নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হকার ইস্যু নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও এমপি শামীম ওসমান সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাংসদ শামীম ওসমান। এ সময় বিএনপির ক্যাডাররা হকার ও আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর গুলি ছুড়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
শামীম ওসমান বলেন, নিয়াজুল কে এটা জানা দরকার। নিয়াজুল নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি বিশাল মার্কেটের মালিক। নিয়াজুল এক সময়ের আমার কর্মী ছিল। সে হলো আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম সুইটের ছোট ভাই। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে কারাগারে থাকা সুইটকে বাইরে এনে হত্যা করা হয়েছে। সেই সুইটের ভাই মঙ্গলবার বিকেলে একা একা হেঁটে আসার সময় মিছিল থেকে তিনবার মাটিতে ফেলে ১০ মিনিট ধরে পেটানো হয়। চতুর্থবার বাধ্য হয়ে নিয়াজুল লাইসেন্স করা পিস্তল বের করে। তার পিস্তলটি খোয়া গেছে কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। আর আইভীর বন্ধু আবু সুফিয়ান তার পেছন থেকে পিস্তল বের করেছে। এটা আমার কাছে ভিডিও ছবি রয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, মেয়র আইভী নিয়াজুলকে আমার লোক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। কিন্তু আইভী কাদের নিয়ে হকারদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছেন? মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, বিএনপির ক্যাডার সুমন, আর জোড়া খুনের মামলার আসামির লোকজন বেষ্টিত হয়ে মিছিল নিয়ে আসলো আইভী। তাদের মিছিলটি চাষাঢ়ায় আসার পর সুমন নামের একজনকে গুলি করতে দেখা গেছে। কে এ সুমন? আইভীর পেছনে থাকা পিস্তল হাতে নিয়ে সুমন নামে যেই লোকটি গুলি করছেন সে যুবদলের।









উল্লেখ্য যে গত শুক্রবার জুন্মার নামাজ শেষে ফতুল্লার দেলপাড়া এলাকাসহ আশে পাশের মুসুল্লীরা হাসানের গ্রেপ্তারের দাবীতে তার বাড়ী ঘেরাও করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এসংবাদ পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্হলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং হাসানের বাড়ীতে অভিযান চালান, এসময় হাসানের বড় ভাই হেদায়েত উল ইসলাম ছাড়া অন্য সদস্যরা আত্নগোপনে চলে যায় পরে পু্লিশ হেদায়েত কে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সোনারগাঁও থানাধীন মেঘনাঘাট এলাকায় চেকপোষ্ট পুলিশ হাসান উল ইসলাম কে আটক করেন এবং ফতুল্লা থানায় সোর্পদ করেন। শনিবার রাতে এঘটনায় কুতুবপুর ইউনিয়নের ভূৃইঘর এলাকাস্হ আল আরাফা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ছিদ্দিকুল্লাহ্ বাদী হয়ে হাসানের বিরুদ্ধে আইসিটি এ্যাক্টের ৫৭ ধারায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ হাসান কে জিঙ্গাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করে রোববার আদালতে পাঠালে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিকে একটি সুএে জানা গেছে ধৃত হাসান উল ইসলাম ছোট বেলায় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে তার বাম পা একটু বাকাঁ হয়ে যায়, এই কারনে তার পরিবার তাকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যায় এর পরে বেশ কয়েকমাস ভারতে চিকিৎসা করিয়েও তার পাঁ আর স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসেনি।
