নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া এলাকায় রবিবার রাত ১২ টায় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা।
নিহতের ভাই আবদুল মান্নান নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন’কে জানান,উপজেলার চনপাড়া এলাকায় রবিবার রাত আনুমানিক ১২ মোস্তফা,আরব আলি,বজলু ও সাহাবউদ্দিনসহ আরো কয়েকজন তার ভাইকে ডেকে নিয়ে যায়।পরে রাত ২ টার দিকে দিকে খবর পান সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে ফেলে গেছে।পরে রাত ৩ টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা।সকাল সাড়ে ৬ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সৃত ঘোষনা করেন।
রূপগঞ্জে কাপড় ব্যবসায়ীকে হত্যা
সোনারগাঁয়ে মাটি কাটাকে কেন্দ্র মারামারি॥আটক ৫
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের পেরাবো বাজার এলাকায় গতকাল সোমবার ১০ টার দিকে জোর পূর্বক সোহেব মিয়া, জুয়েল মিয়াসহ ৮/১০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী বেকু দিয়ে মাটি কেটে নেওয়ার সময় বাধা দেয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা জমির মালিক সফিকুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করেছে সস্ত্রাসীরা। ঘটনায় সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বেকুসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের পেরাবো গ্রামে মনির হোসেন ছেলে আতিকুর রহমানের ফসলি জমি থেকে বেকু দিয়ে জোর পূর্বক মাটি কেটে নিচ্ছে একই এলাকার ভুমিদস্যু সোহেব ও তার সহযোগিরা। এতে আতিকুর রহমানের ছোট ভাই সফিকুল ইসলাম বাঁধা দিলে সোহেব মিয়া, জুয়েল মিয়া, তুহিন মিয়া ও রাব্বি মিয়াসহ ৮/১০জন সন্ত্রাসী বাহিনী লোহার রড ও লাঠিশোটা দিয়ে পিটিয়ে সফিকুল ইসলামকে মারাতœক আহত করে। আহত জমির মালিককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। মাটি কাটার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেব মিয়া, জুয়েল মিয়া, তুহিন মিয়া ও রাব্বি ও মাটি কাটার ব্যবহৃত বেকুটি আটক করে পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-৪
নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে ১টি বিদেশী নাইন এমএম পিস্তল ও ৩ রাউন্ড তাজা গুলিসহ থানা আ’লীগ নেতার দুই ছেলেসহ ৪ যুবককে গ্রেফতার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই ওমর ফারুক সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিজমিজি মৌচাক এলাকাস্থ ধৃত সাইফুল ইসলাম রুপমের ষ্টীল কাটিং মিলে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে।
ধৃতরা হলো- মিজমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্ধা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাজী সালাউদ্দিনের দুই ছেলে সাইফুল ইসলাম রুপম (২৮) ও মাহবুবুর রহমান আরমান (২৫) এবং তার বাড়ীর ভাড়াটিয়া বরিশাল জেলার গলাচিপা থানার বিলগোছা গ্রামের হানিফ গাজীর ছেলে মনির হোসেন (১৯) ও কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার মারাক্কা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মিজমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকার মাহবুবের বাড়ীর ভাড়াটিয়া কবির হোসেন (২৪)।
এব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাদেরকে সাইফুল ইসলাম রুপমের মালিকানাধীন মৌচাক এলাকার ষ্টীল কাটিং মিল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ফতুল্লায় খেলার মাঠ রক্ষায় স্থানীয়দের মানবন্ধন
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় বুধবার দুপুরে স্থানীয় জনতার রোশানলে পরে গনপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা।স্থানীয় লোকজনের সাথে যোগ দিয়েছে বিভিন্ন সংগঠনের নেতা কর্মিরা।উক্ত এলাকার খেলার মাঠ রক্ষার দাবীতে বুধবার বিকেলে মানবন্ধন কর্মসূচি করে এলাকাবাসী।সেই মানবন্ধনে যে কোন মূল্যে খেলার মাঠটি রক্ষার ঘোষনা দেয়া হয়।এই মাঠটিতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৬৭২ টি ফ্লাট নির্মানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।সরকারের সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য মানবন্ধন থেকে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।এদিকে বুধবার দুপুরে দুই দফায় গনপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের ফিরে যেতে হয় স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে।বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমেভাব বিরাজ করছে।
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী’র ছবি ভাংচুরের ঘটনায় বন্দর থানা যুবকামান্ডে’র তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ নারায়ণগঞ্জ বন্দর দক্ষিন লক্ষনখোলা এলাকায় তাঁতিলীগের অফিসে হামলা ও বঙ্গবন্ধু-প্রধানমন্ত্রীর’র ছবি ভাংচুরের ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ও পূনর্বাসন সোসাইটি বন্দর থানা যুবকমান্ডে’র পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় গনমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বন্দর থানা যুবকমান্ডের সভাপতি মো: আলমগির হোসেন ও সাধারন সম্পাদক মো: জহিরউদ্দিন বলেন,বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না অথচ বাংলাদেশে মানচিত্রে থেকে কার এতো বড় দু:সাহস যে তাঁর ছবি ভাংচুর করে এবং আসামীদের গ্রেফতারে অবহেলা করছে এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাই।
নাঃগঞ্জে চেক জালিয়াতির মামলায় রাব্বি জেলহাজতে
নারায়ণগঞ্জে নিহত মেধাবী শিক্ষার্থী তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর বাবা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সংস্কৃতিক জোটের সভাপতি রাফিউর রাব্বিকে চেক জালিয়াতি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে রাব্বি আত্মসমপর্ণ করে জামিন আবেদন করেন। এসময় বিচারক মিয়াজী মোহাম্মদ শহীদুল আলম চৌধুরী আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য শুনে রাব্বিকে কারাগারে প্রেরণের নিদের্শ দেন।
গত বছরের ২৪ জুন চেক জালিয়াতির মামলায় তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা কোর্ট ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের উত্তর চাষাঢ়া এলাকার জালালউদ্দীন বাদী হয়ে ২০১২ সালে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭০ লাখ টাকার দুটি চেক জালিয়াতির মামলা করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১২ সালের ৮ ফেব্রয়ারি ও একই বছর ১৫ ফেব্রয়ারি নারায়ণগঞ্জ স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে রাব্বি ৭০ লাখ টাকার দুটি চেক জালাল উদ্দিনকে প্রদান করেন। চেক দুটি ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রত্যাখ্যাত হয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি ফেরত আসে। পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারি লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের অনুরোধ জানানো হয়। নোটিশ গ্রহণ করেন মার্চের ১ তারিখে। যার মেয়াদ শেষ হয় ৩০ মার্চ। কিন্তু টাকা পরিশোধ করেননি রাব্বি।
পরে ২০১৫ সালের ২৪ জুন নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মামুনুর রশীদের আদালত রফিউর রাব্বিকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড সঙ্গে আরো ২ কোটি ১০ টাকা লাখ অর্থদণ্ড দেন। এর পর রফিউর রাব্বি ৩৫ লাখ টাকা জমা দিয়ে রায় বাতিল চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ফৌজদারি আপিল (৫৬০৪/২০১৫) দায়ের করেন। চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রফিউর রাব্বি আপিল খারিজ করে দেন। হাইকোর্টের রায়ের কপিসহ নথি গত ১৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে এসে পৌঁছলে আদালত সেটি রেজিস্ট্রিভুক্ত করার আদেশ দেন।
পরে আদালত রফিউর রাব্বি বরাবরে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করেন।
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী’র ছবি ভাংচুরের ঘটনায় তাঁতিলীগের মানববন্ধন
নারায়ণগঞ্জ বন্দরের তাঁতিলীগের অফিসে হামলা,লুটপাট,বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী’র ছবি ভাংচুরের ঘটনায় বন্দর উপজেলা তাঁতিলীগের উদ্যেগে মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করা হয়।
উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন,বন্দর থানা তাঁতিলীগের সভাপতি এস এম কবীর,সাধারন সম্পাদক হোসেইন মাহমুদ লিটন,সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইাসলাম,দপ্তর সম্পাদক হাসান সাউদ,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আবু হাসানাত মো: সুমন,বন্দর থানা যুব কামান্ডের আলমগীর হোসেন,সাধারন সম্পাদক জহিরউদ্দিন,রুহুল আমিন,বাপ্পি,রিয়াদ সারোয়ার,ইমরান হোসেনসহ আ’লীগের আরো অনেক নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টায় বন্দর উপজেলা তাঁতিলীগের অফিসে হামলা ও লুটপাট চালিয়ে তাঁতিলীগের নেতা কামরুল ইসলাম ও আবু হাসানাত সুমনকে মারধর করে স্থানীয় বিএনপি’র কাউন্সিলর এনায়েতের ক্যাডার বাহিনীরা।এ সময় তাদের অফিসে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী’র ছবি ভাংচুর করা হয়।ঘটনার রাতেই সুমন বাদী হয়ে একটি অেিযাগ দায়ের করে।পরে অনেক নাটকীয়তায় ওসি আবুল কালাম আজাদ মামলা নিলেও কাউকে গ্রেফতার করছেনা। আসামী গ্রেফতার ও সুষ্ঠ বিচারের দাবীতে মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে বন্দ উপজেলা তাঁতিলীগসহ আ’লীগের অংগ সংগঠনের নেতাকর্মিরা।
সদর উপজেলার ৩ ইউপিতে ৩ চেয়ারম্যান ১২ মেম্বার প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ
নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মনোনয়নপত্র চুড়ান্ত যাচাই বাছাইয়ের পর তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ১২ জন মেম্বার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে সদর উপজেলা নির্বাচন কমিশন। বুধবার (৩০ মার্চ) সকল প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত জানান তারা।
২৯ মার্চ মঙ্গলবার সদর উপজেলাধীন আলীরটেক, বক্তাবলী ও কাশিপুরের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। ৩০ মার্চ বুধবার ছিলো সদরের বাকী তিনটি ইউনিয়ন গোগনগর, কুতুবপুর ও এনায়েতনগরের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্ধারিত দিন। এদিন সকাল থেকেই উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সব হেভিওয়েট প্রার্থীদের পদচারনায় মূখর হয়ে উঠে। প্রথমে গোগনগর, এরপর এনায়েতনগর ও সবশেষে কুতুবপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের ফলাফল ঘোষনা করেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার আঃ রশিদ মিয়া।
ফলাফলে কাগজপত্রে সমস্যা থাকায় কুতুবপুর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার তালেব হোসেন ও এনায়েতনগরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কামরুল ইসলাম তুহিন এবং প্রস্তাবকারী কাশিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায় গোগনগরের বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষনা করা হয়। এছাড়াও কুতুবপুরের ৬ জন, এনায়েতনগরের ৫ জন ও গোগনগরের ১ জনসহ মোট বারোজন সদস্যের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
ফল ঘোষনার পর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আঃ রশিদ মিয়া টাইমস নারায়ণগঞ্জকে জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা আগামী তিনদিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে।
উল্লেখ্য, সারাদেশে ছয়টি ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আগামী ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে নারায়ণগঞ্জের সদরের ছয়টি ও রূপগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বচন। এ লক্ষ্যে ২১ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যপ্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বিতরন ও গ্রহন কার্যক্রম চলে। মঙ্গলবার ও বুধবার সদরের ছয়টি ইউনিয়নের প্রার্থীদের জমাকৃত মনোনয়ন যাচাই শেষে ফলাফল ঘোষনা করা হয়।
যশোরে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
যশোরে ইদ্রিস আলী নামে বিএনপির এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর সদর উপজেলার শ্যামনগর বাজারে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত ইদ্রিস আলী উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের হাশেম আলী মোল্লার ছেলে। তিনি হৈবতপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তিনি এক সময় চরমপন্থী দলের নেতা ছিলেন।
চরমপন্থী নান্নু বাহিনীর সদস্যরা তাকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইদ্রিস আলী শ্যামনগর বাজারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে এসে তাকে কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন জানান, ইদ্রিস আলী সাবেক চরমপন্থী নেতা। তাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
যশোর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম জানিয়েছেন, নিহত ইদ্রিস আলী হৈবতপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। সন্ত্রাসীদের ভয়ে ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাতমাইল এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। তবে এটি নির্বাচনকেন্দ্রীক হত্যাকাণ্ড কিনা তা এখনও নিশ্চিত নয়।
চরমপন্থী নেতা ইদ্রিস আলী ১৯৯৯ সালে সরকার ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায় অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। তার বিরুদ্ধে হত্যা-ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বিএনপির ১০ জনসহ ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন
ব্যালট ছিনতাই, কেন্দ্র দখল ও সংঘর্ষের ঘটনায় সারা দেশে অন্তত বিএনপির ১০ জনসহ ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জনের খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দ্বিতীয় দফায় ৬৩৯ ইউপিতে ভোট গ্রহণ শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে ভোট বর্জন করেছেন প্রার্থীরা। 
এর মধ্যে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিন তোতা, ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর জেলার কুলকুচা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী, ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউপির বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিরাজ উদ্দিন ভোট বর্জন করেছেন।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় এক বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী, সীতাকুণ্ড জেলার সোনাইছড়ি, বারবকুণ্ড ও কুমিড়া ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী, শেরপুর জেলার উরপা ইউনিয়নেরর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী, ও কুষ্টিয়া জেলার খলিশা ইউনিয়নের জাসদ সমর্থিত প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন।
এ ছাড়া জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি), মাহমুদপুর ইউপির নুরে আলম তালুকদার রুনু (বিএনপি), নামলা ইউপির নুরুল হক জংগি(বিএনপি) ভোট বর্জন করেছেন।







