১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 157

ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের ৪ সদস্য বহিস্কার

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক আনিসুজ্জামান অনুকে প্রেস ক্লাবের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এবং সদস্য সহিদুল ইসলাম,আরিফুর রহমান ও মাহবুবুর রহমান খোকাকে ক্লাবের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ফতুল্লা প্রেস ক্লাব থেকে স্থায়ী ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। গত ১৭/৪/১৮ইং মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এক জরুরী সাধারন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই সভার পর থেকে বহিস্কৃতরা ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে কোন অনৈতিক কর্মকান্ড করলে বা জড়িত হলে ফতুল্লা প্রেস ক্লাব এর দায় নিবে না।

ফতুল্লা থানা প্রেস ক্লাবের আত্ম প্রকাশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ আবুল কালাম আজাদকে আহবায়ক ও শেখ মোঃ সেলিমকে (এমএ,এলএলবি) সদস্য সচিব করে ফতুল্লা থানা প্রেস ক্লাবের ৭ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত ১২/৪/১৮ইং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সভার মাধ্যমে ফতুল্লা থানা প্রেস ক্লাবের এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলো মোঃ রাসেল, মোঃ রবিন হোসেন, মোঃ বদিউজ্জামান, শ্রীকান্ত মন্ডল জনি, নাজিমুল ইসলাম পরান।

ফৌজিয়া লীনার কবিতা “দু’টানা”

“দু’টানা”

এপারে আধার ঘন ওপারে আলো,
কোন পারে যাবে মন
ইচ্ছেগুলো এলোমেলো।
আবছায়া স্বপ্নেও আজকাল
তোমায় খুঁজে বেড়াই,
অজানা মায়া কাছে টানে অবিরত
অথচ ; মরীচিকা সবটাই।
পেরিয়ে যায় কত দিন
তুমিহীন কতরাত,
চাইলেই কাছে আসতে পারো,
রেখে যত অজুহাত।
স্বপ্নরা আজ ফেরারি
হারিয়ে ফেলেছে দিশা,
হৃদয়ে জ্বলে আলোকরশ্মি
চোখে ঘোর অমানিশা।

ফতুল্লায় পুলিশের উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফতুল্লায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে মাকসুদুল ইসলাম লিখন (৩০) নামের এক সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টায় ফতুল্লার পাগলা নিশ্চন্তপুর কবিরাজ বাড়ী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। আহত লিখন প্রথমে যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

নানা আয়োজনে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের বর্ষ বরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বর্নাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা ও পান্তা ইলিশের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের বাংলা বর্ষাবরণ উদযাপন করেছে।

শনিবার সকাল ১০টায় আলোচনা শেষে একটি র‌্যালী বের করে ফতুল্লার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে বাংলা সনের প্রবক্তা হযরত শাহ্ ফতেহ উল্লাহ্(রঃ) রওজা শরীফে ফাতেহা পাঠে অংশ নেয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম সামাদ মতিন,সাধারন সম্পাদক আবদুর রহিম, সাবেক সভাপতি সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ্, সহ-সভাপতি এড,সৈয়দ মশিউর রহমান শাহিন, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমীন প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম লিটন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নিয়াজ মোঃ মাসুম, অর্থ সম্পাদক শাকিল আহমেদ ডিয়েল, দপ্তর সম্পাদক রফিক হাসান, মনির হোসেন, সেলিম মুন্সি, পম আজিজ, মাসুম আলী, নিউজ প্রতিদিনের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ,শেখ মোঃ সেলিম, মাইটিভির ফতুল্লা প্রতিনিধি শাহাবুদ্দিন, জাকির হোসেন রবিন প্রমুখ।

বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে একাত্বতা প্রকাশ করেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মঞ্জুর কাদের পিপিএম ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী।

রূপগঞ্জে এড.তৈমুরের বাড়িতে বর্ষ বরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার তার রূপগঞ্জের রূপসি খন্দকার বাড়িতে ৩০ হাজার মানুষকে আপ্যায়ন করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১২টা থেকে দিনব্যাপী হাজার হাজার মানুষ এ দোয়া মাহফিল ও মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত হন। দোয়া মাহফিলে খন্দকার বংশের পূর্বপুরুষদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। সেই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদার জিয়ার সুস্থতা কামনাসহ তার মুক্তির দাবি করা হয়।

পহেলা বৈশাখের এ অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি এলাকার বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজনকে নিমন্ত্রণ করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাসহ জেলার সাতটি থানা এলাকার শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত হন এ অনুষ্ঠানে। সেই সঙ্গে রূপগঞ্জ এলাকার সকল শ্রেণিপেশার লোকজন, কৃষক, শ্রমিক, খেঁটে খাওয়া মানুষদের অংশগ্রহণ দেখা যায়। এ অনুষ্ঠানে সকলের জন্য একই খাবারের আয়োজন করা হয়।

মূলত খন্দকার বাড়িটি সাধারণ মানুষদের সমান চোখে দেখে আসছে খন্দকার বংশের পূর্বপুরুষ। যে কারণে তৈমূর আলম খন্দকার আমজনতার নেতা হিসেবে অনেক আগেই পরিচিত পান।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এ আয়োজনের প্রস্তুতি নেন তৈমূর আলম খন্দকার। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আগত মানুষদের আপ্যায়ন করা হয়। প্রায় ৩০ হাজার মানুষদের আপ্যায়নের আয়োজন করা হয় এতে। প্রায় ২০ বছর ধরে প্রতিবছর এ অনুষ্ঠানটি বড় পরিসরে আয়োজন করা হলেও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আন্দোলনের কারণে বড় পরিসরে এ অনুষ্ঠানটি করতে পারেননি তৈমূর আলম খন্দকার।

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা খালেদা জিয়ার

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কারারুদ্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

শুক্রবার বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এই কথা জানান।

রিজভী আহমেদ জানান, গত বুধবার বিএনপির আইনজীবীদের একটি প্রতিনিধি দল বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাত করতে গেলে বেগম জিয়া আইনজীবীগণকে বলেছেন যে, তারা যেন চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে দেশের জনগণ, দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ সকলকে বাংলা নববর্ষের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানান।

দশেবাসীকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বশৈাখী শুভচ্ছো

পহলো বশৈাখ ১৪২৫ উপলক্ষে রাজধানী জুড়ে রয়ছেে র্বষবরণরে নানা আয়োজন। আর তাই পহলো বশৈাখকে বরণ করতইে বাঙালরি এতো আয়োজন। ভোররে প্রথম আলো রাঙয়িে দয়ে নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর সম্ভাবনাক।ে পাশাপাশি নবর্বষকে স্বাগত জানয়িে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামদি ও প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা আলাদা বাণী দয়িছেনে।

এছাড়াও আওয়ামীলীগরে সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরবিহন ও সতেুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদরে এবং জাতীয় র্পাটরি চয়োরম্যান হুসইেন মুহম্মদ এরশাদ বাংলা নবর্বষ উপলক্ষে দশেবাসীকে শুভচ্ছো এবং অভনিন্দন জানয়িছেনে। ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়রে উপার্চায অধ্যাপক ড মো, আখতারুজ্জামান বশ্বিবদ্যিালয় পরবিারসহ সবাইকে বাংলা নবর্বষরে শুভচ্ছো জানয়িছেনে।

র্বতমানে নবর্বষ উদযাপন পরণিত হয়ছেে বাংলাদশেরে র্সাবজনীন উৎসব।ে পহলো বশৈাখ বাঙালি সংস্কৃতরি প্রধান উৎসব উল্লখে করে বাংলা একাডমেরি মহাপরচিালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলনে, বাংলা নবর্বষে মহামলিনরে আনন্দ উৎসব থকেইে বাঙালি র্ধমান্ধ অপশক্তরি কূট ষড়যন্ত্ররে জাল ভদে করার আর কুসংস্কার ও কুপমণ্ডুকতার বরিুদ্ধে লড়াই করবার অনুপ্ররেণা পায় এবং জাতি হয় ঐক্যবদ্ধ।

তনিি বলনে, নতুন বছর মানইে এক নতুন সম্ভাবনা, নতুন আশায় পথ চলা। বুকভরা তমেনি প্রত্যাশা নয়িে নতুন উদ্যমে ও চতেনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি কাল আরো সোচ্চার হবে সাম্প্রদায়কি অপশক্তি মৌলবাদ ও জঙ্গি নধিনরে দাবতি।ে

বাঙালরি প্রাণরে উৎসব পহলো বশৈাখ উদযাপন ১৪২৫ উপলক্ষে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়রে বভিন্নি বভিাগ, ইনস্টটিউিট এবং ক্যাম্পাসরে বভিন্নি প্রতষ্ঠিান র্বণাঢ্য র্কমসূচি গ্রহণ করছে।ে

সূত্র : চ্যানলে আই

‘আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি’

ঘড়ির কাটায় তখন বেলা ১১ টা ৩০মি। কোটি জনতার দৃষ্টি তখন রাজধানীর পিজি হাসপাতালের দিকে। গোটা জাতি বেশ ক’দিন ধরেই উৎকণ্ঠিত। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার নামে আনা হয় শাহবাগের পিজি হাসপাতালে। প্রায় ২ মাস ধরে কারারুদ্ধ, জনতার ভালোবাসায় সিক্ত নন্দিত নেত্রী। কেমন আছেন আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া? সেটুকু দেখার জন্য উদগ্রীব দেশের আবাল বৃদ্ধ-বণিতা। মিডিয়ার কল্যাণে জাতি দেখল দৃঢ়তার এক ‘উন্নত মম শির’ কে। বিনাঅপরাধে কেবল রাজনৈতিক হিংসার কারণে কারাদন্ড দিয়ে শাসক গোষ্ঠী ভেবেছিলো অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে খালেদা জিয়া টলে পড়বেন বা রোগে-শোকে কাবু হয়ে হার মানবেন। তবে তাদের সে আশায় গুড়ে বালি। পিজি হাসপাতালে গাড়ি থেকে নামার পর জনতা দেখলো সাহসী, দৃঢ়চেতা আর আস্থায় অবিচল দেশনেত্রীকে। পরোক্ষণে বুঝে নিলো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আপোষহীন নেত্রীর অকুতোভয় হিম্মত।

গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী কেবিন ব্লকের সিঁড়ির গোড়ায় আগে থেকে রাখা হয়েছিল একটি হুইল চেয়ার। এক মিনিট পর গাড়িটি ঘুরিয়ে একেবারে সিঁড়ির গোড়ায় নিয়ে দাঁড় করানো হয়। কারারক্ষী, পুলিশ, ডিবি পুলিশের সদস্যরা কয়েক স্তরের ব্যারিকেডের মাধ্যমে ঘিরে রাখে সে গাড়ি। সাদা পোশাকধারী একজন কারা কর্মকর্তা গাড়ির দরোজায় গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। তারপর চশমা চোখে, অফ হোয়াইট দেশীয় জামদানী শাড়ি পরিহিত খালেদা জিয়া গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। গাড়ি থেকে নেমেই উপস্থিত সাংবাদিকদের হাসি মুখে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তার চেহারায় অসুস্থতার ছাপ থাকলেও চাহনীতে ছিল এক কঠিন হিম্মতের প্রকাশ। গাড়ি থেকে নামার পরক্ষণেই মহিলা পুলিশ ও কয়েকজন মহিলা কারারক্ষী তার চারপাশে ঘিরে দাঁড়ায়।

১১টা ২০ মিনিটে তাঁকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কিছুটা হেঁটে গিয়ে লিফটে ওপরে ওঠেন। হুইল চেয়ার থাকলেও তিনি তা অগ্রাহ্য করেন।

দাদীকে হাসপাতালে আনার খবর পেয়ে পিজিতে ছুটে আসেন ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর দুই কন্যা জাহিয়া রহমান এবং জাফিয়া রহমান। সঙ্গে তাদের মা শর্মিলী রহমান সিঁথি। খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনার পর তারা কেবিন ব্লকে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশের অনুমতি পাননি। তারপর হাসপাতালের সি-ব্লকের সামনে গাড়িতে বসেছিলেন দীর্ঘক্ষণ। পরে তারা যান হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের ওয়েটিং রুমে। এক্স-রে শেষে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফিরিয়ে নেয়ার সময় রেডিওলজি বিভাগের কাউন্টার গেটের ভেতরে তারা কয়েক মিনিটের জন্য কুশল বিনিময়ের সুযোগ পান। এদিকে এক্স-রে শেষে কারাগারের উদ্দেশে গাড়িতে তোলার সময় কেবিন ব্লকের বারান্দাগুলোতে রোগী, নার্স ও চিকিৎসকসহ উৎসুক হাজারও জনতা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সংগ্রামী এই নেত্রীকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। খালেদা জিয়াও হাসিমুখে হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

কারাগারের অন্ধকার প্রকৌস্টে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও এতোটুকু দমে যাননি খালেদা জিয়া। তাঁর আজকের হাস্যজ্জ্বোল অভিব্যক্তি সেই বার্তাই জানান দিলো।

খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়ার সময় ওই সব সড়কে যান চলাচল সীমিত করে দেয়া হয়। রাস্তাজুড়ে অবস্থান নেয় র‌্যাব-পুলিশের প্লাটুন প্লাটুন সদস্য। তবুও থেমে নেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিকরা, ভয় কে জয় করে প্রিয় নেত্রীর মুক্তির দাবিতে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখর করে তোলে শাহবাগের আশেপাশের এলাকা। পুলিশ যথারীতি চালায় হামলা আর ধরপাকড়।

বিএসএমএমইউ-এ রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগ থেকে দুপুর দেড়টার দিকে গাড়িতে তোলা হয় বেগম খালেদা জিয়াকে। কঠোর পুলিশি ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে গাড়ি কারাগারের উদ্দেশে রওনা করে।

একটি টাকাও যেখানে তছরুপ হয়নি, এক পয়সার দুর্নীতির হিসাবও যার বিরুদ্ধে মিলেনি সেই সৎ, সরলপ্রাণ ও দেশপ্রেমিক নেত্রীকে শুধু জনপ্রিয়তার কারণেই কারাগারে আটকে রেখেছে অনির্বাচিত হাসিনা সরকার।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বৈরাচারী সরকার ভেবেছিলো খালেদা জিয়াকে জেলে পুরলে, একের পর এক জামিন বাতিল করে দিলে, মিথ্যা মামলা চাঙ্গা করলে, চিকিৎসা আর মানবিক অধিকার বঞ্চিত করলে ঘাবড়ে যাবেন এবং পিছু হটবেন। তবে তাদের সে ভাবনায় ছাই। অসুস্থ খালেদা জিয়ার মানসিক দৃঢ়তার কাছে পরাস্থ হলো বাকশাল এবং তার বর্তমান রুপ চলমান একনায়কতন্ত্র। আপোষহীন নেত্রীর এক নতুন প্রত্যয় দেখলো পুরো বাংলাদেশ। গুম-খুন, অপহরণ, নির্যাতন, জেল-জুলুম আর হামলা মামলায় গোটা দেশ যখন জাহান্নামের মতো পীড়াদায়ক করে তোলেছে ভোটহীন, বন্দুকের নল নির্ভর সরকার, তখনো অবিচল বেগম খালেদা জিয়া। শত গঞ্জনা, নিগৃীহন, নির্যাতন আর নিষ্পেষনের ভিতরেও তাঁর মুখে পুষ্পের হাসি। আমাদের দ্রোহের কবি, চেতনা ও মূল্যবোধের বাতিঘর কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়-

“আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!
আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়!
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির-দুর্জয়,”

পবিত্র শব-ই মেরাজ আজ

পবিত্র শব-ই মেরাজ শনিবার। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৭ তারিখ রাতে মহান আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহণ করেন। অবলোকন করেন সৃষ্টি জগতের অপার রহস্য।

রাসূল (সা.) উম্মতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে আসেন, যে নামাজ মু’মিনের মেরাজস্বরূপ।

এমন নানা কারণে এ রাত খুব পবিত্র ও মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমত-বরকতে সমৃদ্ধ। দিনটিকে মুসলিম উম্মাহর বিশেষ দিন হিসেবে পালন করা হয়।