৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 132

কাকরাইলে তাবলিগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি

কাকরাইলে আবারও তাবলিগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সাদপন্থীরা কাকরাইল মসজিদের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেয় সাদ বিরোধীরা। এ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। পুরো এলাকায় এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে।এ

ব্যাপারে রাত পৌনে ১০টার দিকে রমনা থানার এসআই তাসপ বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছিল। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাবলিগ জামাতে চলমান দ্বন্দ নিরসনের লক্ষ্যে নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্রও জারি করা হয়।এতে বাংলাদেশে দাওয়াত তাবলিগের কার্যক্রম সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব দেলোয়ারা বেগম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে তাবলিগ জামাতের চলমান সংকট নিরসনে তাবলিগের উভয় পক্ষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, অপ্রচাররোধ, একে অপরের প্রতি সহনশীল মনোভাব পোষণসহ বেশকিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়।

পরিপত্রটি ইতিমধ্যে সব জেলা প্রশাসক ও তাবলীগের মারকাজগুলোতে ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে।

তাবলিগ জামাত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন উল্লেখ করে পরিপত্রে বলা হয়, সমগ্র বিশ্বে তাবলিগের কার্যক্রম একটি অরাজনৈতিক অহিংস, শান্তিপূর্ণ ও সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় কার্যক্রম হিসেবে পরিচিত। মুসলিম জনসাধারণ তাদের আত্মশুদ্ধি ও ইসলামের দাওয়াতে প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ একটি অন্যতম অগ্রসরমান দেশ বিধায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ মুসলিম জামাত ‘বিশ্ব ইজতেমা’ প্রতি বছর গাজীপুর জেলার টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

তাবলিগ জামাতের চলমান সংকটের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, সম্প্রতি এ সংগঠনের মধ্যে দৃশ্যমান বিভক্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে শান্তিকামী সংগঠনটির দুটি গ্রুপের মধ্যে দেশের প্রায় সকল এলাকায় প্রায়শই বিন্যাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

যা ধর্মীয় রীতিনীতি তথা সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলার অন্তরায়। তাই দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা, ধর্মীয় সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বজায় রাখা তথা সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য কয়েকটি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাবলিগের সংকট নিরসনে সরকারের পাঁচ নির্দেশনা–

১. বর্তমানে তাবলিগে বিদ্যমান দুটি পক্ষ সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা পরামর্শক্রমে কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গী ইজতেমা ময়দানসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলা মারকাজে সপ্তাহের ভিন্ন ভিন্ন দিনে, তারিখে তাঁদের কার্যক্রম (সাপ্তাহিক বানি ও রাত্রি যাপন, পরামর্শ ও তালিম, মাসিক জোড় ইত্যাদি) পরিচালনা করবে।

তবে কোন পক্ষ চাইলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মারকাজ ব্যতিত অন্য কোন মসজিদে বা জায়গাতেও তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

২. তাবলিগের আদর্শ ও চিরাচরিত রীতিনীতি অনুযায়ী কোন পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে কোনরূপ লিখিত বা মৌখিক অপপ্রচার চালাবে না।

৩. দেশের সকল মসজিদে পূর্বের ন্যায় শান্তিপূর্ণভাবে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সে লক্ষ্যে যে কোন মসজিদে উভয় পক্ষের জামাতই যেতে পারবে। এতে কোন পক্ষই কাউকে বাধা দিবে না।

তবে একই সময়ে দুই পক্ষের দেশি ও বিদেশি জামাত একই মসজিদে অবস্থান করা যুক্তিসংগত হবে না। এক্ষেত্রে যে পক্ষের জামাত আগে আসবে সেই পক্ষের জামাত অবস্থান করবে। অন্য পক্ষের জামাত পার্শ্ববর্তী অন্য কোন সুবিধাজনক মসজিদে চলে যাবে।

৪. উভয় পক্ষ তাঁদের ইজতেমা বা জোড়ে তাবলিগের দেশি-বিদেশি মুরুব্বিদের আমন্ত্রণ জানাতে পারবে। এতে এক পক্ষ অন্য পক্ষের কার্যক্রমে কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।

৫. কোন এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দিলে স্থানীয় প্রশাসন উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

 

মোনালিসা হত্যা মামলার আসামী সাঈদ ফতুল্লা পুলিশের হেফাজতে

শেখ মো: সেলিমঃ  আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা’র (ইন্টারপোল) সহযোগিতায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ এবার দুবাই থেকে স্কুল ছাত্রী মোনালিসা (১২) হত্যা মামলার ঘাতক আবু সাঈদকে (৩৫) আটক করেছে।

রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ টায় বাংলাদেশ এয়ার লাইসের একটি বিমানে করে তাকে শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিয়ে এসে ফতুল্লা থানা পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়।

এর আগে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিকে দেশে নিয়ে আসার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের। প্রবাসী আসামি আবু সাঈদ (২২) ফতুল্লা পশ্চিম দেওভোগ বড় আমবাগান এলাকার ইকবাল হোসেনের পুত্র।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আবু সাঈদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়। পরে সকল প্রক্রিয়া শেষে আগামি রোববার দেশে নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ৩ মাস আগে আবু সাঈদ বিয়ে করার জন্য দুবাই থেকে বাংলাদেশে আসেন। পরে পাশের বাড়ির মোনালিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সাঈদের পরিবার। কিন্তু মেয়ের বয়স অল্প হওয়ায় সাঈদের প্রস্তাবে রাজি হননি মোনালিসার পরিবার। পরে সাঈদ পাশের এলাকার ইভা নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে।

কিন্তু ২ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে একা পেয়ে মোনালিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সাঈদ। পরে ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেয়। আর এ ঘটনার পর আবু সাঈদ দুবাই পালিয়ে যায় বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়। অগ্রিম রিটার্ন টিকেট থাকায় পালিয়ে যেতে কোন বেগ পেতে হয়নি তার।

উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ বড় আমবাগান এলাকা নিজ বাড়ি থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মোনালিসা আক্তারের (১২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মোনালিসা আক্তার স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহীন বেপারীর মেয়ে। সে হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।

আইডিয়াল কম্পিউটার একাডেমীর সনদ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ একাডেমী ‘আইডিয়াল কম্পিউটার একাডেমীর” চোধুরী বাড়ির একাডেমীক ভবনে ৩২তম ব্যাচের সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ীতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি বলেন, আমি আজ খুবই আনন্দিত যে, আইডিয়াল কম্পিউটার একাডেমীর ছাত্রছাত্রীরা মাত্র তিন ও ছয় মাসের কোর্সে কম্পিউটার সার্টিফিকেট পাচ্ছে। আমি আশা করি তোমরা এ শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেদের জীবনকে বাস্তবমূখী কাজকর্মে লিপ্ত করবে। আজ দেশে মধ্যে কম্পিউটার ছাড়া কল্পনা করা যায় না। যারা কম্পিউটার জানে না তারা আজ লেখাপড়া শিখেও ভাল মানের কাজ করতে পারছে না। তাই আমি মনে করি তোমরা এ শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সাবলম্বী করে তুলবে এবং পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে পারবে।

আইডিয়াল কম্পিউটার একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক  মো: কামরুল হাসান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, আমার এ প্রতিষ্ঠান আজ ১৭ বছরে প্রত্যার্বণ করেছে। আমি আজ ৩২তম ব্যাচের সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পেরে খুবই আনন্দিত।

তাছাড়া তিনি আরোও বলেন, আমি আজ আনন্দিত যে, আমার অতিথিরা উপস্থিত হয়ে আমার এ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করেছেন। আমি তাদেরকে আমার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

এসময় বিশজন ছাত্রছাত্রীকে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা সার্টিফিকেট পেয়ে খুবই উৎফল্ল প্রকাশ করে বলেন, আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন আমরা শিক্ষা বাস্তব জীবনে এ শিক্ষা কাজে লাগাতে পারি।

আইডিয়াল কম্পিউটার একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো: কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক মো: খায়রুজ্জামান। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- লক্ষীনারায়ণ কটন মিলস উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি মো: সালাউদ্দিন আহমেদ, ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো: জাকির হোসেন লস্কর জয়, জ্ঞানের আলো আইডিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম খন্দকার ও আইডিয়াল কম্পিউটার একাডেমীর ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ।

পরিবার থেকে মাদক রুখতে হবে-এসপি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বলেছেন, মাদক নির্মূল শুরু করতে হবে নিজ পরিবার থেকে। সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মিশে সে দিকেও লক্ষ রাখতে হবে। তা হলেই এই সমাজ থেকে মাদক,জঙ্গীবাদ,সন্ত্রাস দূর হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার তুষারধারা এলাকায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার বলেন, সামাজিক অবক্ষয়ের কারনে সমাজে অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পুলিশের একার পক্ষে এসব অপরাধ নির্মূল করা কোন ভাবেই সম্ভবনয়।

আনিসুর রহমান বলেন, সন্তান মাদকা সক্তহয়ে বলেই নিজ সন্তান ঐশির হাতে পুলিশ কর্মকর্তা তার স্ত্রীসহ নির্মম ভাবে হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে। তিনি মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রুখতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে তার পাশে চান।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদেরের (পিপিএম) সভাপতিত্বে এতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মেহেদী হাসান ইমরান, ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (আইসিটি) গোলাম মোস্তফা, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, ভাইস চেয়ারম্যান নাজিমউদ্দিন, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা জাকিরুল আলম হেলাল, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মীর হোসেন মীরু প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দেবে কওমি আলেমরা

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে কওমি আলেমরা। ‘কওমি মাদরাসা সমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ এর অধীনে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান বিল ২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস করায় কওমি অঙ্গনের আলেম-ওলামা এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করতে যাচ্ছে বলে একটি বিশ্বস্তসূত্রে আওয়ার ইসলাম জেনেছে।

সূত্র মতে, ‘কওমি মাদরাসা সমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করে জাতীয় সংসদে বিল পাস করায় ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ -এর নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জানা যায়, ইতোমধ্যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের ব্যাপারে ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ -এর নেতৃবৃন্দ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে কবে বা কোথায়  এ সংবর্ধণা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে সে ব্যাপারে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে  ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর বৈঠকের ওপর।

আগামী মাসের শুরুতে  ‘আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। গুরুত্বপূর্ণ এ বৈঠকটিতে  ‘আল হাইআতুল উলয়ার নীতিনির্ধারণী  নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

 

জিয়াকে না’গঞ্জে ঢুকতে দেইনি: শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, ১৯৭৯ সালে  সাতজন ছেলে নিয়ে জিয়াউর রহমানকেও নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় আটকে দিয়েছিলাম। স্লোগান তুলেছিলাম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাই। এরপর আমার ওপর নির্যাতন চালানো হলো।

আমার সাইকেল আমার পিঠে ভেঙে ফেলা হলো এবং আমার পিঠে মোটরসাইকেল তুলে দেয়া হলো। কিন্তু কোনো কষ্ট পাইনি। তার পরও ১৯জন মন্ত্রীসহ জিয়াউর রহমানকে নারায়ণগঞ্জের মাটিতে ঢুকতে দেইনি। এরপর গোলাম আযমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি নারায়ণগঞ্জের পবিত্র মাটিতে। এতে আমার ওপর বোমা হামলা করে ২১ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার বিকালে ফতুল্লার কুতুবপুর তুষারধারায় সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, বড় ভাই নাসিম ওসমান বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে বাড়ি ছেড়ে কাদেরিয়া বাহিনীতে চলে গেলেন। মেঝ ভাই সেলিম ওসমানকে বঙ্গবন্ধুর খুনিরা ধরে নিয়ে আগুনের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন চালাল। তখন মেঝ ভাই ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। আমি তখন ক্লাস এইটে পড়ি। আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দাবিতে পোস্টার লাগাতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হই। তখন বুঝতে পারি এপথ এত সহজ নয়। তার পরও আমরা হত্যার রাজনীতি করি না। আমরা দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য আন্দোলন করিনি। আমরা বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলন করেছি।

অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বলেছেন, আপনারা সব রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সন্তানদের শাসন করুন দেখবেন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে না। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শাহ মোহাম্মদ মঞ্জুর কাদের সভায় সভাপতিত্ব করেন।

নারায়গঞ্জ জেলা তাঁতীলী‌গের মত‌বি‌নিময় সভা অনুষ্ঠিত।

কেন্দ্রীয় তাঁতীলী‌গের নি‌র্দে‌শে নারায়গঞ্জ জেলা তাঁতীলী‌গে প‌ক্ষে আয়ো‌জিত আজ বিকা‌লে (শুক্রবার) ২১শে সে‌প্টেম্বর ভোলাইল এলাকায় মত‌বি‌নিময় সভা অনু‌ি‌ষ্ঠিত হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচ‌নে এ কে এম শামীম ওসমান‌কে জয়ী করে নারায়ণগ‌ঞ্জের ৪ আসন‌টি জন‌নেত্রী শেখ হা‌সিনা‌কে উপহার দি‌তে হ‌বে। নি‌জে‌দের ম‌ধ্যে কোন ভুল বুঝা বু‌ঝি থাক‌লে তা অবসান ক‌রে তাঁতীলী‌গের প্র‌ত্যেক‌টি নেতা কর্মী‌ সুসংগ‌ঠিত হ‌য়ে জন‌নেতা এ কে এম শামীম ওসমা‌নের জন্য নির্বাচনী মা‌ঠে কাজ কর‌তে হ‌বে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলী‌গের সা‌বেক সি‌নিয়র সহসভাপ‌তি ভি‌পি আলমগীর হো‌সে‌নের সভাপ‌তি‌ত্বে প্রধান অতি‌থির বক্ত‌ব্যে এসব কথা ব‌লেন বাংলা‌দেশ তাঁতীলী‌গের কার্য‌নির্বাহী ক‌মি‌টির সদস্য চৌধুরী এইচ এম ফারুক সা‌হেদ। ভি‌পি আলমগীর হো‌সেন অনুষ্ঠা‌নের সমা‌প্তি বক্ত‌ব্যে ব‌লেন নারায়গঞ্জ জেলা ও ফতুল্লা থানা তাঁতীলী‌গের নেতাকর্মীদে‌র নি‌য়ে আগামী জাতী সংসদ নির্বাচ‌নে জন‌নেতা এ কে এম শামীম ওসমান ভাই‌য়ের জয় সু‌নি‌শ্চিত করব ইনশাল্লাহ। বক্তব্য রা‌খেন নারায়গঞ্জ জেলা ছাত্রলী‌গের সা‌বেক দপ্তর সম্পাদক মো.মাশফীকুর রহমান শি‌শির, ফতুল্লা থানা ছাত্রলী‌গের যুগ্ম সম্পাদক মো. না‌জির হো‌সেন, ফতুল্লা থানা তাঁতীলী‌গের সভাপ‌তি মিলন মোল্লা, বন্দর থানা তাঁতীলী‌গের সভাপ‌তি আব্দুল হক, বন্দর থানা ছাত্রলী‌গের সা‌বেক সহসভাপ‌তি ক‌বির ভূইয়া, ফতুল্লা থানা তাঁতীলী‌গের সহসভাপ‌তি সাইদুর রহমান,ফতুল্লা‌ থানা তাঁতীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সবুজ,কাশিীপুর ইউনিয়ন তাঁতীলী‌গের সভাপ‌তি আতাউর রহমান, মুছাপুর ইউনিয়ন তাঁতীলী‌গের সভাপ‌তি মোস্তফা মেম্বার,। মত‌বি‌নিময় সভায় আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন মো. বাবুল মিয়া,মো. জালাল, দে‌লোয়ার হো‌সেন, জ‌মির উদ্দীন, মো.আকাশ, সাগর, ম‌নির হো‌সেনসহ প্রমুখ।

ভারতে গরুকে ‘‌রাষ্ট্র মাতা’‌ হিসাবে ঘোষণা করার প্রস্তাব পাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- গরুরে ‘‌রাষ্ট্র মাতা’‌ হিসাবে ঘোষণা করার প্রস্তাব পাশ হলো ভারতের উত্তরাখণ্ড বিধানসভায়। বুধবারই বিধানসভায় এই প্রস্তাব পাশ হয়। কেন্দ্র সরকারের কাছে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে।উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় এই প্রস্তাব আনেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী রেখা আর্য। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে বিরোধী দলের সদস্যরাও।বিধানসভায় মন্ত্রী রেখা আর্য বলেন, ‘‌গরু হল একমাত্র প্রাণী যে শুধু অক্সিজেন ভেতরে টানে তাই নয় সেটা বাইরেও বের করে দেয়। এছাড়াও গরুর মূত্রের মধ্যে রয়েছে ঔষধি গুণাবলিও।’‌ তিনি আরও বলেন, ‘গরুকে আমরা সর্বদাই মায়ের অবতারে দেখি। গরুর দুধ বিজ্ঞান সম্মত ভাবে সদ্যোজাতদের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। মাতৃদুগ্ধের পরই স্থান রয়েছে গরুর দুধের।’‌ গরুকে ‘‌রাষ্ট্র মাতা’‌ হিসাবে ঘোষণা করা হলে গরু-সংরক্ষণের ওপরও দেশ আরও বেশি করে জোর দেবে বলেও মনে করেন প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী।উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার ইতিমধ্যেই এই রাজ্যে গোরক্ষার জন্য গরু হত্যা নিষিদ্ধ করেছে। এবার সারা দেশেই যাতে সেই নিষিদ্ধ-আইন কার্যকর হয়, সেই চেষ্টাই করছেন তারা। এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী রেখা আর্য।প্রাণী সম্পক বিকাশ দপ্তরের সচিব আর মীনাক্ষী সুন্দরম দাবি করেছেন, এক দশকের মধ্যে পরিত্যক্ত গরুর সংখ্যা কমে যাবে। তাঁর আরও দাবি, পথচলতি গরুগুলির ৭৫ শতাংশই ষাঁড়। রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশনের সহযোগিতায় পথে ঘুরে বেরানো গরুগুলির ওপর নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। রাজ্যের তরফে গো-শালাগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ:   মাদারীপুরে ২ ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড এলাকা ও সদর উপজেলার হাউজদি বাজার থেকে দুই ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে র্র্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। ভুয়া ডাক্তারি সনদের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান করায় ঐ দুই ডাক্তারকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
র্যাব -৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সোমবার রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা সোমবার সন্ধ্যায় মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড সংলগ্ন নিরাময় হাসপাতালের পাশে ‘দৃষ্টি সেবা (চক্ষু পরিচর্যা কেন্দ্র) মেডিকেল হল’ নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ভুয়া ডাক্তার এমএম নূরুল ইসলাম (৪৮) আটক করা হয়। এ সময় তার নিকট হতে ৪টি ভুয়া ডাক্তারী সনদ উদ্ধার করা হয়। পবরর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আল মামুন কর্তৃক ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৮ ধারা মোতাবেক ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া ডাক্তার সদর উপজেলার চরফতে বাহাদুরপুর গ্রামের মোঃ সাহেবলঠ মাল এর ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে কলেজ রোড এলাকায় নিজস্ব চেম্বারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে।
অপর দিকে সদর উপজেলার হাউজদি বাজারে সঞ্জয় হালদার (৩৪) নামের আরেক ভুয়া ডাক্তার সীমান্ত মেডিকেল হল নামক চেম্বার খুলে অসংখ্য মানুষকে ভুয়া চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন। চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাপটপ ও ডিভাইসের ব্যবহার করে থাকেন। এক্ষেত্রে তিনি হৃদরোগ, কিডনি, ফুসফুস, যকৃৎ এর সমস্যা, ডায়াবেটিস, টিউমার, ক্যান্সার সহ সকল প্রকার জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা প্রদান করেন। রোগ নির্ণয় শেষে তিনি বিভিন্ন কোম্পানীর ঔষুধ দিয়ে থাকেন। ভুয়া ডাক্তার হাউজদি এলাকার নগেন হালদারের ছেলে।
র্যাব আরো জানায়, অপারেশনে প্রতারণা সনাক্তে মাদারীপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমানের সহযোগিতা নেয়া হয়। পরে গ্রেফতারকৃতদের প্রত্যেককে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আল মামুন ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। বর্ণিত রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত যন্ত্র এবং ভুয়া সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ র্্যাব কর্তৃক জব্দ করা হয়।

নারী নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল!

ডেস্ক নিউজ : ভাড়া বাসায় সুন্দরী এক নারীর সাথে সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ইফতেখার হোসেনের ইয়াবা ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব নবী ফরহাদ সহ ফেন্সিডিল সেবনের ভিডিও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। যা হতবাক করেছে আ.লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগনকে।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন আইডি থেকে ভিডিওটি শেয়ার হতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যে সেটি ভাইরাল হয়ে পুরো জেলার রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে সোনাগাজী আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভিডিওটি কোথায় এবং কখন ধারন করা হয়েছে সেটি পোষ্টে উল্লেখ করা না হলেও ধারনা করা হচ্ছে ফেনী শহরের মাষ্টার পাড়ায় ছাত্রলীগ নেতার ভাড়া বাসায় গোপনে কেউ ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করে।
সরকারের শীর্ষ মহল ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগ কে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার নির্দেশ দেন। ভয়াল মাদকের কবল থেকে দেশ কে রক্ষা করতে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে। সরকারের নির্দেশের পর আইনশৃংখলা বাহিনী মাদক সেবী ও বিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে এ পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় তিনশ মাদক কারবারি বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে ও দশ সহস্রাধিক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।
ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি জেলা আইনশৃংখলা কমিটির বেঠকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বনের ঘোষনা দেন। জেলার আইনশৃংখলা বাহিনী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত রাখার মধ্যে সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের এ নেতার ইয়াবা ও ফেন্সিডিল সেবনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
২৭.৫৮ মিনিটের ভিডিওতে দেখা গেছে, ভাড়া বাসায় ছাত্রলীগ নেতা খালি শরীরে খাটের উপর বসে মৃদু স্বরে ডিভিডিতে হিন্দি গান বাজিয়ে সিগারেট ফুঁকছে। ভিডিওতে অন্য কারো ছবি দেখা না গেলেও কথার আওয়াজে বুঝা যাচ্ছে বাসাতে একাধিক পুরুষ ব্যক্তি অবস্থান করছে। কিছুক্ষন পর সুন্দরী এক নারী কক্ষটিতে প্রবেশ করে ছাত্রলীগ নেতার শরীর ঘেষে খাটের উপর বসে। তারপর তারা ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম বের করে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেয়। একপর্যায়ে সুন্দরী নারী নিজ হাতে ছাত্রলীগ নেতার মুখে ইয়াবা তুলে দেন।
নারীর পরিচয় জানা না গেলেও ধারনা করা হচ্ছে সে ছাত্রলীগ নেতার প্রেমিকা অথবা দেহ ব্যবসায়ী হবে। তবে বিশ্বস্থ একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে ফেনী ও সোনাগাজীতে কয়েকজন নারীর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে, যারা আর্থিক অবস্থা সম্পন্ন লোকদের টার্গেট করে ফেসবুকে প্রেমের অভিনয় করে কৌশলে টাকা হাতিয়ে নেয়। সোনাগাজীতে গত কয়েক মাসে এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটলেও মান সম্মানের ভয়ে ভুক্তভোগীরা মুখ খোলেনি।
অপর একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ছাত্রলীগ নেতা ইফতেখার তার সহযোগী আমিরাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আইয়ুব নবী ফরহাদ সহ রাস্তার পাশে প্রকাশ্যে দাড়িয়ে ফেন্সিডিল ক্রয় করে সেবন করছে। ভিডিও দেখে বুঝা যাচ্ছে স্থানটি ফুলগাজী উপজেলার কালিরহাট সিমান্তের মাদক স্পট। বাংলাদেশ-ভারত সিমান্তের এ স্পটটি জেলার মাদকের অন্যতম আখড়া হিসেবে পরিচিত।
সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব চৌধুরী রবিন এ বিষয়ে বলেন, ব্যক্তি অপরাধের দায়ভার ছাত্রলীগ বহন করবেনা। জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বিষয়টি আমলে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন ফিরোজ জানিয়েছেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি। আমাদের অভিভাবক নিজাম উদ্দিন হাজারীকে জানানো হয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত দিবে সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। তবে কোন মাদকাসক্তের স্থান ছাত্রলীগে হবেনা।
সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসেন জানিয়েছে, অনেকে ফোন করে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওির বিষয়ে অবহিত করেছে।বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার ব্যবহ্নত মুঠোফোন বন্দ থাকায় যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য জানা যায়নি।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ নেতার ইয়াবা সেবনের খবরটি ফোনে জেনেছি। সত্য হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।