একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারকে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। এ তালিকায় রয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী,ভারতের প্রধানমন্ত্রী,পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খোয়াছিয়াং।
আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে চীনের তৈরি নৌকা উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত।
ভারতের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং,ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে তাঁর দল বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় টেলিফোন করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মোদি।
এর আগে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব সোমবার সকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন দিয়ে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় অভিনন্দন জানান।


এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় রাইফেল ক্লাবে শামীম ওসমান বলেন,যতগুলো জায়গায় গিয়েছি, মানুষের যা সেন্টিমেন্ট দেখেছি,আমার মনে হয়েছে, মানুষের চোখের ইশারা,হাসি তো আমরা বুঝি। হাসির ইশারা দেখে বুঝেছি,উপস্থিতি শতকরা ৭৫ পার্সেন্ট থেকে ৮০ পার্সেন্ট মানুষে শেখ হাসিনাকে ভালবাসেন এবং নৌকাকে ভালবাসেন।
শামীম ওসমান গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনেও এই আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের এই হেভিওয়েট নেতা। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করাকালিন সময়ে তিনি উন্নয়নের রূপকার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন।
এবাবের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৬ লাখ ৫১ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ২৯ হাজার ৬শ’৩৭ জন এবং নারী ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ৪শ’৬২জন। মোট ভোট কেন্দ্র সংখ্যা হচ্ছে ফতুল্লায় ১৫৫ এবং সিদ্ধিরগঞ্জ ৬১। এর মধ্যে ঝূকিপূর্ণ কেন্দ্র ফতুল্লায় ১১৩,সিদ্ধিরগঞ্জে ৫৮টি এবং ৭ টি সিদ্ধিরগঞ্জে,ফতুল্লায় ৪২ টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।





