১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 109

শেখ হাসিনাকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের শুভেচ্ছা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারকে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। এ তালিকায় রয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী,ভারতের প্রধানমন্ত্রী,পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতারা।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খোয়াছিয়াং।
আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের নিরঙ্কুশ বিজয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে চীনের তৈরি নৌকা উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত।

ভারতের বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং,ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে তাঁর দল বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় টেলিফোন করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান মোদি।
এর আগে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব সোমবার সকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন দিয়ে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় অভিনন্দন জানান।

সপরিবারে ভোট দিলেন সফল এমপি শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সফল এমপি শামীম ওসমান ফতুল্লায় ধর্মগঞ্জ এলাকায় ভোট দিয়েছেন। ৩০ ডিসেম্বর রোববার দুপুরে তিনি স্বপরিবারে ভোট দেন।

এর আগে নির্বাচনগুলোতে তার ভোটকেন্দ্র ছিল শহরের বার একাডেমী স্কুলে। এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ তার ভোট কেন্দ্র ছিল ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকাতে সোনার বাংলা সংসদের অস্থায়ী কেন্দ্রে।

দুপুরে শামীম ওসমান,তার স্ত্রী সালমা ওসমান, ছেলে অয়ন ওসমান ও মেয়ে উপস্থিত হয়ে ভোট দেন।
এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় রাইফেল ক্লাবে শামীম ওসমান বলেন,যতগুলো জায়গায় গিয়েছি, মানুষের যা সেন্টিমেন্ট দেখেছি,আমার মনে হয়েছে, মানুষের চোখের ইশারা,হাসি তো আমরা বুঝি। হাসির ইশারা দেখে বুঝেছি,উপস্থিতি শতকরা ৭৫ পার্সেন্ট থেকে ৮০ পার্সেন্ট মানুষে শেখ হাসিনাকে ভালবাসেন এবং নৌকাকে ভালবাসেন।

ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রসঙ্গে শামীম ওসমান বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা সামাল দিতে পারে নাই ভোটার স্লিপ সাপ্লাই দিয়ে। আমার জানামতে ২১৬ টি সেন্টারেই ধানের শীষের পোলিং এজেন্টরা আছেন। কোথাও মুখ খারাপ হয় নাই,কোথাও ধাক্কাধাক্কি হয় নাই।
শামীম ওসমান গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনেও এই আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের এই হেভিওয়েট নেতা। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করাকালিন সময়ে তিনি উন্নয়নের রূপকার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন।
এবাবের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৬ লাখ ৫১ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ২৯ হাজার ৬শ’৩৭ জন এবং নারী ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ৪শ’৬২জন। মোট ভোট কেন্দ্র সংখ্যা হচ্ছে ফতুল্লায় ১৫৫ এবং সিদ্ধিরগঞ্জ ৬১। এর মধ্যে ঝূকিপূর্ণ কেন্দ্র ফতুল্লায় ১১৩,সিদ্ধিরগঞ্জে ৫৮টি এবং ৭ টি সিদ্ধিরগঞ্জে,ফতুল্লায় ৪২ টি সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

চতুর্থবার প্রধাণমন্ত্রী নির্বাচিত হচ্ছেন শেখ হাসিনা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার চতুর্থবারের মত নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন। বাংলাদেশে দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখায় রেকর্ড গড়ে জয়ী হতে পারেন তিনি।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,আজ রবিবার বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে রেকর্ড গড়ে নির্বাচিত হতে পারেন শেখ হাসিনা। তবে তার সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মী ও বিরোধী দলের নেতাদের হেনস্তা করেছে ক্ষমতাসীন সরকার।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রয়েছেন ৭১ বছর বয়সী শেখ হাসিনা। ২০০৯ সাল থেকে দেশ চালাচ্ছে তার দল। মাঝে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে প্রধান বিরোধী দলসহ অনেকে। ফলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। টানা দুই মেয়াদে দেশের ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে বর্তমান সরকার,দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যা উল্লেখযোগ্য।

এ কারণে ফের নির্বাচিত হতে পারেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। মার্কিন গণমাধ্যমটিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া। তিনি কারাবন্দী থাকায় এবারের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। কিন্তু তার দল নির্বাচনী মাঠে রয়েছে। জোরেশোরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে দলটি। তবুও তাদের হারিয়ে রেকর্ড টানা তিনবার ক্ষমতায় আসতে পারেন শেখ হাসিনা। তবে বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচনে সহিংসতা প্রতিরোধে সারা দেশে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দাবি-সুষ্ঠু,সুন্দর, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে। নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। গত অক্টোবরে সংসদে পাস হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। সিএনএনের দাবি, বিতর্কিত আইনটির কারণে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলাখুলিভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করার সাহস পাবে না জনগণ। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে,নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছে গণমাধ্যমটি।

ধানের শীষের এজেন্ট না এলে কী করার: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)কে এম নুরুল হুদা বলেছেন,ধানের শীষের এজেন্টরা কেন্দ্রে না আসলে কী করার? তাঁরা কেন্দ্রে কেন আসেননি বা কেন কোনো এজেন্ট নেই,সেটা প্রার্থীর নির্ধারিত এজেন্টরাই বলতে পারবেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ রোববার রাজধানীর উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে এলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে কেন্দ্রটিতে ভোট দিতে আসেন কে এম নুরুল হুদা। সাংবাদিকেরা তাঁর কাছে জানতে চান,কেন্দ্রে কেন ধানের শীষের কোনো এজেন্ট নেই?

জবাব দিতে গিয়ে সিইসি আরও বলেন,তাঁরা (ধানের শীষের এজেন্ট) কেন আসতে পারেননি,তা তিনি জানেন না। তবে পোলিং এজেন্টদের কেউ আসতে পারছেন না, বা তাঁদের আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে—এমন কোনো অভিযোগ তাঁদের কাছে করেননি। আইইএস স্কুল কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট আছে কি না,এ বিষয়টি তিনি (সিইসি) খেয়াল করেননি। এ নিয়ে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকেও জিজ্ঞাসা করা হয়নি বলে জানান তিনি।

সারা দেশে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে কে এম নুরুল হুদা বলেন,এখন পর্যন্ত সারা দেশে নির্বাচনের পরিবেশ ভালো। কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে সেগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইইএস স্কুল কেন্দ্রের নির্বাচনী পরিবেশও ভালো বলে তিনি জানান।

দেশের বিভিন্ন জায়গার ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনারকে অবগত করে,এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, কেন্দ্রগুলোতে নিয়োজিত পুলিশ,আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া আছে।

সারা দেশের সব কেন্দ্র ঢাকায় বসে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না জানিয়ে সিইসি বলেন,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকবে। বিশৃঙ্খলা হওয়া কেন্দ্রগুলোতে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ ভালো হলে আবার কেন্দ্রগুলোতে ভোট চালু করা হবে। তবে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাই তাঁদের দায়িত্ব পালনে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।

কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রে গোপন কক্ষ খোলা রেখে ভোটারদের ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে—এই অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এমনটা হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তা এমনটা করতে পারেন না

এবারের নির্বাচন আগের বারের নির্বাচনের কালিমা ঘোচাতে পারবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন,নির্বাচন শেষ হোক। এর আগে কিছু বলা যাবে না। তবে কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি ভালো।

ভোট না দিয়ে ফিরে গেলেন মির্জা আব্বাস ও স্ত্রী আফরোজা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে এসেছেন। একই সময় ঢাকা-৯ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও ভোট দেননি।

রোববার (৩০ ডিসেম্বর) পৌনে ১২টার দিকে শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েও বের হয়ে আসেন তিনি।

বাইরে এসে সাংবাদিকদের বলেন, এখানে সাধারণ জনগণ ভোট দিতে পারছে না। ভোটগ্রহণে ব্যাপক অনিয়ম চলছে। এর প্রতিবাদে আমি আমার স্ত্রী ভোট দেইনি।

এসময় সঙ্গে ছিলেন, তার স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি ও ঢাকা-৯ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা আব্বাস। তারা দু’জনেই ভোট দেননি।

নির্বাচনকে হাতিয়ার বানিয়ে কেউ যাতে এদেশকে সংঘাত রক্তপাতে পরিণত করতে না পারে-ড.এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

নির্বাচন নিয়ে ২৮ ডিসেম্বর(শুক্রবার) জুম্মা পুর্বক বয়ানে তাহরিকে খাতমে নুবুওয়্যাত বাংলাদেশের আমীর,আল্লামা মুফতী ড.সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ওয়া সিদ্দিকী পীর সাহেব জৈনপুরী হুজুর বলেন- আগামী ৩০ ডিসেম্বর আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে কোন বিজাতী শক্তি যাতে আমাদের মধ্যে সংঘাত রক্তপাত তৈরী করে দেশকে অশান্ত করতে না পারে সেই দিকে দেশের বড়, ছোট সব দলকেই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ সিরিয়া,আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইরাকসহ পৃথিবীর মুসলিম ভাই ভাই দেশের মধ্যে মানবতার শত্রু যুক্তরাষ্ট্র ঝগড়া লাগিয়ে নিজ স্বার্থ হাসিল করে সেই দেশগুলো থেকে স্বর্ণ,তৈল প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ হাতিয়ে নিয়ে গেছে । আর সেই শকুনদের কালো দৃষ্টি কিন্তু দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম বাংলাদেশের প্রতিও রয়েছে। তা বেমালুম ভুলে গেলে চলবেনা কারণ এই দেশে প্রচুর পরিমাণ খনিজ সম্পদে বড়পূর। শুধু তাই নয় মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একাংশ নিয়ে বিশেষ করে পার্বত্যচট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইত্যাদি নিয়ে একটি খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানাবার যে মিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তাও কিন্তু ভুলে গেলে হবেনা । আর তাদের মিশনকে বাস্তবায়ন করার জন্য এই শকুনের দলগুলো ৩০ তারিখকে টার্ণিং পয়েন্ট হিসেবে ব্যাবহার করতে চাইবে তাই আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে আমরা ভাই ভাই রক্তপাতে লিপ্ত না হইবসেই দিকে সতর্ক থাকতে হবে। আর স্বরণে রাখতে হবে যেই নেতা নেত্রির কথা শুনে প্রতিবেশি ভাইয়ের মাথায় লাঠি চালাচ্ছি সেই প্রতিবেশিই একদিন আমার বিপদে ঝাপিয়ে পড়বে। আর সেই স্বার্থবাদী ধান্ধাবাজ নেতাকর্মীরা হবে নিরুদ্ধেশ! তাই সামান্য পেটনীতির জন্য কোন ধরণের মারামারি হানাহানি নয়। বরং আচরণ হবে একজন মুসলমান আদর্শ নাগরিক এবং উত্তম চরিত্রবানদের মত।
আমরা মুসলমান আর ইসলাম আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি পারস্পরিক সংঘাত দূরত্ব কমানোর ব্যাপারে আদেশ করে। শুধু তাই নয় ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার প্রতি কঠোরভাবে আদেশ করে এবং একজন মুসলমান আরেক মুসলমান দ্বারা যেন নির্যাতিত না হয়, কেউ কারো সম্মান নষ্ট না করে সেই দিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আদেশ প্রদান করে। আমাদেরকে স্বরণ রাখতে হবে মুসলমানদের মধ্যে কাফের মুশরেক ঝগড়া লাগিয়ে তারা ফায়দা হাসিল করে নেয়। বিগতকালে মুসলমানদের মধ্যে যে ঝগড়া হয়েছিল তার মূলে ষড়যন্ত্র করেছিল মুনাফেক কাফেররা।
যেমন সিফফিনের যুদ্ধ, আব্বাসী খিলাফত ধ্বংস কালে বাগদানের যুদ্ধসহ বিভিন্ন যুদ্ধে ইন্ধন দিয়েছিল কাফের মুনাফেক শক্তিরা।
সুতরাং অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ। যেই জমীনে শুয়ে আছেন হযরত শাহ্‌ জালাল(রহঃ), হযরত শাহ্‌ পরান (রহঃ), হযরত শাহ্‌ কারামাত আলী জৈনপুরী(রহঃ), ৩৬০ আউলিয়াসহ অসংখ্য আল্লাহ ওলারা এই জমীনে শুয়ে আছেন। তাই এই জমিনকে কেউ যাতে ফিলিস্থিন,আফগানিস্থান, সিরিয়ারমত চূর্ণবিচূর্ণ করতে না পারে সেই দিকে সকলে সতর্ক থাকতে হবে।

পরিশেষে দেশ ও জাতীর কল্যাণে দোয়া পরিচালিত হয়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা : ম্যাগাজিন টাইম

ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর- রোববারের নির্বাচনের মাধ্যমে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। দুই মেয়াদে তার সরকারের ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞের ফলে এবারের নির্বাচনেও ভোটাররা শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকেই বেছে নেবেন। প্রভাবশালী মার্কিন ম্যাগাজিন টাইম এক প্রতিবেদনে এমন আভাস দিয়েছে। তবে ওই প্রতিবেদনে ভঙ্গুর গণতন্ত্রের বিনিময়ে বাংলাদেশের অসাধারণ অর্থনৈতিক সফলতা নিয়ে শেখ হাসিনার সমালোচকদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে বলেও জানিয়েছে টাইম।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের ১১তম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামী রোববার। অক্সফোর্ড পড়ুয়া ও সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী ৮২ বছর বয়সী কামাল হোসাইন নেতৃত্বাধীন ঐক্যবদ্ধ বিরোধী শিবির ঐক্যফ্রন্টের মুখোমুখি হয়েছেন ৭১ বছরের শেখ হাসিনা।

তবে শেখ হাসিনার আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী ৭৪ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রধান খালেদা দুর্নীতির দায়ে ১৭ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ভোগ করছেন। ঢাকার আদালত তাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অযোগ্য ঘোষণা করেছেন।

কয়েক দশক ধরে পালাক্রমে ক্ষমতা এবং কারাগারের ভেতরে বাইরে রয়েছেন শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়া। ১৬ কোটি মুসলিম অধ্যুষিত নাগরিকের দেশে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছেন। তবে ২০১৪ সালে দেশটির নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, ওই বছরের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে মাত্র ২২ শতাংশ। সংসদের ৩০০ আসনের অর্ধেকের বেশিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনী সহিংসতায় কয়েক ডজন মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

তবে এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১০ কোটিরও বেশি। বিশ্বের অন্যতম গণতান্ত্রিক এই দেশটিতে প্রতি ১০ জনের একজন তরুণ ভোটার। এদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন প্রথমবারের মতো এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের এক দশকের শাসনের পর খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতাকালীন প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী কামাল হোসাইন শেখ হাসিনার প্রাথমিক চ্যালেঞ্জার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণীর স্বার্থকে আকৃষ্ট করছে কামাল হোসাইনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক আলী রিয়াজ টাইম ম্যাগাজিনকে বলেন, উন্নয়ন বলতে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকেই বোঝায় না, এর একটি বৃহৎ অর্থ রয়েছে; যার মধ্যে মানবাধিকার, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা এবং সুশাসনও রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে এসবের অনুপস্থিতি রয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী কাশেমীকে দেখতে হাসপাতালে এসপি হারুন

স্টাফ রিপোর্টার (যুগের চিন্তা ২৪) : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচেনর নারায়নগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাশেমী অসুস্থতার সংবাদ পেয়ে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে দেখতে যান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।  

এসময় এসপি প্রার্থীর শারিরীক অসুস্থতার খোঁজ খবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। 

নারায়ণগঞ্জ পুলিশের জেলা বিশেষ শাখা মিডিয়া অফিসার (ডিআই-২) সাজ্জাদ রোমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) প্রচারণার শেষ দিনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মনির হোসাইন কাশেমী জানান, তিনি ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান। কিন্তু কি ধরণের অসুস্থতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে গেছেন তা জানাননি কাশেমীয়। এরপরই তাকে দেখতে এসপি হাসপাতালে যান।

সিদ্ধিরগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বাসা থেকে মুক্তা আক্তার (২৫) নামে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী কাউছার আহম্মেদ (৩০) পলাতক রয়েছে। পুলিশের ধারণা পারিবারিক কলহের জের ধরে তার স্বামী তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
শুক্রবার বেলা ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ ধনকুন্ডা এলাকার বাসা থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত মুক্তা আক্তার কুমিল্লা জাহাপুর এলাকার জয়নাল আবেদীনের মেয়ে। সে প্রোগ্রেস অ্যাপারেলস নামে পোশাক কারখানার শ্রমিক।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন শাহ পারভেজ জানান, এক মাস আগে স্বামী স্ত্রী দুইজনে বাসা ভাড়া নিয়ে এখানে বসবাস শুরু করে। ধারণা করা যাচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বাী কাউছার আহম্মেদ তার স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান, স্বামীকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নারায়ণগঞ্জ ৫টি আসনে নৌকা-২, ধানের শীষ-২ ও লাঙ্গল-১

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। নারায়ণগঞ্জে ভোট হবে ৫টি আসনে। বর্তমান অবস্থায় ভোট হলে এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের নৌকা মার্কার প্রার্থীদের ২টি আসন পাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের আগাম পূর্বাভাস ২টি আসন এবং জাতীয় পার্টির লাঙল ১টি আসন। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের নিজস্ব এক জরিপে এ চিত্র উঠে আসে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত কয়েকদিনে মূলত তারা দৈবচয়ন পদ্ধতিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মতামত নিয়ে এই জরিপ করেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা-উপজেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলের নারী-পুরুষ ভোটার,নতুন ভোটার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেয়া হয়। এই জরিপে‘আন্তর্জাতিক মানদন্ড’ পুরোপুরি ফলো করা হয়নি;তবে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মতামত নেয়ার সময় তাদের রাজনৈতিক পরিচিতি-বিশ্বাস,ধর্মীয় বিশ্বাস এবং আর্থিক মানদন্ডে বাছবিচার করা হয়নি। নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি আসনের ভোটারের মতামতেই এই চিত্র উঠে আসে।

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবু ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে একেএম শামীম ওসমান এগিয়ে রয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনটিতে এগিয়ে আছেন ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির সেলিম ওসমান এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে কাজী মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ) ও গোলাম দস্তগীর গাজী (নৌকা) এর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেলেও কাজী মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ) এগিয়ে আছে জরিপে উঠে আসে।

এই মতামত জরিপ করা হয়েছে মূলত:আসনভিত্তিক।