নিউজ প্রতিদিন : নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) জসিম উদ্দিন সুস্থ রয়েছেন। কিছুটা শারিরিক অসুস্থতা দেখা দিলে তার করোনা (কোভিড-১৯) টেস্ট করা হলেও সেটির ফলাফল নেগেটিভ এসেছে, ফলে তিনি করোনা আক্রান্ত নন এবং সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
তবে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন জাহিদুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে জাহিদুল ইসলামের সাথে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহ বিভিন্ন স্থানে বৈঠকে অংশ নেয়ায় সতর্কতামূলক হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম, জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) মোহাম্মদ ইমতিয়াজসহ জেলার বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী। তবে তারা বাড়িতে থেকেও নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা, জেলা সিভিল সার্জন (সিএস) মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ও জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন জাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা জানান, আমাদের জেলা প্রশাসকের যে সতর্কতামূলক টেস্ট হয়েছিল সেটির রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি সুস্থ আছেন এবং আপাতত বাড়িতে থেকেই কাজ সম্পন্ন করছেন। জেলা প্রশাসনের সকল ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, নিয়মিত অভিযান, টহল এবং অফিসিয়াল কাজও চলছে। জেলাবাসী যদি একটু সতর্ক হয় এবং ঘরে থাকে তাহলে এই সংকট থেকে আমরা দ্রুতই উত্তরণ করতে পারবো বলে আশা করছি।
এদিকে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম, জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক সুস্থ রয়েছেন এবং তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে এবং জনগনের সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানান।







স্থানীয়রা জানায়, নাগেরহাট গ্রামের হারুন বেপারী (৫৭) পিতা আব্দুল জলিল তিনি গত- ০৫-০৪-২০ইং তারিখে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে নিয়ে রাজধানীর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরিবারের লোকজনের আশংকা ছিলো হারুন বেপারীর শরীরে করোনার ভাইরাসের উপস্থিতি আছে। তারা দ্রুত আইইডিসিআরের সাথে যোগাযোগ করে । আইইডিসিআর মৃত হারুন বেপারীরর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য প্রেরন করে। পরবর্তীতে মৃত হারুন বেপারীকে লৌহজং উপজেলার নাগেরহাটের সাত ঘরিয়া গোরস্তানে দাফন করা হয়। মঙ্গলবার ওই মৃত ব্যক্তির রিপোর্টে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতির বিষয়টি উঠে আসে।
এছাড়াও বিদেশ ফেরত প্রবাসী ও করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা ব্যাক্তিবর্গকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টাইন অথবা নিজ ঘরে আলাদা থাকারও অনুরোধ জানান তারা।
