১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 131

নিয়ম ব‌র্হিভূতভা‌বে অ‌বৈধ ক‌মি‌টি ঘোষণার মাধ্য‌মে আ‌লো‌কিত বক্তাবলীর বিরু‌দ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আব্দুল আজিজ।

ফতুল্লার বক্তাবলীতে সামাজিক সংগঠন ‘আলোকিত বক্তাবলী’ আহবায়ক কমিটির অনুমোদনবিহীন কমিটি গঠনের ঘোষনা দেয়ায় অবৈধ কমিটি হিসাবে আখ্যায়িত করলেন সংগঠনের আহবায়ক কমিটি। সংগঠনের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজের একক সিদ্ধান্তে মন গড়া কমিটি গঠন করে সাদা কাগজে লেখা কমিটির তালিকা তৈরি করে বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সংগঠনের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে। কে বা কাহার মাধ্যমে কমিটির অনুমোদন দিয়েছে তা কারো কাছে বোধগম্য নয় বলে আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছে। তবে গনতান্ত্রিক ভাবে অচিরেই সংগঠনের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করে একটি গ্রহন যোগ্য কমিটি উপহার দিবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের আহবায়ক কমিটির আহবায়ক।

জানা গেছে, বিগত ৪/৫ বছর আগে সামাজিক সংগঠন আলোকিত বক্তাবলী নামক একটি সংগঠন গঠিত হয়। ঐ সময় এলাকার সর্বস্তরের জনগনের সম্মতিক্রমে সংগঠনের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। আর সকলের সম্মতিক্রমে এড. আল আমীন সিদ্দিকীকে সভাপতি ও আব্দুল আজিজকে সাধারন সম্পাদক করে আলোকিত বক্তাবলীর কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন তাদের নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংগঠনের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে চলতি মাসের ১১ তারিখে একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। আর সেই আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় সংগঠনের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এবং আলোকিত বক্তাবলীর উপদেষ্টা বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত আলী। আর আহবায়ক কমিটি নেতৃবৃন্দরা সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ করে আহবায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়াই একটি কমিটি ঘোষনা করে গনমাধ্যমে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে দেয়া হয় এবং সংবাদ প্রকাশও হয়। আর সংবাদ প্রকাশের পর সংগঠনের আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দরা কমিটি গঠন নিয়ে ভিন্নমত পোষন করে এবং অবৈধ কমিটি হিসাবে ঘোষনা করেছেন। আর মনগড়া কমিটি গঠনে করায় দুই পক্ষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে এবং সংগঠনটি ভাঙ্গনের উপক্রম হয়ে পড়েছে।

আলোকিত বক্তাবলীর আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ জানান, কে বা কাহারা আলোকিত বক্তাবলীর কমিটি গঠন করেছে তা বোধগম্য নয়। যদি কেউ কমিটি ঘোষনা করে থাকে তাহলে সেই কমিটি হবে সস্পন্ন অবৈধ কমিটি। আলোকিত বক্তাবলীর আহবায়ক কমিটি গনতন্ত্র প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি ঘোষনা করা হবে।

আলোকিত বক্তাবলীর আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন জানান, সংগঠনের আহবায়ক কমিটিকে না জানিয়ে কে বা কাহারা কমিটি গঠন করে গনমাধ্যমে প্রকাশ করেছে তা যুক্তিসম্মত নয়। একটি সংগঠনের কমিটি গঠন করা নিয়ে যে ধরনের তামাশা সৃষ্টি করেছে তা হাস্যকর ব্যাপার। সংগঠনের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজ আহবায়ক কমিটি কেউ না হওয়া সত্বেও একক সিদ্ধান্তে তার পছন্দের লোক দিয়ে কমিটি গঠন করেছে যা পুরোপুরি অবৈধ। তাই ঐ কমিটির কার্যক্রম করতে পারবে না। আমরা খুব শিগ্রই আলোকিত বক্তাবলীর কমিটি গঠন করে সবার গ্রহন যোগ্য একটি কমিটি উপহার দিবো।

আলোকিত বক্তাবলীর আহবায়ক কমিটির আহবায়ক মাশফীকুর রহমান শিশির জানান,
গনমাধ্যমে জানতে পেরেছি আলোকিত বক্তাবলীর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু
আমি সংগঠনের আহবায়ক হিসাবে কমিটির বিষয়ে কিছুই জানি না। এ কমিটি কিভাবে গঠন করলো আর কমিটির কে অনুমোদন দিয়েছে আমার বোধগম্য নয়। তাই আলোকিত বক্তাবলী কমিটি গঠন করা হয়েছে তা সস্পন্ন অবৈধ।
আহবায়ক কমিটির লোকজন বুজে শুনে গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় শিগ্রই পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে দায়িত্ব বুজিয়ে দেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, আব্দুল আজিজ সংগঠনের সাবেক সাধারন সম্পাদক হওয়া সত্বেও আহবায়ক কমিটিকে কোন কিছুর তোয়াক্বা না করে পকেট কমিটি গঠন করে সংগঠনের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে। আর বতর্মানে সংগঠনের আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম চলছে এবং চলবে। আমরা খুব শিগ্রই আইনগত ভাবে সংগঠনের কমিটি গঠন করা হবে।

 

কক্সবাজারে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের ‍গুলিতে মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. মেহেদী হাসান বলেন, শুক্রবার ভোরে টেকনাফ সদরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সড়কে গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে।র‌্যাব জানায়, টেকনাফ থেকে মাইক্রোবাসে ইয়াবার একটি চালান ঢাকা নেয়া হচ্ছিল। সংবাদ পেয়ে টেকনাফে অস্থায়ী তল্লাশিচৌকি বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে র‌্যাব।

একপর্যায়ে একটি মাইক্রোবাস থামানোর নির্দেশ দেয় র‌্যাব। কিন্তু মাইক্রোবাসটি না থামিয়ে চালক র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এ সময় র‌্যাবও গুলি ছুড়লে ওই গাড়িতে থাকা এক ব্যক্তি নিহত হন।নিহতের পকেটে একটি কাগজ পাওয়া গেছে, তাতে তার নাম আজিজুর রহমান আজাদ বলে জানা গেছে।র‌্যাব আরও জানায়, ঘটনাস্থল থেকে ৬৮ হাজার ইয়াবা, একটি অগ্নিদগ্ধ গাড়ি ও একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচাবেন যেভাবে

বর্তমান এই প্রযুক্তিনির্ভর যুগে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন না এমন মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ফোনের ইন্টার্নাল স্টোরেজ যেন সবসময়ই কম মনে হয়। এক্ষেত্রে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অনেকটা জায়গা বাঁচিয়ে নেয়া যায়। চলুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে।

১. ক্যাশে ও ডেটা ক্লিয়ার
ফোনের অ্যাপ ম্যানেজারে যান। সেখানে গিয়ে অ্যাপগুলো সিলেক্ট করুন। তারপর তার ডেটা ও ক্যাশে ডিলিট করুন। এতে পুরোনো অ্যাপ পছন্দ মুছে গেলেও একসঙ্গে অনেক জিবি বেঁচে যায়। তবে মনে রাখবেন, অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাশে বাড়বে এবং আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সাইজ বাড়বে।

২. পুরোনো ডাউনলোড ডিলিট
অনেক সময়ই আমরা বহু ফাইল ডাউনলোডের পর তা ডিলিট করতে ভুলে যায়। এর ফলে ওই ফাইলগুলো জায়গা নিয়ে বসে থাকে। তাই একদিন সময় করে ডাউনলোডস ফোল্ডারে যান। পুরোনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সিলেক্ট করে দিন ডিলিট টিপে। দেখবেন, অনেকটা হালকা হবে ফোনটি!

৩. লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন
ফেসবুক, মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপগুলোর কিন্তু লাইট ভার্সন রয়েছে। এর ফলে আপনার স্মার্টফোনের স্টোরেজ বাড়ে এবং ওএস-ও ফাস্ট কাজ করে।

৪. এসডি কার্ডে অ্যাপ ইনস্টল
সবসময় স্মার্টফোনের ওএস-এর উপর চাপ কেন দেবেন? কিছু অ্যাপ মাইক্রো এসডি কার্ডে পাঠিয়ে দিন। এতে জায়গাও বাঁচবে এবং স্মার্টফোনটি দ্রুত কাজও করবে।

৫. গুগল ফটোস
সাধারণ গ্যালারি স্টোরেজ না বাড়িয়ে গুগল ফটোসে ফটো ব্যাকআপ করাই যেতে পারে। এর মাধ্যমে যখন ইচ্ছা ফটো দেখতেও পারবেন পাশাপাশি এডিটও করতে পারবেন। বাড়তি পাওনা গ্যালারি স্টোরেজ কমবে।

দেশ ও দেশের বাইরের সকল মুসলমানকে ঈদ মোবারক-আলী আহমেদ রাজু

সমগ্র মুসলিম জাহানের জন্যে আনন্দের সওগাত নিয়ে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। মুসলিম উম্মাহ’র সবচেয়ে বড় এই উৎসবে ধনী-দরিদ্র, উঁচু-নিচু সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে মহানন্দে মেতে উঠার আহবানে, দেশ ও দেশের বাইরে সকল মুসলমানকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল আযহার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ঈদ আনন্দে রঙ্গিন হয়ে উঠুক প্রতিটি হৃদয়। সুস্থ্য দেহ ও সুন্দর মন নিয়ে সবাই যাতে এই মহানন্দে শরীক হতে পারে সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করি। আমীন ॥

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বনানীতে বিএনপির বিক্ষোভ

দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে রাজধানীর বনানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি।

শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়।মিছিলটি কামাল আতাতুর্ক রোড থেকে শুরু হয়ে কাকলী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা মিছিলে অংশ করেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আক্তারুজ্জামানের আদালত বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর থেকে তিনি নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে আছেন।

সিদ্ধিরগঞ্জে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক স্বামী আটক

সিজস্ব প্রতিবেদকঃ  নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নেশাগ্রস্থ স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল চৌধুরিবাড়ি শান্তিনগর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে। এবং লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় গোদনাইল শান্তিনগর এলাকায় কামাল উদ্দিনের বাড়িতে স্বামীর হাতে গৃহবধু খুন হয়। নিহত ওই গৃহবধুর নাম আলো (২২)। সে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার শেলামতি গ্রামের মৃত রফিকের মেয়ে। এ ঘটনায় আমরা গৃহবধুর স্বামী জনিকে আটক করেছি। জনি শান্তিনগর এলাকার বাবুলে ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে আমরা একটি ঘুরির নাটাই ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করেছি। ধারণা করা হচ্ছে এই নাটাই দিয়ে পিটিয়েই গৃহবধু আলোকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও লাশের শরিরে একাধিক আগাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আমরা লাশ উদ্ধার রে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছি।

এদিকে নিহত ওই গৃহবধুর মামা আদর জানায় আলোর মা-বাবার মৃত্যুর পর একমাত্র ভাগ্নিকে তারাই লালন পালন করেন। পরবর্তীতে গত ৫বছর আগে জনির কাছে বিয়ে দেন ভাগ্নিকে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তার ভাগ্নিকে মারধর করতো জনি ও তার পরিবার। সম্প্রতি জনির পরিবার আমাদের কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। আর এজন্যই আমার ভাগ্নিকে হত্যা করা হয়। তাছাড়া জনি নেশাগ্রস্থও ছিলো। আমার ভাগ্নির একটি দু বছরের ছেলে রয়েছে। তার ভরন পোষনও সে ঠিকমতো দিতোনা বিধায় আলো একটি গার্মেন্টে কাজ করতো। সম্প্রতি জনিকে একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা করিয়ে আনা হয়েছিলো। তদুপরিও সে নেশা থেকে মুক্ত হতে পারে নি। গত রাতেও সে নেশাগ্রস্থ ছিলো বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা আমার ভাগ্নির হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।

ঈদ আনন্দে রঙ্গিন হয়ে উঠুক প্রতিটি হৃদয়-আব্দুুল জলিল

মুসলিম উম্মাহ’র সবচেয়ে বড় এই উৎসবে ধনী-দরিদ্র, উঁচু-নিচু সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে মহানন্দে মেতে উঠার আহবানে, দেশ ও দেশের বাইরে সকল মুসলমানকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল আযহার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ঈদ আনন্দে রঙ্গিন হয়ে উঠুক প্রতিটি হৃদয়।

ঈদের দিন খালেদা জিয়াকে বাসার খাবার খেতে না দেয়া অমানবিক: মির্জা আলমগীর

কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ঈদের দিন বাসা থেকে নেয়া খাবার খেতে না দিয়ে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য দুপুরে বাসা থেকে ঈদের খাবার নিয়ে যান। তারা সেখানে যাওয়ার পরেই বলা হয়, ৬ জনের বেশি দেখা করতে পারবেন না এবং খাবার নিয়ে যাওয়া যাবে না। কারা কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার জানিয়ে দেয় এ বিষয়ে সরকারের নির্দেশ আছে।

তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত অমানবিক ঘটনা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটা নজিরবিহীন ঘটনা। আজ পর্যন্ত এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ার পর পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। কারাগারে এটি তার দ্বিতীয় ঈদ।

গত ঈদুল ফিতরের মতো ঈদুল আজহায়ও পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তার সঙ্গে কারাগারে দেখা করেন।

এ ঈদে কারাগারের ভেতরে ছয়জন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন। তারা হলেন- খালেদা জিয়ার বড় বোন সেলিনা ইসলাম, ভগ্নিপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, নানতি জাহিয়া রহমান, ভাই সাঈদ এস্কান্দরের স্ত্রী নাসরিন সাঈদ ও তারেক রহমানের স্ত্রীর বোন শাহিনা খান।

দেশ ও দেশের বাইরের সকল মুসলমানকে ঈদ মোবারক-জসিমউদ্দিন

সমগ্র মুসলিম জাহানের জন্যে আনন্দের সওগাত নিয়ে হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। মুসলিম উম্মাহ’র সবচেয়ে বড় এই উৎসবে ধনী-দরিদ্র, উঁচু-নিচু সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে মহানন্দে মেতে উঠার আহবানে, দেশ ও দেশের বাইরে সকল মুসলমানকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল আযহার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। ঈদ আনন্দে রঙ্গিন হয়ে উঠুক প্রতিটি হৃদয়। সুস্থ্য দেহ ও সুন্দর মন নিয়ে সবাই যাতে এই মহানন্দে শরীক হতে পারে সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করি। আমীন ॥

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাড়ে চার হাজার পশুর মাংস বিতরণ

উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রিত প্রায়ই ১২ লাখ রোহিঙ্গাদের কোরবানির মাংস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। আর সেই লক্ষ্যে দাতা ও সেবা সংস্থাদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পশুর টার্গেটও নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সব রোহিঙ্গাকে ঈদের প্রথম দিন মাংস দিতে পারেনি প্রশাসন।

রাখাইনের বাস্ত্যুচুত ১ লাখ ৯৫ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য কমপক্ষে ১২ হাজার পশুর দরকার। কিন্তু সড়কে যানজট, শ্রমিক সংকট ও নানা কারণে এখনো দাতা ও সেবা সংস্থারা সব পশু দিতে পারেনি বলে সূত্র জানায়।

এ বিষয়ে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নিকারুজামান বলেন, ঈদের প্রথম দিনে রোহিঙ্গাদের জন্য ২৬০০ গরু ও ২০টি ছাগল জবাই করা হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ৭০টি গরু দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কুতুপালং ৫, ৬ ও ১৭ নং ক্যাম্পের সবাই কোরবানির মাংস পেয়েছে। এর পাশাপাশি ৩ ও ৪ নং ক্যাম্পের ৫০ ভাগ রোহিঙ্গাদের মধ্যে মাংস সরবরাহ করা হয়েছে। ২৯ নম্বর ক্যাম্পসহ এর আশেপাশের কয়েকটি অধিকাংশ রোহিঙ্গাদের মধ্যে মাংস বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার অন্যদের মধ্যে মাংস বিতরণ করা হবে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান বলেন, টেকনাফে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ৭টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প। প্রথমদিনে এখানে ৫০০ গরু ও ৩০০ ছাগল জবাই করো হয়েছে। এখানকার প্রত্যেকেই মাংস পেয়েছে। বৃহস্পতিবারও কিছু কাঁচা মাংসের প্যাকেট আসবে। সেগুলো তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় কমপক্ষে ৬০ শতাংশ রোহিঙ্গা কোরবানির মাংস পায়নি।

এ বিষয়ে মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পেরে ই-ব্লকের বাসিন্দা নুর জাহান বেগম বলেন, রাখাইনে সহায় সম্বল ফেলে এখানে এসেছি। সেখানে থাকতে আমাদের পরিবার কোরবানি দিত। কিন্তু এখানে তো সেই ক্ষমতা নেই। এবছর সহ দু’বছর কোরবানির মাংস খেতে পারিনি।

বালুখালি ক্যাম্পের সি-ব্লকের রোহিঙ্গা যুবক আবু তাহের বলেন, আমাদের এ ক্যাম্পের অনেকেই মাংস পেয়েছে আবার অনেকে পায়নি।

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনজার্চ মো. রেজাউল করিম বলেন, সব রোহিঙ্গা পরিবারকে ২ কেজি করে মাংস দিলেও কমপক্ষে ১০/১২ হাজার বড় সাইজের গরু দরকার। কিন্তু এনজিও এবং দাতা সংস্থাগুলো সময়মত পশু দিতে পারেনি। এছাড়া ছোট আকারের গরু হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে মাংস বিতরণে হিমশিম খেতে হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, কোরবানির প্রথমদিনে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার গরু ও ৫০০ ছাগলের মাংস বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আরো হাজার খানেক পশু জবাই করা হবে। শুক্রবার রোহিঙ্গাদের মাংস, পেয়াজ, চাল, ডাল সহ ১০ হাজার ৭০০টি প্যাকেট বিতরণ করা হবে।