২০২৪ সালে ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে আওয়ামী লীগের দোসর ফারুক ও কাশেম গং-এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ৮ আগষ্ঠ আমি আমার জমি ঝুঝে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করে আসছিলাম। চলতি বছর রমজানের ২৭ রোজায় ফারুক,রোজিনা, কাশেম আলী গং পূর্ণরায় আমার বাড়ি দখল করে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সকালে।

সেদিনই বিকালে আমি এলাকাবাসীকে নিয়ে আমার বাড়ি ও জমি দখল মুক্ত করি। এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে আওয়ামী লীগের দোসর কাশেমের মেয়ে রোজিনা সাংবাদিক ভাইদের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষন করে সরকারী অনুদান গ্রহন করে।

আমি আওয়ামী লীগের ১৭ বছর নিজে ঘর বাড়ি ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে বেড়েয়েছি।
এখন আওয়ামী লীগের দোসর ফারুক, কাশেম আলী, সুমন, বরিশাইল্লা কাশেম, রোজিনা, জোসনা, শায়লা ও ফারুকের শাশুড়ী বিএনপির পরিচয় দিয়ে আমার বসত বাড়ি ও জমি দখলে রেখেছে।

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, ডিসি ও এসপি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

বিএনপির লোক নাকি তাদের কাছে চাঁদা চাইছে।কোন নেতা চাঁদা চাইছে আমি জানতে চাই।
যেন সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ আওয়ামী দোসর ফারুক- কাশেম আলী গংদের হাত থেকে জমি উদ্ধার এবং আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ২টি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দোষীদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ফিরোজা বেগমের ছেলে আনোয়ার হোসেন, মোঃ আনিস মিয়া,ছেলের বউ জিয়াসমিন ও মিতু।

বক্তাবলীতে অবৈধ পশুর হাট-আইগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি ইউএনও

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব গোপালনগর এলাকায় বিএনপি নেতাদের অবৈধ পশুর হাটে উপজেলা প্রশাসন তদন্তে গেলেও তাৎক্ষনিক ভাবে বন্ধ করার কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। অবৈধ হাটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন তদন্তে যাওয়ার পর তাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চালাতে দেখা যায়।

তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ ভাবে কোরবানির পশুর হাট বসালেও উপজেলা প্রশাসন জোড়ালো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় পাশের হাটের ইজারাদারগণ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বুধবার (২০ মে) বিকালে বক্তাবলী নদীর পূর্ব পাড়ে পূর্ব গোপালনগর এলাকায় অবৈধ পশুর হাটে তদন্তে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বক্তাবলীর পূর্ব গোপালনগর এলাকায় একটি গর্ত বালু ভরাট করে অবৈধ ভাবে কোরবানির পশুর হাট বসায় কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মঈনুল ইসলাম রতন, ফরিদ আহমেদ শিপন, কবির প্রধান সহ আরো অনেকে।

তারা নাম মাত্র আবেদন করে সরকারি শিডিউল ছাড়াই সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে গরুর হাট বসিয়ে জমিয়ে তুলেছে। আর লাখ লাখ সরকারি খাতে টাকা জমা দিয়ে ইজারা নিয়ে বৈধ ভাবে হাট বসিয়েছে। অবৈধ পশুর হাটের কারণে বৈধ ইজারাদাররা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আশঙ্কা করছে।

অভিযোগ উঠেছে যেসকল বিএনপি নেতারা অবৈধ পশুর হাট বসিয়েছে তারা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হাটটি চালানোর অপচেষ্টা করছে। নতুবা উপজেলা প্রশাসন অবৈধ পশুর হাটে তদন্তে গিয়ে জমজমাট হাটের দৃশ্য দেখতে পেলেও আইনগত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে অন্য বৈধ ইজারাদাররা এমন অভিযোগ করেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিন জানান, বক্তাবলীর পূর্ব গোপালনগর এলাকায় অবৈধ ভাবে কোরবানির পশুর হাট বসানোর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে আসি। তারা শুধু মাত্র আবেদন করে সরকারি নিয়মের বাইরে গিয়ে হাট বসিয়েছে। বিষয়টি তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আড়াইহাজারের লেডি সন্ত্রাসী সীমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এনআরইউ”র আল্টিমেটাম

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আড়াইহাজার পৌরসভার মুকুন্দী গ্রামের চিহ্নিত লেডি সন্ত্রাসী ও প্রতারক সীমা আক্তারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ।

নারায়ণগঞ্জ জেলা রির্পোটার্স ইউনিটির সভাপতি ও জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমের সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ শহীদুল্লাহ্ রাসেলকে মুঠোফোনে ও হোয়াটসঅ্যাপে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, হুমকি দেন বহু অপকর্মের হোতা, নজরুল ইসলাম আজাদ এমপির নাম ব্যবহার করা লেডি সন্ত্রাসী সীমা আক্তার।
গত ৬ মে জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমে সীমার সহযোগী একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী ডাকাত শাহিনুর প্রকাশ্যে! পুলিশ নীরব শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করলে সীমা আক্তার ডাকাতের পক্ষ নিয়ে সাংবাদিক শহীদুল্লাহ্ রাসেল কে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রধান করে।

এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সিনিয়র সহ সভাপতি আনোয়ার হোসেন সজীব,সাবেক সভাপতি মোঃ রফিকুল্লাহ রিপন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোঃ উজ্জ্বল হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন সহ ইউনিটির নেতৃবৃন্দ আগামী ৩ দিনের মধ্যে লেডি সন্ত্রাসী সীমা আক্তার কে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।
নইলে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

জল্লারপাড়ের ত্রাস পিচ্চি হাবিবসহ আটক নয় জন

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জ শহরের জিমখানা রেলওয়ে কলোনীতে সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী অভিযানে অন্তত ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা ও হেরোইনসহ আটক করা হয়েছে ৯ জনের মধ্যে অন্যতম নারায়ণগঞ্জের আলোচিত গডফাদার আজমেরি ওসমানের সহযোগী ১৭ নং ওয়ার্ডের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সজীবের সেকেন্ড ইন কমান্ড হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান।

বুধবার (৬ মে) বিকেল পৌনে ছয়টায় ৪০ থেকে ৫০ জন পুলিশের একটি দল জিমখানা রেলওয়ে কলোনী ও জল্লারপাড় লেকে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে বলে জানান তিনি।

অভিযানে যাওয়া নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান জানান, জল্লাপাড়ের মাদক ব্যবসায়ী হাবিব, হাসু, সাব্বিরসহ ৯ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, “চুরি, ছিনতাই ও মাদকের বেচাকেনা প্রতিরোধে আমরা আজ এই অভিযান পরিচালনা করেছি। সদর থানা পুলিশের পাশাপাশি, ডিবি পুলিশ ও পুলিশ লাইন্স থেকে অতিরিক্ত ফোর্সও দেওয়া হয়েছিলো। অপরাধীরা আইনের আওতায় না আসা পর্যন্ত আমাদের এই ধরনের অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলবে।”

প্রসঙ্গত, হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব ইন্টারনেট ব্যবসার আড়ালে জল্লারপাড় লেক এলাকায় মাদকের বিশার রাজ্য গড়ে তুলেছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হয়। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পিচ্চি হাবিবের নামে অন্তত ৫ থেকে ৬টি মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। পিচ্চি হাবিব নারায়ণগঞ্জের আলোচিত গডফাদার আজমেরি ওসমানের সহযোগী ১৭ নং ওয়ার্ডের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী সজীবের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় আজমেরি ওসমানের ঘনিষ্ঠ এই মাদক ব্যবসায়ী জল্লারপাড় লেক এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। জল্লারপাড় লেক এলাকায় মাদকের সাম্রাজ্যের সাথে ছিনতাই, এলাকায় নতুন বাড়ি-ঘড় নির্মাণ করলে মানুষের নিকট থেকে জোড় করে অর্থ হাতিয়ে নেয়াই ছিল পিচ্চি হাবিবের কাজ।

এবিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশিত হলে, হাবিব প্রতিবাদলীপি দিয়ে জানায়, সে ৩ বছর ধরে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে সেই সাথে সে আরও জানায়, মাদক ব্যবসা ছেড়ে সে ইন্টারনেট ব্যবসা করে। এলাকাবাসী জানায়, ইন্টার ব্যবসার আড়ালে ভয়ঙ্কর এই কিশোর গ্যাং লিডার, হিরোইন, ইয়াবা ব্যবসার রাম রাজত্ব কায়েম করে।

এলাকাবাসী জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডের জল্লারপাড় এলাকায় হাবিব ওরফে পিচ্চি হাবিব (মাদকসহ ৫/৭টি মামলার আসামি), একটা খুনি পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা ভয়ংকর সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গাং লিডার।

বাবা মৃত কমল মিয়া এক সময় পুলিশের সোর্স ছিলেন যে কিনা খুন হয় নিজ সৎ ছেলের হাতে। হাবিবের বড় ভাই মানিক এলাকার জনি নামের এক ছেলেকে খুন করে যাবজ্জীবন সাজায় জেল খাটছে।

নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের নেশায় আসক্ত করে বিভিন্ন অপকর্ম করানো তার মূল কাজ। এছাড়াও হাবিবের রয়েছে বিশাল একটি কিশোরগ্যাং গ্রুপ যা দিয়ে প্রতিদিন লেক পারে ছিনতাই করানো ওর অন্যতম কাজ।

হাবিব ৫ই আগস্ট এর আগে আজমীর ওসমানেরক্যাডার বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিলো। গণঅভ্যুত্থানের আগে এলাকায় বড় করে ১৫ আগস্ট পালন ও নাসিম ওসমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন এবং ওসমান পরিবারের পালিত ক্যাডারদের দাওয়াত করে মহড়া দেয়ার ছবি ও বিভিন্ন মিছিল মিটিং এর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর সে যোগ দেয় বিএনপিতে। এলাকার বিএনপি’র বিভিন্ন নেতা ও দেওভোগের অনেক নেতার দেখা মিলে হাবিবের অফিসে ও আড্ডায়। অনেকেই আসে হোন্ডার বহর নিয়ে যার ফলে এলাকার মানুষ ভয়ে মুখ খুলেনা। মানুষকে আতঙ্কে রাখতে হাবিবকে দেখা যায় নিজে বড় বড় ছুড়ি নিয়ে মহড়া দিতে।

হাবিবকে শেন্টার দিচ্ছে বিএনপি’র ক্যাডার গাল কাটা জাকিরের ছোট ভাই ডাকাত সজিব। ডিস বাবুর নির্দেশে ডাকাতি করতে যাওয়া সজিব ডাকাতি মামলায় ৯বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি, হাইকোর্ট থেকে আপিল করে জামিনে আছে। সদর থানায় ৪/৫ টির বেশি মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। হাবিব ও সজীব নারায়ণগঞ্জে আজমির ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত।

৫ আগস্টের পর সন্ত্রাসী ও তাদের গডফাদাররা এলাকা ছাড়লেও হাবিব এলাকায় আছে বহাল তবিয়তে। এর কারণ হাবিবের মাদক ব্যবসার অডেল টাকা ও তাদের দুজনের ক্ষমতা। মাদকের টাকায় হাবিব করেছে এলাকায় আলিশান দুইতালা বাড়ি। হাবিব ও সজীবের আয়ের উৎস হল তারা পাইকারি হিরোইন ইয়াবা ও গাজা ব্যবসায়ী।

ফতুল্লার বক্তাবলীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানঘর গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা

নিউজ প্রতিদিন ডটনেট : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ৮টি দোকানঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় একদল দুর্ধর্ষ চাঁদাবাজ ও তাদের সহযোগীরা। গতকাল ০৪ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে চর বক্তাবলী গোপালনগর এলাকায় এই বর্বরোচিত হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটে। শুধু ভাঙচুরই নয়, হামলাকারীরা নির্মাণাধীন সাইট থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী মীর মোঃ সওকত আলী (৭১) চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ২১ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, চর বক্তাবলী মৌজায় তাদের পৈত্রিক ও খরিদ সূত্রে মালিকানাধীন ২৪.৮০ শতাংশ জমিতে দোকানঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলে স্থানীয় ১নং বিবাদী মোঃ আবুল হোসেন মীর, তার ছেলে জিসাদ ও মোঃ কাশেমসহ একটি চক্র ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ইতিপূর্বে ২১ এপ্রিল রাতেও বিবাদীরা লোহার হাতুড়ি নিয়ে স্থাপনা ভাঙচুরের চেষ্টা এবং জীবননাশের হুমকি দেয়।

তার ছোট ভাই মীর নেওয়াজ আলী জানান, পুলিশের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর বিবাদীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গতকাল রাত ২টার দিকে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল আমারে বাড়ির সংলগ্ন ওই সম্পত্তিতে অনাধিকার প্রবেশ করে। তারা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ১০টি নির্মাণাধীন দোকানের দেয়াল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সাইটে থাকা নির্মাণ সামগ্রীসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

৭১ বছর বয়সী মীর শওকত আলী ও তার ভাই মীর নেওয়াজ আলীসহ তাদের পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিবাদীরা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে যে, এক সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ টাকা না দিলে তাদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ১ ও ২নং বিবাদী এলাকায় দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক হিসেবে পরিচিত এবং তাদের কোনো বৈধ পেশা না থাকলেও চাঁদাবাজি ও মামলাবাজির মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং চিহ্নিত চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। মীর নেওয়াজ আলী বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে গত ২১ এপ্রিল থানায় অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু সন্ত্রাসীরা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আমাদের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।