নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি কোরবানির পশুর হাটের সিডিউল কেনা নিয়ে নূর হোসেন ও মুন্না নামে দুই জনপ্রতিনিধির সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মুন্নার সমর্থক ইসমাইল হোসেন বলেন, মুন্না ভাই আমাদের পাঠিয়েছেন সিডিউল কেনার জন্য।
আমরা উপজেলা কার্যালয়ে প্রবেশের সময়ই গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নূর হোসেন মেম্বারের লোকজন আমাদের বাধা দেয়। এ সময় প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে ও আমার সঙ্গে আসা সাইদ, জনি, শাহ জাহানসহ ৫-৬ জনকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারতে থাকে এবং মুন্নাকে গালাগাল করতে থাকে। এ সময় এলাকাবাসী এসে আমাদের রক্ষা করে। তাদের বাধার মুখে সিডিউল কিনতে পারিনি।
নূর হোসেন মেম্বারের ছোট ভাই মকবুল সওদাগর জানান, গোপগনগর ইউনিয়ন পরিষদের ১২ জন মেম্বার মিলে সৈয়দপুর মাতবর বাড়ি এলাকার হাটটি ইজারা নেয়ার জন্য সিডিউল কেনে।
বিষয়টি জানতে পেরে মুন্না সমর্থক ইসমাইল লোকজন নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে উপজেলায় এসেছিল। তারা হাটের সিডিউল কিনতে আসেনি। তারা আমাদের লোকজন দেখে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। এতে আমরা প্রতিবাদ করেছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসনে আরা বিনার সহকারী মনির হোসেন জানান, ইউএনও অফিসিয়াল কাজে বাইরে আছেন। বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন হাটের সিডিউল বিক্রি করেছি। আমাদের কার্যালয়ে কোনো মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বাইরে কিছু ঘটলে এর জন্য পুলিশ আছে তারাই ব্যবস্থা নেবে। ফতুল্লা মডেল থানার এসআই আরিফুর রহমান জানান, উপজেলার উত্তর গেটের কাছে কিছু লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি ও কিলঘুষির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।






লাইনের দাঁড়িয়ে স্মার্ট কার্ড নিতে আসা বেশ ক’জন ভোটারের সঙ্গে আলাপকালে জানান, কার্ড নিচ্ছি এটা আমার প্রয়োজনে। তাই দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে কোন বিরক্ত লাগছে না। কেউ কেউ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে স্বস্তির হাসিও হাসতে দেখা গেছে। অনেকে আবার স্মার্ট কার্ড হাতে পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অভিব্যাক্তি ব্যক্ত করেছে। কেউ কেউ হাতে স্মার্ট কার্ড নিয়ে ফটোসেশন এবং সেলফী তুলে এই সময়কে স্মৃতিরে এ্যালবামে বন্ধি রেখেছে।



বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে দায়িত্ব পালনের সময় যে সমস্ত সন্ত্রাসী সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়েছে তাদের গ্রেফতার করা না হলে এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না হলে আগামীতে বৃহত্তর কর্মসূচির মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বাধ্য করা হবে।
ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম সামাদ মতিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ্, সহ-সভাপতি এড.মশিউর রহমান শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম লিটন, প্রচার সম্পাদক জিএ রাজু, অর্থ সম্পাদক শাকিল আহমেদ ডিয়েল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিয়াজ মোঃ মাসুম,সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমীন প্রধান, কার্যকরী সদস্য মনির হোসেন, মাসুদ আলী,এ আর মিলন, আবুল কালাম আজাদ, ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম নুরু, বন্দর থানা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাব্বির আহমেদ সেন্টু, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, ফতুল্লা থানা প্রেস ক্লাবের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ,সদস্য সচিব শেখ মোঃ সেলিম, ফতুল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক এ আর কুতুবে আলম, অর্থ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সুজন, বিজয় টিভির ফতুল্লা প্রতিনিধি বদিউজ্জামান, মাইটিভির ফতুল্লা প্রতিনিধি শাহাব উদ্দিন,রাসেল আহমেদ,জনি,হারুন অর রশিদ সাগর, মোঃ মুন্না প্রমুখ। প্রতিবাদ সভা শেষে সাংবাদিকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিন করে ফতুল্লা মডেল থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়।